‘ড্যাফোডিলস’ কবিতা পড়ার মধ্য দিয়ে ড্যাফোডিলস ফুলের এর সাথে আমার প্রথম পরিচয়। কবিতার সারমর্ম পড়তে গিয়ে টিচারের প্রশ্নে পরিচয় হয়েছিলো ‘Inward eye’ নামক একটি ভিন্ন দৃষ্টির সাথে। তখন ভাবতে পারিনি সেই কবির দেশেই কেটে যাবে জীবনের এতটা সময়। ভাবতে পারিনি লেক ডিসট্রিক্টের লেকের ধারে ‘মানস চক্ষু’ দিয়ে নয়, স্বচক্ষে দেখতে পাবো মাতাল হাওয়ায় ‘ড্যাফোডিলস’ দের নাচ।
এখানে এসে জেনেছি কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ এর ‘ড্যাফোডিলস’ এর সৌন্দর্য বর্ণনার জন্যই এ দেশের নাম হয়েছে গ্রেট ব্রিটেন। শীতের শেষে বসন্তের আগমনী বার্তা নিয়ে আসে হলুদ রঙের ড্যাফোডিলস’রা, এখানে সেখানে রাস্তার দু’ধারে সারি সারি ফুলের মেলা বসে। ওদের আসা খুব বেশি সময়ের জন্য নয়। পিঁয়াজের মতো দেখতে ড্যাফোডিলস এর বাল্বগুলো রয়ে যায় মাটির নিচে আর এক বসন্তের আগমনের প্রতীক্ষায়।
বাগানে লাগানো নানা রঙের ড্যাফোডিলস চারাগুলো শীত শেষ হতে না হতেই লাজুক মুখে বেরিয়ে আসে। ওদের দেখে পুলকিত আমি ক্যামেরায় ছবি তুলে পাশে লিখে দেই উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ এর লেখা কবিতার দু’চারটে লাইন।
প্রতিবারের মতো এবারও তার ব্যতিক্রম ছিলো না।
সেদিন শুভাকাঙ্ক্ষী নাজমুল বললেন আমার নিজের মতো করে কিছু লিখতে...তাঁর কাছে আমার কৃতজ্ঞতা।
আসলে কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ এর লেখার পরে ‘ড্যাফোডিলস’ নিয়ে লেখার তেমন কিছু থাকে না
তবুও বলতে চেষ্টা করলাম দু’একটা কথা...
ড্যাফোডিলস ড্যাফোডিল
দাও তুমি আনন্দ অনাবিল
আনো বসন্ত বার্তা আর
গাও নব জীবনের গান
তোমার মাঝেই খুঁজে পেতে চাই
আমার শাপলা শালুক প্রাণ।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা এপ্রিল, ২০১৪ দুপুর ১:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




