সোশ্যাল মিডিয়া হলো একটি ভার্চুয়াল পাবলিক প্লেস।
বাস্তব জীবনে একটি সরকারি রাস্তা বা চার রাস্তার সংযোগ স্থান।
এখানে আইন রক্ষাকারী আছেন , আছেন ভদ্রলোক , শিক্ষক ,ছাত্র ,বিজ্ঞানী ,মন্ত্রী , কুলি ,পকেটমার্ , চোর গৃহিনী
ব্যাবসায়ী ,চাকরিজীবী ..... সহ সব ধরণের লোক। রাস্তায় মলম বিক্রি করার লোক যেমন আছে ,তেমন আছে
গাড়িতে চলার লোক আছে রিকশা ,হেটে যাবার লোক আছে ,ভাষণ দেয়ার লোক আছে। ....ইত্যাদি। কেউ তালি পায়
কেউ গালি খায় ,কেউ আবার দুটোই।
কে কখন কার সাথে কি ব্যবহার করবে তা কেউ জানে না। যেমন হাঁটার সময় শরীরের সাথে ধাক্কা লাগলে কেউ বলেন সরি
আবার কেউ উল্টো ব্যাবহার করেন।
তাই বলে -
রাস্তায় চলাচলতো বন্ধ রাখা যায় না। বরং আরো সাবধানে চলতে হয়। এড়িয়ে চলতে হয়।
এখন আসি ভারতের সেই পরিচালকের (আলী আকবর ) বিষয়ে {(ঠুনকো অজুহাতে ধর্ম ত্যাগ)
ইসলাম থেকে হিন্দু বা হিন্দু থেকে ইসলাম সেটা বিষয় নয় } . যিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু গুরুত্ব পূর্ণ কথা বলছিলেন
কেউ কেউ বা বেশির ভাগ লোক তার কথায় সহমত হচ্ছিলেন পক্ষান্তরে গুটিকয়েকজন তার কথায় তাচ্ছিলতা দেখাচ্ছিলেন।
একজন জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত লোক যদি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যাপারটি না বুঝতে চান ,
তাহলে আমাদের মতো অল্প শিক্ষিত লোক তাকে কেমনে বুঝাই !?
যে -এটাতো আপনার প্রাইভেট জায়গা নয় ,পাবলিক প্লেস ,সব ধরণের লোকের আনাগোনা এখানে ......
.
[[মূল সংবাদটি খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার -ভারতের জাতীয় পুরস্কার জয়ী চলচ্চিত্র পরিচালক আলি আকবর
শুক্রবার এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে সস্ত্রীক ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করার ঘোষণা দেন
খবরে বলা হয়, বিপিন রাওয়াতের মৃত্যুতে সোশ্যাল মিডিয়ায় দুঃখপ্রকাশ করেন আলি আকবর। তার অভিযোগ,
এ পোস্টে অনেক মানুষ ‘হা হা’ রিয়েক্ট দেন। এতেই ক্ষুব্ধ হন জাতীয় পুরস্কার জয়ী এ পরিচালক। তিনি বলেন আমি প্রথমে একজন ভারতীয়।]]
।
উপসংহার - তিনি বলেছেন ,তিনি (আলী আকবর)প্রথমে একজন ভারতীয়।
আমি একজন মুছলিম ,মানুষ হিসাবে প্রথমে আমি একজন মুসলিম ,তারপর আমি একজন বাংলাদেশী বা ভারতীয়

সর্বশেষ এডিট : ১১ ই ডিসেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



