somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

BaD tImE

০৩ রা মার্চ, ২০১৬ রাত ১১:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

-নিল.....তোর মনে অনেক কষ্ট,তাই না.....?
-নাহ.....কষ্ট থাকবে কেন....!!!
-আর কেউ না বুঝলেও আমি বুঝি....
-হাহা....!!!তোর সাথে পরিচয় হইল মাত্র ২ বছর।এর মধ্যেই সব বুঝছ...."!!?
-হু...কাউকে চিনার জন্য অনন্তকাল সময় লাগে না....
মেয়েটা কেমন যেন বিহেভ করে আজকাল....আমার কখন মন খারাপ থাকে,কখন ভালো থাকে কিভাবে যেন বুঝে ফেলে....
-তুই কি দর্শন চর্চা শুরু করেছিস নাকি....!!!!
-.........
-কিরে......!!!!
-তোর সমস্যা কি জানস.....!!!তুই নিজের অনুভুতি গুলো কারো সাথে শেয়ার করস না।এভাবে বাচা যায় না নিল।বাইরে সবাইকে দেখাচ্ছিস তুই খুব ভাল কন্ডিশনে আছিস,কিন্তু ভিতরে ভীষন কষ্ট নিয়ে চলছিস...এইটা কি ঠিক....!!?(চোখে পানি)
-আরে....আরে.....কাদছিস কেনো....!!!?তোর কি শরির খারাপ.....!!!?আবোল তাবোল কি বলস.....!!!?
-এই গুলা আবোল তাবোল....?
আমি নিচের দিকে তাকালাম।আসলেই.....ওর কোনো কথা ফেলে দেওয়ার মত না।কিন্তু অদ্ভুদ...মেয়েটা এত কিছু বুঝলো কিভাবে.......!!!!!
আমি নিল......বাবা মার একমাত্র সন্তান।অনেকে বলে যারা বাবা মার একমাত্র সন্তান তারা নাকি অনেক আদরের হয়।কিন্তু বিষয়টা আমার জন্য উল্টো হইছে।
যাই হোক... অনেক অভাবের মধ্যে বড় হয়েছি।অবহেলায় বড় হয়েছি।সবার দুব্যবহার পেয়ে বড় হয়েছি।
মেয়েটার নাম লামিয়া।ওর সাথে পরিচয় হয় ইন্টারে।তারপর থেকেই খুব ভালো ফ্রেন্ড হয়ে যাই।ফ্রেন্ডশিপের অফারটা ওই আগে করেছিল।
ভাসিটিতে একসাথে এডমিট করি।আমার সারাদিন টিউশনি থাকত।তাই কারো সাথে তেমন কথাও বলা হত না।
আমার আবার একটা দোষ আছে....আমার এই জীবনে কে আমার সাথে কেমন ব্যবহার করেছে তা সারাদিন মনের ভেতরে রেডিওর মত বাজতে থাকে।যার কারনে বেশির ভাগ সময়ে আমার মন খারাপ থাকে।কিন্তু আমি কাউকে বুঝতে দেই না।কারন বিষয়টা আমার কাছে অনেকটা প্যারার মত লাগে।
লামিয়া আমাকে পচ্ছন্দ করে,কিন্তু ও বলতে চাচ্ছে না।ও চায় আমিই ওকে ভালবাসার কথা বলি।কিন্তু কথা আরো একটা রয়ে গেছে।আমার সুখ মনে হয় আল্লাহ পচ্ছন্দ করেন না।যার সাথেই একটু ভাল রিলেশন হয়,তার সাথেই কোনো না কোনো এক কারনে ঝগড়া হয়।
তাই লামিয়ার থেকে দুরে থাকতে চাচ্ছি।মেয়েটার এমনেই মা নেই।বাবার খুব আদরের মেয়ে।আমি চাই না কোনো কষ্ট দিতে।
কিন্তু নাছোরবান্দা মেয়েটা আমার সাথেই ঘুরবে,কথা বলবে,জোর খাটাবে।তাই আমিও তেমন কিছু বলি না।এমন একজন ফ্রেন্ড বা.......যাই হোক লাইফে পাওয়া যায় না।
-নিল.....
ওর কথায় ঘোর কাটল।মেয়েটা সিরিয়াস ভাবে ক্রাশ খাইছে
-ওকে মেরে বাপ...আমি বুঝতে পারছি তুই কোনো আবোল তাবোল বলস নাই....ওকে.....হ্যাপি....?
-হ্যাপি মানে.....!!!!তাহলে তুই শেয়ার করস না কেন.....!!!?
-করি তো.....
-করস....?
-হুম.......
-তাহলে বল তোর আজকে মন খারাপ না....?
-নাহ....
-আবার......?
-আচ্ছা,তুই বলতাছোত যে আমার মন খারাপ...তাহলে বল রিজন টা কি......?
কিছুটা অপরাধী ভাব নিয়ে বল্ল
-কালকে আমাকে দেখেছিস রিক্সায় একটি ছেলের সাথে।তুই ভেবেছিস আমি তোকে দেখিনি।তুই কি গাধা.....!!!!আমাকে দেখলি....একটা ডাকও তো দিতে পারতি....নাকি.....!!!?
আমি চমকে গেলাম।মেয়েটা এত সিউর হল কিভাবে.....
-না এমনেই ডাক দেই নি।
-হইছে....আর সাফাই গাইতে হবে না।চল ক্লাশে....
