এ ধরনের বেশ কয়েকটি ঘটনা দেখার সুযোগ হয়েছিল মেডিকেলে। ছেলে, মেয়ে উভয় রকম রোগী।
একটি মেয়ে আত্মহত্যা করার উদ্দেশ্য বিষ খেয়েছে। কারণ তার পছন্দের ছেলের সাথে ঝগড়া। ছেলে-মেয়ে কারো মা-বাবা রাজী নয় তাদের সম্পর্ক নিয়ে। কিন্তু ছেলেটির সাথে নাকি মেয়েটির কথা ছিল যত বাঁধাই আসুক মেয়েটিকে বিয়ে করবে। এখন ছেলেটি তার কথা রাখছে না। এ নিয়ে ঝগড়া, সর্বশেষ বিষপান। তবে অনেক চেষ্ঠার পর মেয়েটি বেঁচে গিয়েছিল। এসব দেখে ছেলের মা-বাবা তো আর রাজীই হয়না।
ছেলেটি মেয়েটিকে পছন্দ করে। মেয়েটিও মনে হয় করতো। এরপর ঘনিষ্টতা। ঘুরাঘুরি। বর্তমানে যেভাবে হয় আর কি। কিন্তু সর্বশেষ মা-বাবার চাপে একই ক্লাসের ছেলেকে বিয়ে করতে পারেনি। পরিণতিতে ছেলেটি আত্মহত্যার উদ্দেশ্য এক সাথে অনেকগুলো ঘুমের ওষুধ খাওয়া। বন্ধুরা নিয়ে এসেছিল মেডিকেলে। চেষ্ঠাও করা হয়েছিল। কিন্তু বাঁচেনি।
আমাদের দেশে তরুণ বয়সে আত্মহত্যার অনেকগুলো ঘটনার কারণ প্রায় একই রকম। ছবিতেও প্রেমিকের সঙ্গে রাগ করে বিষ খেয়েছেন প্রেমিকা। খবরে প্রকাশ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঝগড়াঝাটির এক পর্যায়ে মেয়েটি বিষ মুখে ঢেলে দেয়। উপায়ন্তর না পেয়ে প্রেমিকাকে কোলে তুলে নিয়েই হাসপাতালে ছুটছেন প্রেমিক। সর্বশেষ জানা গিয়েছিল, তরুনীটি মারা গিয়েছে এবং সেই তরুন লাশ হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে রেখে পালিয়েছে। আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হচ্ছে, ছেলেটি ছিল বিবাহিত! মেয়েটি বিষয়টি জানতো কিনা তা জানা যায়নি। তবে এধরনের পরকিয়া ও অপ্রয়োজনীয় সম্পর্ক এখন ব্যাপক হারে বেড়ে চলেছে এদেশে। পরিণতিতে আত্মহত্যা, হত্যা, নিজের সন্তান হত্যা করা সহ নানা অঘটন...
কি প্রয়োজন এ ধরনের সম্পর্কের? কি প্রয়োজন ঝগড়াঝাটির? কি প্রয়োজন আবার আত্মহত্যা করার?
রিলেটেড কিছু পোষ্ট-
১। এরপর কান্নাই যেন ভরসা...
২। জীবন যেন পৃথিবীতেই নরক...
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


