তারিখ-২৪.০২.২০১৩
বরাবর
উপাচার্য
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ঢাকা-১২০৭।
বিষয় ঃ অসামাজিক কর্মকান্ডের জন্য বহিষ্কারের জন্য আবেদন।
জনাব,
বিনীত নিবেদন এই যে, আমি মোঃ জাভেদ আজাদ মিশাদ, এম. এস কৃষি সম্পসারন বিভাগ, রেজি নং- ০৬-০১৮৬১ শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এর একজন ছাত্র। সে দীর্ঘদিন ধরে ছাএলীগের নেতা পরিচয় দিয়ে একের পর এক বাংলাদেশ ছাএলীগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ম বহিভূত বিভিন্ন কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। স¤প্রতি শহীদ সোরাওয়াদী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে তার নেতিত্বে এক কমচার্রীকে পিঠিয়ে মারাত্মক আহত করা হয়। এমনকি আগায়গাঁও বাজারে ফটোকপি দোকানদারকেও সে পিঠিয়ে মারাত্মক আহত কর। গত ৪ ডিসেম্বর রোজ রবিবার ছাএলীগের কিছু কর্মীদের মধ্যে সমস্যা সৃষ্টি হয়। যা ফলশ্র“তিতে শেকৃবি ছাএলীগের সাধারন সম্পাদক আলমগীর সারোয়ার মামুন (২৫) সিরাজ-উদ্-দৌলা হলে মিটিং করে মিমাংসা করে দেয়। কিন্তু –সাধারণ সম্পাদকের এই মিমাংসা না মেনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করার জন্য রনি, সজিব,হাফিজ, রাকিন এবং মিলনকে লেলিয়ে দেয়। তারা বাংলাদেশ ছাএলীগ এবং সাধারন সম্পাদককে লক্ষ্য করে বিভিন্ন ধরনে কটত্তিু করে। এই সময় ছাএলীগের কর্মী প্্রদীপ এবং রমিজের সাথে তাদের কথাকাটাকাটি হয় এবং এক পর্যায়ে প্্রদীপ হাফিজকে থাপ্পড় মারে। এতে তার আহত হওয়া কথা নয়। কিন্তু হুমায়ন ছাএলীগের সুনাম ক্ষুন্ন করা জন্য হাফিজকে সোরাওয়াদী হাসপাতালে জরুরি বিভাগে ভর্তি করা। সে সময় কতর্ব্যরত চিকিৎসক জানান তার কিছু হয়নি। কিন্তু হুমায়নে নিদের্শে সে হাসপাতালে জরুরি বিভাগে অযথা শোয়ের থাকে। যা ছিল সম্পৃর্ন লোক দেখানো। শুধু তাই নয়, ২ সেপ্টেম্বর ২০১১ রোজ শুক্রবার ঈদের ছুটিতে,শেরে বাংলা হল ৩৩৩ রাত আনুমানিক ৭ টা থেকে ১২ টা পযর্ন্ত তার নিজ রুম এক পতিতার সাথে অসামাজিক কাজে লিপ্ত ছিল এবং এক পযার্য়ে হুমায়ন পতিতার সাথে টাকা নিয়ে বাকবিতন্ড করে। এমনকি মারধরও করে। যা হলের অবস্থানরত ছাএদের দৃষ্টিগোচর হয়। বিলম্ব হলেও হল প্রভোস্ট এই ঘটনা পরিদশর্ন করেন। কিন্তু দুঃখ ও পরিতাপে বিষয় এই যে, হল প্রভোস্ট আজ পর্যন্ত এই ঘটনার কোন আইনগত ব্যবস্থা নেয়নি। শুধু শাস্তি স্বরপ হল প্রভোস্ট ঈদুল আযাহার সময় শেরে বাংলা হল বন্ধ করে দের। উল্লেখ্য স¤প্রতি কৃষি রসায়ন বিভাগের অধ্যাপিকা এবং বর্তমানে বেগম ফজিলাতুন্নেজা মুজিব হলের প্রভোস্ট মোসাঃ নুরুজাহান বেগম তার হয়রানির শিকার হয়। যা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অবগতি ছিল। কিন্তু কোন রহস্যজনক কারনে আজ পর্যন্ত তার বিচার হয়নি। সে টা আজ শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন। যায় পরিপেক্ষিতে সে একের পর এক অসামাজিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের লেভেল - ৩ এক ছাএীকে জোর পূর্বক প্রেম নিবেদন করে তার সাথে অবৈধ সম্পৃর্ক চালিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বহির্ভূত কর্মকান্ডে জড়িত থাকায় বিগত সময়ে সে হল হতে ছয় মাসের বহিস্কার এবং ছয় মাসের স্টাইপেন্ড কর্দন করা হয়। বর্তমানে হলের সিটের সমস্যা থাকা সত্ত্বে ও সে ৩৩৩ নং রুমে চার জনের সিটে একাকী অবস্থান করছে। ছাএলীগের নামে বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি এবং বাস ভাংচুর সাথে জড়িত আছে। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাএলীগের সুনাম ক্ষুন্ন করছে।
অতএব, উল্লেখিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত ছাএকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কামনা করছি।
নিবেদক-
মোঃ জাভেদ আজাদ মিশাদ,
এম. এস কৃষি সম্পসারন বিভাগ,
রেজি নং- ০৬-০১৮৬১
সদস্য
বাংলাদেশ ছাএলীগ
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