লামিয়ার সাথে যতক্ষন থাকি ততক্ষন মনটা অসম্ভব ভালো লাগে।ভালো সময়গুলো কিভাবে যেন তারাতারি চলে যায়।তারপর সারাদিন যন্ত্রনায়
সন্ধার পর একটা টিউশনি করাতাম।বিকেলে ফোন করে জানিয়ে দিল পড়াতে আসতে হবে না।কারন জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম তার মেয়ে নাকি আমার প্রেমে পড়েছে।তাই জেনেশুনে তিনি চুপ করে থাকতে পারেন না।
সব কিছুই আমার সাথে ঘটে।এই টিউশনি তা আমার জন্য খুব ইম্পোটেন্ট ছিল।কিন্তু এই মেয়ে আমার প্রেমে পড়লো কবে.....!!
মন ভার করে বসে আছি পার্কে।যদিও মন সবসময়ই খারাপ থাকে।কানে সবসময় মার কথা বাজে,"তুই একটা অপদার্থ।তোকে জন্ম দিয়ে আমি ভুল করেছি।"উফ!!!!!আর চিন্তা করতে পারি না
ঘাড়ে কারো হাত রাখা অনুভব করলাম।তাকিয়ে দেখি লামিয়া।আমার চোখ মুখ ততক্ষনে ভীষন লাল হয়ে গিয়েছিল
-কিরে নিল...কি হইছে.....?
-কিছুনা।তুই এখানে.....
-কথা ঘুরাবি না।প্রশ্নের উত্তর দে.....
-কিছুই হয় নাই।তুই শুধু শুধু দুশ্চিন্তা করছিস....
-থাপ্পর মারব কানের নিচে...(রাগে ফেটে পড়লো)
-আমার টিউশনিটা চলে গেছে...
-ও..(রাগ টা কমলো মনে হয়)।তা কি জন্য গেছে...?
-তার মেয়ে নাকি আমার প্রেমে পড়েছে।এই জন্য
লামিয়ার রাগি চেহারাটা মুহুতেই উঠাও হয়ে হাসির আভাস ফুটে উঠল।
-সবাই কি তোর প্রেমে পড়ে নাকি....(হাসতে হাসতে)
আমি করুন মুখে ওর দিকে তাকালাম।হাসিতে লামিয়াকে ভীষন সুন্দর লাগে
-তো...তুই কি মেয়েটাকে পচ্ছন্দ করিস....?
-আরে কি বলোছ.....বাচ্চা একটা মেয়ে...ইন্টারে পড়ে...
-বাচ্চা মেয়ে মানে কি...!!!!!!ফিটার খায়....!!?
-ধ্যাত.....বাদ দে...আর তাছাড়া এসব আমাকে দিয়ে হবেও না।
ওর হাসির মুখে আবার সেই মেঘ আসার সংকেত
-হু দেখা যাবে।এখন চল....ফুসকা খাব...
-আমার ভাল লাগছে না।তুই খা
-তুই খা মানে....চল
বলেই টানতে টানতে নিয়ে গেল।বিভিন্ন ধরনের মজার কথা বলে আমার মন ভাল করার চেষ্টা করল।আমি একপর্যায় ওকে বল্লাম
-আমি ঠিক আছি রে....তোর চেষ্টা না করলেও চলবে
মেয়েটা ভীষন লজ্জা পেল।ওর মত ফ্রেন্ড আছে বলেই হয়তো এখনো টিকে আছি,নাহলে এতদিনে পাবনায় থাকতাম
রাতে বাসায় আসলাম।ঘরে ঢোকার সাথে সাথেই মার ডাক
-নিল......
-হুম....
-টাকা পেয়েছিস....?
-হুম....
আমি টাকাটা মার হাতে তুলে দিলাম।
-আমার টিউশনি টা চলে গেছে....
মার দিকে তাকিয়ে মনে হল তাকে আমি ৩য় বিশ্বযুদ্ধের সংকেত দিয়েছি....আমি অবাক হয়ে গেলাম
-কিভাবে গেল....
-একটা ঝামেলা হওয়ার কারনে....
মা আর কিছু না বলে রুমে চলে গেলেন।তারপরই বাবার সাথে কথা বলার শব্দ শুনলাম,"এবার সামলাও।যাও একটা কাজ করত তাও আজ চলে গেছে।এবার দেখব তোমার ভুমিকা কি!!!!তুমি যেমন তোমার ছেলে ও তেমন.........
উফ!!!!!অসহ্য লাগছে.....টিকতে না পেরে বাসা থেকে বের হয়ে চলে এলাম।
রাত ১ টা।সারাদিন কিছু খাওয়া হয় নাই।পেটে ভীষন ক্ষুধা।একটু পর পরই চোখ গুলো কেমন ভিজে যাচ্ছে।ভাবলাম হয়তো চোখে পোকা পরছে,হয়তো মনের কষ্ট গুলি চোখ দিয়ে পানি আকারে বের হচ্ছে।এসব ভাবতে ভাবতেই দেখলাম মোবাইল ভাইব্রেট করছে।ঝাপসা ঝাপসা চোখে দেখলাম...লামিয়া ইজ কলিং........
-কিরে কি করিস.....
-এইতো শুয়ে আছি....তুই এত রাতে ফোন দিলি...ঘুমাস নি....?
-না ঘুম আসছিল না।তোর কথা মনে পড়লো তাই ফোন দিলাম।বাই দা ওয়ে,তুই কি বাসার বাইরে নাকি.....?
-না তো...(আতংকিতে হয়ে)
-না মানে গাড়ির শব্দ শুনলাম।আর তোর কন্ঠ ও কেমন যেন লাগছে...কোনো সমস্যা হইছে.....?
যাহ!!!!এই মেয়েটা কে নিয়ে তো বিপদে পড়লাম।বুঝে ফেলবে নাকি...
-আরে কিছু না।শুয়ে আছি তো..তাই হয়তো এমন লাগছে।
