somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আজ পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ

১৫ ই জুন, ২০১১ সকাল ১১:১৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

চন্দ্রগ্রহণ
আমরা জানি পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ, পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে। আবার চাঁদকে সাথে নিয়েই পৃথিবী ঘুরছে সূর্যের চার দিকে। সূর্যকে কেন্দ্র করে পৃথিবী আর পৃথিবীকে কেন্দ্র করে চাঁদের এই ভ্রমণে এমন সময় আসে যখন সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে পৃথিবী এসে যায়। এই সময় এরা একই লাইনে থাকে বলে সূর্যের আলো এসে পরে পৃথিপীর উপর। ফলে পৃথীবীর পিছনে অনেকটা জায়গাজুড়ে পৃথিবীর ছায়া পরে। সেই সময় চাঁদ যদি সেই পৃথিবীর-ছায়া ঢাকা অংশে ঢুকে তখন চাঁদে আর সূর্যের আলো পৌছতে পারেনা, তাই সেই সময় চাঁদকে পৃথিবী থেকে দেখা যায় না। এটিই চন্দ্রগ্রহণ।



হঠাত করে আজ চন্দ্রগ্রহণের কথা বলার কারণ হচ্ছে - আজ একটি পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ হবে। সারা বাংলাদেশ থেকে এই চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে।


শুধু বাংলাদেশ নয়, বরং আফ্রিকা ও মধ্য এশিয়া থেকে পুরপুরি, আর দক্ষিণ আমেরিকা, পশ্চিম আফ্রিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া থেকেও মোটামুটি দেখা যাবে।

আজ, অর্থাৎ ১৫ই জুন রাত ১১টা ২৪ মিনিট। এই সময় গ্রহণটি শুরু হবে উপচ্ছায়া পর্যায় থেকে। রাতের ২টা বেজে ১২ মিনিটে গ্রহণটি পূর্ণতা পাবে, আর গ্রহণটি শেষ হবে ভোর ৫ টায়।


ছবিতে দেখছেন আংশিক ও পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের নমুনা।


সাড়ে এগারটা থেকে গ্রহণ শুরু হয়ে ভোর পাঁটা পর্যন্ত চললেও পৃথিবীর ছায়ার কেন্দ্র চাঁদ থাকবে ১০০ মিটিন। আর এই ১০০ মিনিটই হচ্ছে মূল চন্দ্রগ্রহণ। এতো দীর্ঘ সময় ধরে পৃথিবীর ছায়া কেন্দ্রে চাঁদ খুব কমই থাকে। ফলে এটি একটি relatively rare চন্দ্রগ্রহণ। এই ধরনের চন্দ্রগ্রহণ শেষবার হয়েছিলো ২০০৭ সালের ২৮শে আগষ্ট, আর পরবর্তী এই ধরনের চন্দ্রগ্রহণ হবে ২০১৮ সালের ২৭শে জুলাই।

চন্দ্রগ্রহণের পূর্ণ গল্প লেখার ইচ্ছে আছে বলেই আজ আর তেমন কিছু লিখলাম না।


ছোট্ট একটা দুঃখ, আমার টেলিস্কোপের মাউন্টটি নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে ইচ্ছে থাকার পরেও আজ চন্দ্রগ্রহণ দেখার কোনো উদ্দ্যগ নিতে পারছি না। এখন এই পোস্টটি করে টেলিস্কোপটি নিয়ে পরবো, যদি জোড়াতালি দিয়ে কোনো রকমে দাঁড় করাতে পারি।

সূত্রঃ
Click This Link
Click This Link
http://www.mreclipse.com/Special/LEprimer.html
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভালোবেসে লিখেছি নাম

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ দুপুর ১২:৫৮









আকাশে রেখেছি সূর্যের স্বাক্ষর
আমার বুকের পাজরের ভাজে ভাজে
ভালোবেসে লিখেছি তোমারি নাম
ফোটায় ফোটায় রক্তের অক্ষর।

এক জীবন সময় যেন বড় অল্প
হাতে রেখে হাত মিটেনাতো সাধ
... ...বাকিটুকু পড়ুন

নীলাঞ্জনার সাথে

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ দুপুর ১:৪৩

ছবি :ইন্টারনেট


কেউ নিজের মতো অভিযোগ গঠন করলে (ঠুনকো)
বলি কী ,
তার ভেতরেই বদলানোর নেশা ,
হারিয়ে যাওয়ার নেশা।
ছেড়ে যেতে অভিনয় বেশ বেমানান,
এ যেন নাটক মঞ্চস্থ হওয়ার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেব্রুয়ারির শেষ সময়টা

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ দুপুর ২:৪৮

ফেব্রুয়ারির এই শেষ সময় কয়েকটা বছর ভয়ানক সব ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশ । বিডিআর হত্যা কান্ড তার মধ্যে অন্যতম । রাত গভীরে অপেক্ষা করছিলাম, বইমেলায় খবর দেখার জন্য । তখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

একুশের নিহতদের খুন করেছে কারা?

লিখেছেন ইএম সেলিম আহমেদ, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ বিকাল ৩:৩৪



মূল ঘটনায় যাওয়ার আগে একটি ভিন্ন ঘটনায় নজর দেই। ২৪ নভেম্বর যাত্রাবাড়ি, ১৯৭৪ সাল, ভয়ানক বিস্ফোরণ হয় একগুচ্ছ বোমার। বোমার নাম আলোচিত নিখিল বোমা। সে বোমার জনক নিখিল রঞ্জন... ...বাকিটুকু পড়ুন

গত ৯ বছরে সামুর পোষ্টের মান বেড়েছে, নাকি কমেছে?

লিখেছেন সোনাগাজী, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ রাত ৮:১৮



আমার ধারণা, গত ৮/৯ বছরে সামুর পোষ্টের মান বেড়েছে, অপ্রয়োজনীয় পোষ্টের সংখ্যা কমেছে। সব পোষ্টেই কিছু একটা থাকে; তবে, পোষ্ট ভুল ধারণার বাহক হলে সমুহ বিপদ,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×