somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রীতিলতা সিনেমা নিয়া কয়েক কিস্তি (কলকাতার হারু পার্টি জমিদার-হিন্দু স্বার্থ লইয়া বাংলাদেশে কী চায় ?)

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশে আপ্নে প্রগতিশীল হইতে চান, তাইতে সমস্যা নাই, কিন্তু একটা সহজ সরল তথ্য আপনার ইয়াদ রাখা উচিৎ। বাংলাদেশের প্রগতিশীলতার যে বয়ান চালু আছে, সেইটা তৈয়ার হইছে, কম্যুনিস্টদের হাতে। আর খেয়াল রাখবেন, এই সব কম্যুনিষ্টরা কিন্তু সেই জমিদার-হিন্দুদের পোষ্যপুত্র... যারা সাতচল্লিশে পাকিস্তান আন্দোলনের কাছে চুড়ান্ত ভাবে পরাজিত হইছিলেন। তাদের এই কম্যুনিষ্ট চিন্তা দাড়ায় আছে এক্টা খাটি দগদগা ইসলাম বিদ্বেষের উপর, যার পরতে পরতে আপ্নে দেখবেন হিন্দুত্ববাদের স্পষ্ট ছায়া।

যদি সজাগ না থাকেন, এই প্রগতিশীলতার রাস্তা আপ্নারে সোজা হিন্দুত্ববাদের কোলে নিয়া ফালাইবো। লক্ষ্য করলে দেখবেন, বাংলাদেশে যারা প্রগতিশীল হইতে চান, একটু চান্স পাইলেই তাদের কামকাজের ভিত্রে সেই জমিদার-হিন্দুদের স্বার্থ ক্যামনে স্পষ্ট হইতে থাকে। একটা স্রেফ জমিদার-হিন্দু স্বার্থের ঘটনা, যা একই সাথে প্রচন্ড মাত্রার মুসলমানবিদ্বেষী... সেই ৪৭এর হেরে যাওয়া জমিদার-নন্দনদের রাজনীতি, সেটাই নাকি আবার প্রগতিশীলতা...? এমন প্রগতিশীলতার মায়ের-বাপ কইরা দেওয়া ছাড়া আর কি করনীয়... !

পত্রিকায় দেখতেছি, প্রীতিলতা নিয়া নাকি সিনেমা বানাইতে নামব। কিন্তু প্রশ্ন হইতেছে, কলকাতার হারু পার্টি জমিদার-হিন্দু স্বার্থ লইয়া বাংলাদেশে কী চায় ? কোন একটা চান্স পাইলেই এরা, প্রীতিলতা, ক্ষুদিরাম কিংবা সূর্যসেনদের নাম নিয়া এক ধরনের কথিত ‘প্রগতির’ বাড়তি আবেগের বেলুন আকাশে উড়াইতে চায়,ক্যান...? এই আবেগ কখনো এমন পর্যায়ে যায়, সুভাষ বোসকেও আমরা পারলে আমাদের ‘নেতাজি’ বানায়া ফেলি। তাইলে আগামী দিনে, ধরেন গান্ধী তারপর খোদ নেহেরু সাব... সবাই আমাগোর নেতা হইতে থাকুক... কি ক'ন...? যেন জমিদার-হিন্দু আর তার পূর্ববঙ্গের প্রজা, সবার বুঝি একই ইতিহাস... তাদের স্বার্থও বুঝি এক। একবার তলায়া দেখি না... উনারা কে ছিলেন, পুর্ববঙ্গের মানুষের স্বার্থের লগে উনাদের কাজ কামের গভীর স্বার্থ এবং তার, বিরোধগুলা কোথায়।

এইটার মুল কারন, আমাদের শিক্ষিত মুসলমানদের ইতিহাস বিষয়ে অজ্ঞতা। আর প্রগতির নামে অবলীলায় জমিদার স্বার্থের পা চাটতে থাকা।

[প্রীতিলতা ক্ষুদিরাম সুর্য সেনদের চিনার আগে বঙ্গভঙ্গের ইতিহাস পড়েন]

