বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে স্পষ্ট লিখা আছে- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক প্রকাশের স্বাধীনতা। অর্থাৎ অনুচ্ছেদ ৩৯(১)- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হইল। অনুচ্ছেদ ৩৯(২) রাষ্টের নিরাপত্তার,বিদেশি রাষ্ট সমুহের সহিত বন্ধুত্ব্ব পুর্ন সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা,শালীনতা বা নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত অবমাননা,মানহানি বা অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসংগত বাধানিষেধ সাপেক্ষ (ক) প্রত্যেক নাগিরকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের এবং (খ) সংবাদ পত্ত্রে স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।"
।
।
।
এই বার আসা যাক মুল বিষয়ে, দৈনিক " বাংলা ৭১ " এর
সম্পাদক জনাব প্রবীর সিকদার কি সাংবিধানিক এই
অধিকারের বাইরে? এখানে তার সাংবিধানিক চাহিদা /
পাওনা কি? যেখানে তিনি তার ভাবনা লিখতে গিয়ে বা
নিজের স্বাধীন মতামত প্রকাশ করতে গিয়ে পুলিশের
হাতে গ্রেফতার। উল্লেখ, পত্রিকার মারফত জানতে
পারলাম।তিনি তথ্য ও যোগাযোগপপ্রযুক্তি আইনের
যে ধারায় অর্থাৎ ৫৭(২) ধারায় গ্রেফতার হন।কিন্তু এই
ধারায় শুধুমাত্র সেই ব্যক্তি মামলা করতে পারে,যার
বিপক্ষে তিনি লিখেছেন।অথচ আমাদের মন্ত্রী মহোদয়
এখন ও পর্যন্ত তার বিরোদ্ধ্যে মামলা করেন নি।
সেখানে কেন একজন আইনজীবির দায়ের করা মামলায়
তাকে গ্রেফতার করা হবে?
।
।
বাংলাদেশ সংবিধানের ৩১ নং অনুচ্ছেদে আইনের
অধিকার লাভ সম্পর্কে লেখা আছে- আইনের আশ্রয়
লাভ এবং আইনানুযায়ী ও কেবল আইনানুযায়ী ব্যবহার
লাভ যে কোন স্থানে অবস্থানরত প্রত্যেক নাগিরকের
এবং সাময়িকভাবে বাংলাদেশে অবস্থিত অপরাপর
ব্যক্তির অবিচ্ছদ্যে অধিকার।,,,,,,,। তাহলে আমার
প্রশ্ন ফরিদপুর বারের কোন গঠনতত্ত্ব বা আইন বলে
কোন আইনজীবি তার পক্ষে মামলা লড়বে না? আমার
আর ও একটা প্রশ্ন ফরিদপুরের বারের এই আইন বা
নিয়ম কি সংবিধান বিরোধী নয়? যদি তাই হয়, তাহলে
ফরিদপুর বারের সবার বিরোদ্ধ্যে রাষ্টদ্রোহী মামলা
করা হক।
।
।
সর্বশেষ বাংলাদের জাতীয় সংবিধানের প্রতি সন্মান
দেখিয়ে বলতে চাই,,,আমরা যারা মুক্তভাবে নিজের
মতামত তুলে ধরি তাদের থামিয়ে দেওয়ার মিথ্যা
অপচেষ্টা করবেন না। কেন আমাদের দেশে চিন্তাশীল
লেখক,কবি,সাংবাদিক ও ব্লগার দের এইভাবে
প্রতিনিয়ত বাধা দেওয়া হচ্ছে? আমরা যদি এই অন্যায়
ও অপসংস্কৃতির বিরোধ্যে না লিখি দেশটা খুব শীগ্রই
রসাতলে যাবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