-নিল...তোর এখনো মন খারাপ....
কথাটা শুনেই চোখ দিয়ে আরো দুফোটা পানি বের হয়ে গেল।এই জগতে মনে হয় একজন হলেও কেউ আছে আমাকে বুঝার জন্য
-কিছু হয় নাই।তুই ঘুমা তো।রাত অনেক হইছে।
-হুম।মন ভাল রাখ।না পারলে শেয়ার কর।তাতেও ৫০% কষ্ট কমে যায়।রাখি.....
ওর কথা শুনে হয়তো ৪০% কষ্ট কমে গেছে।দীঘশ্বাস ফেলে বাসার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলাম।
সকাল সকাল মা ডাকাডাকি শুরু করল।
-তোর সাথে এক মেয়ে দেখা করতে আসছে
আমি লাফ দিয়ে উঠলাম
-কে এসেছে....?
-তুই গিয়ে দেখ.....
কোনোমতে ফ্রেশ হয়ে অন্য রুম এ গেলাম।দেখি লামিয়া বসে আছে
-তুই.....?
-হু....কাজ আছে....এই জন্য তোর বাসায় আসলাম।
-কি কাজ....?
-আগে ভাল কাপড় পড়ে আয়....
-কেনো এইটা কি খারাপ....?
-২ লাইন বেশি বুঝোস কেন....!!!তারাতারি কর
ওর কথার আগামাথা কিছুই বুঝলাম না।তারাতারি রেডী হলাম।তারপর রিক্সা নিয়ে ডাইরেক্ট মিরপুর
-তুই কি ডেট করতে আসছিস এই জায়গায়...?
লামিয়া চরম বিরক্ত হয়ে বল্ল
-কেনো...এইটা কি লুলামি করার জায়গা....!!!?
-না মানে...হঠাৎ ব্যাংকে.....
হুম...মিরপুরের কোনো এক ব্যাংকে আসছি....লামিয়া দেখলাম কতক্ষন এক লোকের সাথে কথা বল্ল।তিনি আবার আমাকে বেশ খুটিয়ে খুটিয়ে দেখলেন।
-তোর ইন্টারভিউ হবে আজকে।টিকলেই চাকরি পেয়ে যাবি....
আমি চরম অবাক হলাম।লামিয়া আমাকে না জানিয়ে এত কিছু করে ফেল্ল
-তুই.....
-চুপ...(আমার মুখে হাত দিয়ে)।অল দা বেস্ট
আমি ভীরু ভীরু পায়ে কেবিনের দিকে যেতে লাগলাম
বিকেল ৩টা।লামিয়া এতক্ষন বসেই ছিল।আমার মনে হল এতক্ষন আমি ঘোরের মধ্যে ছিলাম।ও আমাকে দেখেই ছুটে আসল....
-কিরে....চাকরি হল
আমি মন খারাপ করার ভান করে না করলাম।ওকে অনেকটা আশাহত মনে হল।তারপর আবার নিজেকে সামলে নিয়ে বল্ল
-ব্যাপার না।সব ঠিক হয়ে যাবে।চল
আমি ওর হাত ধরে দাড়া করালাম
-তুই আমার জন্য এত কিছু কেন করছিস....?
-কই এত কিছু....এইটুকু করতে না পারলে কিসের ফ্রেন্ড।আর আমি তোর মত না,ওকে....!!!নিজের অনুভুতি কারো সাথে শেয়ার করবো না।
-সব শেয়ার করিস....?
-হু.....
-তুই তো আসল কথাই আমার সাথে শেয়ার করিস নি......!!!!
-কোন কথা...?
-কেন বুঝিস না....!!!?
লামিয়ার চেহারা টা লাল হয়ে উঠল...
-তাহলে তুই বল.....
-আমি বলবো.....!!!?
-হু....
-তুই আমাকে ভালবাসিস....!!!?
লামিয়া অন্যদিকে ফিরে দাড়ালো....
-জানি না....
-যদি বলি,আমি তোকে ভালবাসি....তাহলে....?
এইবার আস্তে আস্তে তাকালো...
-তাহলে জানি....
-কি.....
-যেইটা বল্লি....
-তাহলে কি প্রপোজাল ......??
-একসেপ্টেড............
-আমি চাকরি টা পেয়েছি......
-কি..........!!!!!!!!
-হুম....কাল থেকে জয়িন করবো...
-তাহলে মিথ্যে বল্লি কেন....?
-তোকে রাগাবার জন্য......কিন্তু অদ্ভুদ তুই একটুও রাগ করলি না।
লামিয়া সবার সামনে আমাকে জড়িয়ে ধরলো.....সবাই আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে...
-তোর সাথে আমি কেন জানি রাগ করতে পারি না।তোর দিকে তাকালে আমার রাগ চলে যায়।
-থাকবি তো সবসময়....?
-হুম
যাক,অবশেষে মনে হয় আল্লাহ আমার দিকে তাকিয়েছে।চাকরি পেলাম,লাভার পেলাম,টাকা পেলাম।আমি ধৈয হারায়নি।তবে একা একা আসলেই কিছু করা যায় না।কারো সাহায্য অবশ্যই লাগে।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মার্চ, ২০১৬ রাত ১১:২২
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শব্দের সীমা (জনস্বাস্থ্য বিষয়ক সতর্কতা!)

