-------------------------------------------------------
টিপ টিপ জল পড়ছিল কল হতে, বলে
বালতিটাকে ধৈর্য্যরে চরমে দিয়ে ঠেলে
ভাবলাম যাই উঠি গিয়ে ছাদে।
চতুর্পাশ্বে চোখ মেলে মেলে খুঁজে নিলাম একপাশে কুঞ্জ বন;
ওমা, কি ফর্সা উরসিজ অবগুণ্ঠন ছেড়ে
নিয়ে নিল কেড়ে আমার চোখ দুটোরেই।
তারও লাবন্য ভরা দুচোখ ও কুঞ্জ মাঝে দেখালো না বারণ ইশারা
বরং কি যেন কাটছিলই কাচি দিয়ে ফর্সা হাতে আর হাসছিল মিটিমিটি।
উর্ধ্ব জীমূতে উড্ডয়নের সর্বকলা যেন বিছানো হলো চারপাশে
পক্ক ছাদের মেঝের উপর ছড়ানো ইট কণা
ঠোকর দিলেও বোঝা যায় কি আর তখন!
উরসিজের উর্ধ্ব দরজা দিয়ে তার হু হু করে ঢুকছিল পবন
আর দুয়ার মাঝে আলো ঢুকছিল ঢুকছিল , ঢুকছিলনা;
তবে নড়ছিল ভীষন দুয়ার
চোখ তাই ছাদ থেকে দিচ্ছিল ঝাপ বারবার
সে কিন্তু হাসছিলই, সময় পেরিয়ে যাচ্ছিলই।
হাসি মিটিমিটি ছেড়ে ধবল দাঁত মেলে মন্দ্রসুরে হঠাৎ কাঁপাল বাতাস
গায়ের চাদরও তার কাঁধ খসে করল গাত্র ত্যাগ,
আর কি তখন কেবলই চোখ, ঝাঁপ দিল মনও।
কিন্তু কে জানত উরসিজের দুয়ার মাঝে গাত্র রঙা
আরও হালিখানেক দুয়ার থাকতেই পারে।
ওদিকে জল পতনের শব্দ মিশছিল উচ্ছল হাসির শব্দে সাথে তার;
দ্রুত নিচে নামতেই গোড়ালী জলে পা দুখানা ডুবল
চোখের দৃশ্য গেলো পাল্টে,
কে জানত টিপ টিপ জল পড়া কলে প্রপ্রাতের ধারা বইবে আর ভুলে
কল পুরো খুলে রেখে আসবে মন এবং
জলে জলে ভাসবে ঘরের চারকূল...
তাইতো মিছে প্রহসন - উড়সিজ এর গ্রাত্র রঙা বদ্ধ বদ্ধ দুয়ার
আর ধোঁকা দেয়া কল ঝরা জলের জোয়ার।
১৫/১/২০০৭
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৫:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