বৃটিশ আমলে চিরাস্থায়ী বন্দোবস্তের সুবাদে আমাদের এই বাংলায় যে জমিদারী ব্যবস্থা কায়েম হইছিল, সেই জমিদার ব্যবস্থায় পুর্ববঙ্গ ছিল শোষিত, আর কলিকাতা কেন্দ্রিক জমিদারেরা ছিল সেই শোষক। অর্থাৎ একদল বৃটিশদের এজেন্ট, ভাব-শাসক। পুর্ববঙ্গের জনগোষ্ঠির অধিকাংশ মুসলমান হওয়ার কারনে, কলিকাতাকেন্দ্রিক একটা হিন্দুত্ববাদী জাতি রাজনীতির বিরুদ্ধে পুবের প্রজা মুসলমানেরা "মুসলমান" নাম নিয়াই উইঠা খাড়াইছিল। ১৯০৬ সালের পরে তারা "মুসলিম লীগ" নামের দলের জন্ম দিছিলো। ফলে আমাদের মাথায় রাখা উচিত, কলিকাতার জমিদার আর পুর্ববঙ্গের প্রজাদের স্বার্থ কোন সময়ই এক তো ছিল না। বরং এইটা ছিল, একে অন্যের ডাইরেক্ট অপোজিট।

তথাকথিত অগ্নিযুগে(?)র বিপ্লবী হিসাবে ইতিহাসে যাদের চিহ্নিত করা হয়... সেই প্রীতিলতা, ক্ষুদিরাম কিংবা সূর্যসেন... তারা কখনই আমাদের স্বার্থের পক্ষের বিপ্লবী ছিলেন না। তারা ছিলেন জমিদার-হিন্দু স্বার্থ এর সরাসরি এজেন্ট। তাই এরা মূলত পুর্ববঙ্গের প্রত্যক্ষ এনিমি। ফলে এইসব ভুয়া মাতামাতি করার আগে, নিজ নিজ বিবেচনা বোধ কাজে লাগান। আমরা কেউ মুর্খ নই,অন্তত নিজেদের বাপদাদার, পুর্বপুরুষের ইতিহাস পড়তে শিখেন...!

এই ক্ষেত্রে পয়লা যে ভুল আমরা করি, আমরা কেউ বঙ্গভঙ্গের ইতিহাস মন দিয়া পড়ি না। নিজেদের জায়গা থেকে পড়ি না। এমনিতেই যে ভাষ্যটা জমিদার-হিন্দু স্বার্থ এর ভাষ্য, প্রগতির নামে সেই ইতিহাসই পড়ি।

সিপাই বিদ্রোহের (১৮৫৭) পর থিকা কিছু বর্ণহিন্দু বৃটিশ স্বার্থের দালালিতে পয়সা কামাইতে প্রত্যক্ষভাবে মাঠে নামছিল। আর বিপরীত দিকে, বাংলার মূসলমানেরা বরং বৃটিশ শাসনকে মন থেকে বিরোধীতা ও তা মানতে অস্বীকৃতি... আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। এতে করে, মুসলমানেরা কঠোর ভাবে আপোষহীন এবং বৃটিশ শাসনের শত্রু বলে চিহ্নিত হয়ে যায়। এই অবস্থাটা চলছিল অন্তত উনিশ’শ সাল পর্যন্ত। যতদিন না বৃটিশ শাসকেরা আবার বিপরীত দিক চিন্তা করে ভয় পেয়ে যায় – এই বলে যে, এতদিন ধরে করা মুসলমানেদের উপর জুলুম অন্যায় অত্যাচার বেশি হয়ে যাচ্ছে। এতে এটা না আবার কোন নতুন বিদ্রোহ ঘটিয়ে বসে! এই ভয় থেকে তাই তারাই উৎসাহ দিতে থাকে, যাতে কোন “মুসলমান রিপ্রেজেন্টেশন” শাসকের সাথে দেখা করতে আসুক, তাদের অভাব অভিযোগ জানাক। এই ভাবে বৃটিশ শাসকেরা মুসলমানদের পিছায়া থাকা অবস্থার কিছু সুরাহা করতে চাইছিল। আর এর ফলাফল হিসাবে এক মুসলমান রিপ্রেজেন্টেশন শাসকের সাথে দেখা করতে যায়। বাংলা ভাগের ভিতর দিয়া নতুন প্রশাসনিক কাঠামো গইড়া তুলার সিদ্ধান্ত হয়। এইটাই বঙ্গভঙ্গের সিদ্ধান্তের পিছনের পটভুমি।

আর এর ভিতরে সেই বৃটিশ জমানাতেই বৃটিশদের দালালিতে একশ বারো বছর মাতব্বরি আর মাস্তানিতে কাটায় দেয়া জমিদার-হিন্দু তাগোর নিজস্বার্থের বিরুদ্ধে, নিজেদের বিপদ দেখতে পাইছিল। কারণ...?