লিখেছেন আবু সিদ, ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪০

“সুন্দর শব্দ মধুচক্রের মতো, আত্মার জন্য সুমিষ্ট এবং অস্থির জন্য আরোগ্য।” — প্রবচন ১৬:২৪, বাইবেল

প্রতিদিন বাসা থেকে বের হলেই হাজারো শব্দ উড়ে এসে আছড়ে পড়ে আমাদের কানে। দূর ও নিকট... ...বাকিটুকু পড়ুন

একজন কর্মী ও তার ন্যায্য পাওনা

লিখেছেন কিরকুট, ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২০

বাংলাদেশের বেসরকারি খাত নিয়ে কথা বলতে গেলে আমরা সাধারণত বিনিয়োগ, মুনাফা, ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, বাজার সম্প্রসারণ কিংবা উদ্যোক্তার ঝুঁকির কথা ভাবি। কিন্তু এই পুরো ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ কর্মীর শ্রম নিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গ্যাস বিদ্যুৎ সংকটের জন্য দায়ী কে?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১১



২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের সামরিক, পারমাণবিক ও সরকারি স্থাপনাগুলোতে আকস্মিক বড় ধরনের বিমান হামলা চালায়।প্রথম দফার হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ীসহ বেশ কয়েকজন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আ-তে আনন্দবাজার, আ-তে আওয়ামী লীগ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১৫


ইন্টারনেটে খবর পড়তে পড়তে হঠাৎ একটা শিরোনাম সামনে এলো। পড়েই কয়েক সেকেন্ডের জন্য মনে হলো, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বুঝি বিশাল কোনো ঘটনা ঘটে গেছে। শিরোনাম, “আধ পয়সা বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০১৮ সালের পর ঢাকাতেই ৪টা এক্সপ্রেসওয়ে

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৫৩



একটা দেশের উন্নয়ন কতটা এগিয়েছে, সেটা বোঝার অনেকগুলো উপায় আছে। তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেই দেশের রাস্তা, সেতু আর যোগাযোগব্যবস্থা। কারণ এগুলোর পরিবর্তন সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চোখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×