এখন কেউ আবার বলেন না অজগর চেনেন না। না চিনলে চিনাইতে পারুম না। অজগরের কাছে যাওয়ার ক্ষেমতা আমার নাই। দূর থেকেই দেখার মতো দুঃসাহস আছে। চিড়িয়াখানায় শত পাহাড়ার লৌহ খাঁচায় অলস অনঢ় পইড়া থাকে বাবজী অজগর।
কত লম্বা তাহার শীতল রক্তের প্রবাহশালা বোঝা যায়না , প্যাচ মাইরা থাকে সদাই। তবে উহারে নকল করিয়া সিনেমা হয়। একটা হিন্দি ছবি আছে অনিল কাপুর সাহেবের , কিে যন নাম. মনে আইছে , নায়ক, ঐ খানে নায়ক কে এক গানে স্পেশাল এফেক্টে অজগর বানানো হইছিল , দুষ্টু চরিত্রগো গিলা খাইতে। তাই অজগর অলস গতর হলেও তাহাকে উত্তম কর্মে উদাহরণ হিসেব ব্যবহার করা যায়। আর হলিউড তো স্বয়ং অজগর রে নিয়ে কত ছবিই করিয়াছে। কখন্ও তাহার আরও উন্নত সংস্করন অ্যানাকোনডা কেও দেখানো হইয়াছে । তবে আরও ভয়ংকর রূপে। তবে আমাদের দেশে অত ভয়ংকর রূপ পরিলক্ষিত হয়না অজগরের কারন অ্যানাকোনডা টাইপ একানে বিদ্যমান বলিয়া এখনও কেউ আবিষ্কার করে নাই।
মূল কথা আসি----- বিষদাঁত- সাপ নামক প্রাণীটি । ভুল বললাম প্রাণী টি নয়। সরীনৃপ হবে। ইহারা বুকে হাঁটে ,,, হাতে পায়ে নয়, বুকে বুকে বিশ্ব কে করিবে বোধহয় জয়।
তো ..সাপ নামক সরিসৃপটি মূলতঃ এই বিষদাঁতের জন্যেই এত সমাদৃত , কুক্ষাত , ভীতী জাগ্রত জীব। মৃত্যুকে দাঁতের মধ্যে আত্মস্ত করে ইহারা ভীতীর রাজ্য কায়েম করে বাঁচে। সবাই না ইহাদের কতেক শ্রেণী। যার যত বিষ দন্তে দন্তে তার তত পরিচিতি। যেমন , মরুভূমির যাযাবর ঘরানার রেটল সাপ। আর আমাগো দেশের সুজলা শ্যামলা , কুট মননা পদ্ম গোফরা ।
কিন্তু অজগরের বিষ দন্ত নাই। কেন ইহা তবে সর্ব বেশী পরিচিত সর্প আমাদের শান্তির দেশে। হইতে ইহা দেখতে বেশ রাজকীয়। হইতে পারে ইহা বিষদাঁত ছাড়াই বিষাক্ত সর্পের চেয়ে বেশী ভীতী জাগতে পারে। অথবা হইতে পারে ইহার গোপন সেই বৈশিষ্ঠ্য ইহা চুপিচাপে আস্ত হরিন ও গিলিয়া ফেলিতে পারে।
এই রূপ গলধকরন লোভী পেটুককে ভয় পাইতেই হয়।
তাই আমরা সজ্ঞানে বোধহয় অজগর কে (? ) মেনে নিয়ে চলি আর ভয় পাই।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






