somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সেদিন ছিল শেষ দিন এ বছর আমার

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সেদিন ছিল শেষ দিন এবছর বই মেলার, না সবার জন্যে না আমার জন্যে। সকালে ঢাকার জলপাই রঙার দেীড়াত্বময় পথে পা দিয়েছিলাম। শুক্রবার ছুটির দিন। বিকেলে জানতাম লম্বা , অতি দীর্ঘ লাইন থাকবেই। দুপুরে নামাজ আর খাওয়ার পর পরই বার হব হব। কিন্তু সেই যখন পেঁৗছালাম কিছু পথ বাসে কিছু পথ হেঁটে দোয়েল চত্বরে তখন প্রায় পৌনে চারটা বেজেই গেলো। সময়ের হদিস না হয় জানলাম মোবাইল দেখে কিন্তু একি, ওমা! লাইনের লেজের শেষ অংশটির হদিস মেলেনা। হাঁটছি তো হাঁটছি। ঢাকা ভার্সিটির সুইমিং পুল পেরিয়ে গেলাম। ডান পাশে বিজ্ঞান লাইব্রেরী, কম্পিউটার সাইনস বিভাগ, আইএসআরটি সব পেরিয়ে আরও যাচ্ছি সোজা। লাইন এর মুখ অদেখা। মেডেকেলের মোড়ে এসে দেখি তাও লাইন চলেছে ট্রেনের মতো এনএক্স বিলিডং পেরিয়েও।
অবশেষে পেলাম শুরু গণিত বিভাগের সামনের ফুটপাতে...ওপাশে শহীদ মিনারে রক্তিম বৃত্ত দেশেপ্রমের কথা বলছে। সভ্যতার নির্দশন দেখালাম দাড়িয়ে গেলাম যোজন যোজন দূরে লাইনের পেছনে। ...
তারপর ছবি .........
1-এন এক্স বিলিডং এর সামনে কচ্ছপ গতির লাইনে আমার সামনের একটু হলেও অগ্রগামীর ভীড়...( ছবিতে সময় দেখুন 3:42)

2--সময় কাটাতে তুললাম ছবি রাস্তার ওপাশের শহীদ মিনার , সামনে কত মানুষের ঢল সেখানেও।

3---সূর্য তখন নেমে যাচ্চিল গাছের ডাল বেয়ে ..কিছু রোদ এর ছিটে ফোঁটা ছুটে আসছিল গায়...

4---- ঐ দূরে লাইন চলে গেছে মেলার গেটে। দোয়েল চত্বরের এই কোনায় আসতে সময় লাগল 33 মিনিট । খুব বেশী কি?
ঐ লোকটা গলায় সাহায্যের আবেদন কারও জন্যে। আরও সামনে পিছে এমন কত কত সাহায্য সহোযোগী পুরো এলাকায়...( সব কি যথার্থ, কেই কি ফেক হতে পারেনা?হয়তা পারেও)

5-----মাশাকে ফোন দিয়েছিলাম । নেটে ছিল। উঠে এল নীল ক্ষেত থেকে। গেটে ফোকার আগে একটু দু নম্বরী করে তাকে সাথে নিলাম। বেচারা দীর্ঘ লাইনের কচ্চপ গতির বেদনা থেকে বাচল।...কিন্তু ছবিতে মাশা ঐ মেয়েটার দিকে বড় বড় চোখে কেনো তাকিয়ে?
কারন আছে---সামনে দেখুন 'অপর বাস্তব '...সাজানো স্টলে, ...আমি কিনলাম। ঐ মেয়েটাও। আমি না হয় কিনলাম কষ্ট হলেও কেবল সামহয়্যার ইন এর প্রেমে , মেয়েটা ...! তবে কি সে কোন ছুপা রুস্তম ব্লগার। হতেও পারে! মাশা তাই তাকাতেও পারে অবাক চোখে!

6------সন্ধ্য ঘনিয়ে আসছিল মেলার প্রাঙ্গনে। ...

