কেমন আছ?
অদৃশ্য থেকে আচম্বিত ছুটে আসে প্রশ্নাঘাত। অগত্যায় খুলে যায় ঘুমখিল।
ভালো আছি, ঋণমুক্ত হয়ে বেশ ভালো আছি। এখন আর আমার কোনো ঋণ নেই। ঋণের দায়ে চতুর বাতাস আর হানা দেয় না জীর্ণ কপাটে। সবুজ পাখিটি আর আপন সুর ভুলে না, রোদেরও ঢেউ খেলে না কাঁচ জানালায়। খুব ভালো আছি, এখন আমার রাত কাটে অচেতন ঘুমারণ্যে। রাজপথে দাঁড়িয়ে থাকা নিথর ল্যাম্পপোষ্ট থেকে যেদিন একটি মাত্র উপমা ধার করেছিলাম, সেদিন থেকে ঘুমহীন কেটেছে অজস্র ক্লান্তরাত। ঋণের দায়ে সূর্যেরও অধিক আলো ধরে রেখেছে চোখদুর্গে, আমি আলোতে ঘুমোতে পারিনি। এখন আর তার কাছে কোনো ঋণ নেই, আমি এখন প্রতিরাতে দিব্যি ঘুমাই আর বাহিরে বাতাসের সাথে নিরব মৈথুনে সাঁতার কাটে জ্যোৎস্নারাত।
বেশ ভালো আছি, ভুলে গিয়েছি সব। ভুল করে ঢুকে গিয়ে, তোমাদের রাজ্যে পাওয়া দাগগুলো ঢেকেছি রঙিন পোশাকে। আঁধারের নিকষে পরিশোধিত আজ সকল স্পর্শঋণ। ঈশ্বরের ঋণ? না আমি ঈশ্বরের কাছেও আর ঋণী নই। দিয়েছিল যা কেড়ে নিয়েছে সব; শিশুমুখ, সবুজ কৈশোর, জ্বলজ্বলে যৌবন। আর জীবন! সেও কেড়ে নিবে একদিন; ব্যস্ততার ঘোরে কোনো মায়াবী প্রহরে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