বড় দুইবাংলা মিলে বড় প্রদেশে (প্রেসিডেন্সি)শাসকেরা তাদের প্রশাসন কলকাতার বাইরে বেশি দূরে মনোযোগ দিতে পারছে না বলে একে ভেঙ্গে দুইটা প্রদেশের সিদ্ধান্ত নেয়। তাই পুর্ববঙ্গকে আলাদা প্রদেশ আর ওর সাথে আসামকে জুড়ে দিয়ে আগের বাংলাকে ভাগ করে “পুর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ” নামে নতুন এক প্রদেশ গঠন করে। আর ঢাকা হয় এর নতুন রাজধানী। মানে ঢাকা হয়ে যায় কলিকাতার প্রতিদ্বন্দ্বী। সেই সাথে, এতদিনের সব মাখন একলা খাইতে থাকা রাজধানী কলকাতা... তার চক্ষুশূল হয়া উঠলো ঢাকা। আর মনে রাখতে হবে এই মাখন মানে হল জমিদারি কৃষির উদ্বৃত্ব বা সারপ্লাস। পুরা দুই-বাংলার পুরা উদ্বৃত্ব টাই আগে সঞ্চিত হইতো কলকাতায়। এইটাই কলিকাতাকে কলিকাতা বানায়া রাখছিল। আর এখন নতুন প্রদেশ হওয়াতে সোজা পঞ্চাশভাগ এখন ঢাকা নিয়ে যাবে। এইটা জমিদার-হিন্দু স্বার্থ এর বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ আঘাত। অতএব এইটাই তাদের মরণপণ বঙ্গভঙ্গ রদের আন্দোলন। মানে “পুর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ” নামে আগের বাংলাকে ভাগ করে নতুন প্রদেশ হতে না দেওয়ার আন্দোলন।

তাই এককথায়, বঙ্গভঙ্গ রদের আন্দোলন সরাসরি পুর্ববঙ্গের মানুষদের স্বার্থবিরোধি আন্দোলন আর তা জমিদার-হিন্দু স্বার্থের আন্দোলন।

বৃটিশদের বিরুদ্ধে হিন্দু স্বার্থের জমিদার হিন্দু স্বার্থ ও শ্রেনী আন্দোলন শুরু করছিল বঙ্গভঙ্গ রদ/বাতিল করার দাবিতে তা সশস্ত্র গ্রুপে। এই সময় বৃটিশদের বিরুদ্ধে অনুশীলন, যুগান্তর ধরনের সশস্ত্র দলগুলির তৎপরতা বাড়তে শুরু করছিল, যারা কালি ভক্ত হিসাবে দেবী মাকালীর পুজা কইরা, সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাপায়ে পড়ার পর্যায়ে চইলা গেছিল।

সশস্ত্র গ্রুপগুলো যে সশস্ত্র আন্দোলনে ঝাপায়া পড়ছিল... এইটাকেই তারা কলকাতার জমিদারদের স্বার্থে লেখা ইতিহাসে “স্বদেশী আন্দোলন” হিসাবে এক গালভরা নাম দিয়েছিল । আর এই সময়টাকেই একটা ফাঁপা বিপ্লবীপনায় “অগ্নিযুগ” নামে ডাকা শুরু করছিল।
কিন্তু আমাদের খেয়াল করতে হবে, বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন মানেই সেইটা এন্টিকলোনি ম্যুভমেন্ট নয়। আমাদের পূর্ববঙ্গের স্বার্থের প্রশ্নে বিচার করলে, অনুশীলন, যুগান্তর ধরনের সশস্ত্র গ্রুপগুলোর জন্মই হয়েছিল কায়েমি জমিদার-হিন্দু স্বার্থে। মুসলমান প্রজা বাঙালির উপর যারা ছিল খড়্গহস্ত। অবশ্যই তাঁদের স্বার্থের পক্ষে ছিল না। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ এর ইতিহাসের দিকে তাকান। রবীন্দ্রনাথ সহ বিশিষ্ট হিন্দুদের নেতৃত্বে যে বঙ্গভঙ্গ রদের আন্দোলন হইছিল, এই আন্দোলন ছিল আমাদের পূর্ববঙ্গের মানুষের স্বার্থ বিরোধী। জমিদার বাঙালির স্বার্থে ঘা মারছিল এই বঙ্গভঙ্গ। কারন নতুন প্রশাসনিক ব্যবস্থার কারনে, কলিকাতার প্যারালাল ঢাকা একটা নতুন রাজধানী হয়া উঠতেছিল। ফলে পুর্ববঙ্গ থিকা কলিকাতা শহরে কৃষির উদ্বৃত্ত সাপ্লাই লাইন অনিশ্চিত হয়া পড়তেছিল। আর এই ঘটনার পটভূমিতে কথিত ফাকা আলাপের “স্বদেশী আন্দোলনের” সুত্রপাত।

