অনেক রকম তর্ক বিতর্ক চলেছিল এবং চলছিল ঐ রকম সমস্যা নিয়ে , সমস্যা ছিল ভোট বিষয়ক।
নীতির বাক্য কপচানো খুবই সহজ বলেই উচ্চারিত হতো , ভোট দেয়া নাগরিক অধিকার। কিন্তু , কিন্তু ভোট দেবে কাকে যদি পছন্দের কেউ নাই থাকে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে। মন্দের ভালো খুঁজত কেউ তাই। আর কেউ লুকাত ঘরের কোণে মুখ। আদতে তাদো অনেকের ভোটই বাহু বলে শেষে দেয়া হয়ে যেত কারসাজি করে। তর্ক চলত তাই, তর্ক। বিগত রাজনৈতিক পরিবশে কলুষিত যে ছিল , এবং সেটা সন্দেহাতিত। তর্ক চলত, এই আমরাই তোমরাই করতাম।
তাই সংস্কার সাধনের মানস ভূত চেপে যখন বসল ঘাড়ের উপর জাতির, এই তো বছর খানেক আগে থেকেই তখন আবার টক শোর জোয়ার। প্রায়ই শুনতাম টক শো এক্সপার্টদের বল্গাহীন মুখে , ‘না ভোট’ দেয়ার অপশন রাখার বিষয়টি।
অবশেষে সেনাবাহিনী সাপোর্ট পুষ্ট মহা সংস্কার সংকল্প এই তত্ত্বাবধায়ক টাইপ সরকারের নির্বাচন কমিশন সেটা মানে সেই না ভোটের বিষয়টির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছেন প্রায়।
খবর টি পত্রিকার পাতা মারফত জানার পরই আজ আবার উল্টো চিন্তা ঢুকে গেলো। কেমন?
এই যেমন - কেবল না ভোটের অপশন থাকলেই কি সেটার কোন সুফল বা প্রয়োজনীয়তার ফল পাওয়া যাবে? ভাবার মতোই , ধরি,
এক কেন্দ্রে ভোটার আছে ১০১ জন । এ দল , বি দল আর সি দল ভোটের প্রার্থী, তা হলে না সহ ব্যালটে মার্কা থাকবে চারটি।
ধরলাম ঐ কেন্দ্রের ভোটাদের পছন্দ হলোনা খুব একটা কাউকেই তেমন, কারন সংস্কারের ভূত যে মাথায়। সবাই এখন ফেরেশ্তা কল্প স্বপ্ন নিয়ে বিভোর।
তাহলে , আবার ধরি এ দল ভোট পেল ১৫ টি , বি দল ১০ টি আর সি দল ৭টি , আর বাকী ৭৯টির মধ্যে কাষ্ট হলো ৭৫ ভোট যার সবগুলো সিল পড়ল ‘না’ অপশনে। তাহলে জয়ী হলো কে , না দল , এ দল , না বি দল . না সি দল।
না দল জয়ী হলে কি আবা ভোট হবে?
নাকি এ দলকে জয়ী ঘোষনা হবে? তা ই হলে না এর প্রয়োজনীয়তা তখন কি হবে? কেবলই কি নাগরিকের ভোট দানের অধিকার বাস্তবায়ন?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