মাশা ছাড়া আর কোন ব্লগারের টুটিও স্পর্শ করপা গেলনা। এত ভীড়ে কে কোথায় লুকানো কে জানে। কৌশিক দা তো বাসায় নাক ডাকছেন। ঘুমের ঘোরে চিনতেই যেনো পারছিলেন না। ...
অনেক ক্ষণ খুঁজে শেষে পেলাম শিরিণ প্রকাশনী। খুঁজে তো পেতেই হবে। ওখানে যে শেখ জলিল ভাই এর বই। গল্প বইটার প্রচ্ছদ সুন্দর, যদিও ...
মানুষের কেবল উলটাচ্ছে তো উলটাচেই বই ....কত বড় বড় বোদ্ধা যেন সব। কিন্তু কিনছেনা ....আসলে উলেটই বুঝছে সব ভূয়া আরকি!!!!!!!
আমার বই এর প্রকাশনী আজাকালে ম্যানেজার ছেলেটা বিট্রে করল বলে মন কিঞ্চিৎ বিরক্ত হচ্ছিল। ছোট লেখক দের ওসব সহ্য করেই নিতে হয়। কিন্তু তারপরও ..কাউকে এখনও বই দিতে পারলাম না যাদের দিতে চেয়েছি। কাল 100 কপি করে দেয়ার কথা ছিল আমাকে। ছাপানো হয়েছে..বপধাই হয়নি ..নানা কারন শুনলাম , শুনাল।
আর না এই অকারন ভীড়ে ....কিছুক্ষনের মধ্যে মাশা আর আমি দুজন নিজেকে আবিষ্কার করলাম আনবিক কমিশনের চিপায় দাঁড়িয়ে গিলছি ..একের পর এক নানান টাইপরে আচার। ...আজ পথে পথে খাব ইচ্ছে মতো সব...
খেয়েছিলাম ...তাই আচার , কটকটি, ভূট্টা , ছোলা , চা , সিগারেট( মাশা না ) আর সিসাময় বিষাক্ত শাহবাগের মেীনতা। .........
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:০১
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জুলাই মিউজিয়ামঃ আলোর নিচে অন্ধকার!

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:১৩

জুলাই মিউজিয়ামঃ আলোর নিচে অন্ধকার!

জুলাই মিউজিয়ামে ঢুকলে প্রথমেই যে অনুভূতিটি হৃদয়কে স্পর্শ করে, তা হলো- এটা শুধু একটি জাদুঘর নয়; এটা একটি জাতির রক্তাক্ত স্মৃতির সাক্ষ্য।
পরিকল্পনা থেকে নির্মাণ- প্রতিটি পরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি ভারতকে যা দিয়েছি ভারত চিরকাল তা মনে রাখবে----- ড্রাকুলা হাসিনা।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৫৭



ড্রাকুলার হাসিনা তো আর এমনি এমনি বলেনি যে, আমি ভারতকে যা দিয়েছি ভারত চিরকাল তা মনে রাখবে।

রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। যা মূলত ভারতকে একতরফা সুবিধা দেওয়ার জন্য তৈরি... ...বাকিটুকু পড়ুন

তুমি অমর দিশারী

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:১২


তুমি সূর্য কিনারায় উঁকি দিয়েছ বলে-
মা.. তুমি সূর্য আলো!
তোমার জন্মদিনে চাঁদ পৃথিবী হাসছে
আমরা যে গর্বিত গর্বিত-
মা.. তুমি সূর্য আলো;

তোমার অনুশাসন
আমাদের প্রেরণার উড়ন্ত পায়রা
শান্তির জ্বলন্ত মশাল
তোমার জন্ম সাতশত মহীয়ান-
আমরা শুধু গর্বিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

অবিশ্বাস্য, অবিস্মরণীয়! বাংলাদেশের দুর্দান্ত জয় অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে!!! :-ls B-)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৪৯



অবিশ্বাস্য, দুর্দান্ত, অতুলনীয়,অবিস্মরণীয় যে বিশেষণই ব্যবহার করি না কেন বাংলাদেশের এই জয়ের মহত্ব বুঝাতে কোন শব্দ ভান্ডারই যেন যথেষ্ট নয়। আমি রীতিমত বাকরুদ্ধ হয়ে গেছি বাংলাদেশের এমন পারফর্মেন্স দেখে!! বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জেগে উঠেছে জামাত-শিবিরের রগ কাটা বাহিনী

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:০৫



গণ অধিকার পরিষদের এক কর্মীর পায়ের রগ কেটে দিয়েছে জামায়াত-শিবির।

কুষ্টিয়ায় গণ অধিকার পরিষদের নেতারা অভিযোগ করেছেন, তাঁদের এক কর্মীর পায়ের রগ কেটে দিয়েছেন জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×