তাইলে হিসাব করেন, যে বঙ্গভঙ্গ বৃটিশেরা চালু করছিল, পিছায়া থাকা পুর্ববঙ্গ আসামের মুসলমানের স্বার্থের পক্ষে... যেখানে রাজধানী হিসাবে ঢাকা শহর গুরুত্বপুর্ন হওয়ার সুযোগ তৈয়ার হইতেছিল... এখন আপ্নি কার পক্ষে যাইবেন? যে জমিদার বাবুরা এই বঙ্গভঙ্গ বাতিল করলেন, তাঁদের পক্ষে? যে অনুশীলন, যুগান্তর ধরনের সশস্ত্র গ্রুপগুলো ছিল জমিদার শ্রেনীর স্বার্থের, আপ্নে কি তাঁদের হিরো বানায়া বন্দনা করবেন...? আপনার চাষাভুষা পুর্বপুরুষদের লগে গাদ্দারি করতেছেন তো আপ্নে।

প্রথম কথা হল প্রীতিলতা, ক্ষুদিরাম কিংবা সূর্যসেনেরা তো ছিল সরাসরি জমিদার-হিন্দু স্বার্থের লোক ও তাদের আন্দোলন, কলকাতার শাসকদের আন্দোলন। এটা তো জমিদারদের সশস্ত্রতা। একে হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে সকল প্রজা ক্যান আপন মনে করবে? বিশেষ করে পুর্ববঙ্গের মুসলমান প্রজা যারা আজকের বাংলাদেশের মানুষ, তাঁদের লড়াকু পুর্বপুরুষ... হাজি শরীয়তুল্লাহ বা তিতুমীরেরা উত্তরসুরি হিসাবে আমরা ক্যান প্রীতিলতা, ক্ষুদিরাম কিংবা সূর্যসেনদের আমাদের হিরো হিসাবে মনে করব? যেখানে এরা সরাসরি জমিদার স্বার্থের লোক, জমিদার তাদের অর্থদাতা? এবং যেখানে সেটা ছিল জমিদারদের আন্দোলন?

মূলকথাটা হইলো... যে জমিদার ব্যবস্থায় আপনার পুর্বপুরুষদের বঞ্চিত কইরা রাখা হইতো... এই সশস্ত্রগ্রুপের লোকজন সেই জমিদারদের ভাড়াটে সন্ত্রাসী। তারা তো আপ্নের পুর্বপুরুষদের স্বার্থের বিরুদ্ধের লোক। এই জমিদার শ্রেনী তো কখনও আপনার পুর্বপুরুষদের বাঙ্গালি বইলাই স্বীকার করে নাই, মান্যতা দ্যায় নাই। জমিদার শ্রেনীর ঔরসে আজকের বাংলা ভাষা শিল্প সংস্কৃতি গইড়া উঠছে... সেইটা খুব ভালো কথা-- কিন্তু জমিদার হিন্দু তো আপ্নারে এক্সক্লুডেড কইরা হিসাবের বাইরে রাইখাই একই বাংলা ভাষা শিল্প সংস্কৃতির পত্তন ঘটাইছিল। যে প্রীতিলতা, আর সুর্যসেনরে আপ্নে হিরো বানাইতে চান... তাঁদের অনুশীলন, যুগান্তর ধরনের সশস্ত্র গ্রুপগুলো তো কখনো আপনাকে গনাতেই ধরে নাই। শুধু তাই না এরা তো আপনারই স্বার্থবিরোধী,সাধারণভাবে ঢাকাকে রাজধানী করার বিরোধী এক আন্দোলন ছিল।

অথচ চান্স পাইলেই, প্রীতিলতা, ক্ষুদিরাম কিংবা সূর্যসেনদের নিয়া আপ্নের তথাকথিত প্রগতির কাঁচা আবেগ টগবগায়া ফুটতে থাকে...!
এতটা বেহায়া আপ্নে ক্যামনে হইতে পারেন রে ভাই। আপ্নেরা তো কেউ মুর্খ না... ইতিহাস পইড়া বুঝার মতো জ্ঞান বুদ্ধি তো আপনার আছে। আপনারা অনেকে মুসলমান নাম নিয়া কিংবা কমিউনিস্ট নাম নিয়া জমিদারের দালালি ক্যামনে করেন...? শত বছরের বেশি সময় ধইরা এই দালালিটা চালাইতেছেন – লজ্জা লাগে না?

ফলে এই কথিত প্রীতিলতা নামের সিনেমার বিরুদ্ধে আপনার অবস্থান জারি রাখেন। এই সিনেমা যেন অর্থনৈতিক ভাবে সফল প্রজেক্ট না হইতে পারে, সেই লক্ষ্যে আমাদের বক্তব্য তুলে ধরতে হবে, আমাদের লড়তে হবে, এই জমিদার হিন্দুদের প্রজেক্টের বিরুদ্ধে।
প্রীতিলতা, ক্ষুদিরাম কিংবা সূর্যসেনদের আসল পরিচয় জানার চেষ্টা করেন। জমিদারের পাচাটা বিপ্লবীপনা এলায় শেষ করেন...!

#বঙ্গভঙ্গ #প্রগতীশীলতা

@Munshi Biswajit ভাই এর তিন কিস্তি একলগে।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:২৯
৪টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পুলিশও মানুষ, তাদেরকে সাহায্যের জন্য আমাদেরও এগিয়ে আসা জরুরী

লিখেছেন মাহমুদুল হাসান কায়রো, ২৫ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১:৪৩

রাত বারোটা বেজে ১০ মিনিট। কাকরাইল চৌরাস্তায় একটা “বিআরটিসি এসি বাস” রঙ রুটে ঢুকে টান দিচ্ছিলো। কর্তব্যরত ট্রাফিক অফিসার দৌড় গিয়ে বাসের সামনে দাড়ালেন। বাস থেমে গেল। অফিসার হাতের লেজার... ...বাকিটুকু পড়ুন

অবশেষে দৈত্যের পতন

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২৫ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ২:৩১



ট্রাম্প দেশের ক্ষমতা হস্তান্তরকারী সংস্হাকে কাজ শুরু করার অর্ডার দিয়েছে; আজ সকাল থেকে সংস্হাটি ( জেনারেল সার্ভিস এজনসীর ) কাজ শুরু করেছে, নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের লোকেরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটার তো বাহাদুরি মমিনরা নিল, বাকি ভ্যাকসিন গুলোর বাহাদুরি তাহারা নেয় না কেন?

লিখেছেন এ আর ১৫, ২৫ শে নভেম্বর, ২০২০ সকাল ৮:৫২



বাহাদুরির বিষয় হলে যারা ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বাড়াবাড়ি শুরু করেন, তারা জবাব দিবেন কি?
কার্দিয়ানিরা মুসলমান নহে কিন্তু যেহেতু বাহাদুরির বিষয় তাই ডঃ সালাম হয়ে গেলেন মুসলমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

নভোনীল পর্ব-১৪ (রিম সাবরিনা জাহান সরকারের অসম্পূর্ণ গল্পের ধারাবাহিকতায়)

লিখেছেন ফয়সাল রকি, ২৫ শে নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৫১



- ময়ী, ময়ী! আর কত ঘুমাবি? এবার ওঠ।
দিদার ডাকতে ডাকতে মৃনের রুমে ঢুকলো। মৃন তখনো বিছানা ছাড়েনি। সারারাত ঘুমাতে পারেনি। ঘুমাবে কী করে? রাজ্যের দুঃশ্চিন্তা ভর করেছিল ওর... ...বাকিটুকু পড়ুন

পৌষের চাদর – মাঘের ওভারকোট

লিখেছেন শাহ আজিজ, ২৫ শে নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৬




চাদর ম্যানেজ করতে পারতাম না বলে কায়দা করে প্যাচ দিয়ে একটা গিটঠু মেরে দিলে আমি দৌড়ানোর উপযুক্ত হতাম । লম্বা বারান্দা দিয়ে ছুটতাম । অবাক চোখে পৌষের কুয়াশা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×