somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

তাজমহলের ছবি

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

তাজমহল ভারতের উত্তর প্রদেশের আগ্রায় অবস্থিত একটি সমাধি সৌধ।
মুঘল সম্রাট শাহজাহানের দ্বিতীয় স্ত্রী আরজুমান্দ বানু বেগম, তিনি মুমতাজ মহল নামেও পরিচিত ছিলেন, তাঁর স্মৃতির উদ্দেশে এই অপূর্ব সৌধটি নির্মাণ করেছিলেন মুঘল সম্রাট শাহজাহান। তাজমহল বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের অন্যতম একটি। ১৯৮৩ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব-ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে তাজমহলকে তালিকাভুক্ত করে।



মুঘল সম্রাট শাহজাহানের দ্বিতীয় স্ত্রী মুমতাজ মহল যখন তাদের চতুর্দশ কন্যা সন্তান গৌহর বেগমের জন্ম দিতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেন তখন সম্রাট শাহজাহান তার প্রিয়মতা স্ত্রীর মৃত্যুতে প্রচণ্ডভাবে শোকাহত হয়ে পড়েন। তখনি তিনি তার মৃত স্ত্রীর স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিজের ভালোবাসার প্রকাশ হিসেবে এই সৌধটি নির্মাণ করেন, যা তাজমহল নামে পরিচিত।



মুমতাজের মৃত্যুর পর সম্রাট শাহজাহান তাজমহলের নির্মাণ কাজ শুরু করেছিলেন ১৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে। মূল সমাধিটির নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ হয় ১৬৪৮ খ্রিস্টাব্দে। আর বাগানসহ সম্পূর্ণ সমাধিক্ষেত্রটির সমস্ত কাজ শেষ হয় প্রায় ৫ বছর পরে ১৬৫৩ খ্রিষ্টাব্দে।



তাজমহলকে মুঘল স্থাপত্যশৈলীর একটি আকর্ষণীয় নিদর্শন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যার নির্মাণশৈলীতে পারস্য, তুরস্ক, ভারতীয় এবং ইসলামী স্থাপত্যশিল্পের সম্মিলন ঘটানো হয়েছে। তাজমহল সমাধিটি তৈরি করা হয়েছে মহামূলবান সাদা মার্বেল পাথর দিয়ে। আর তার লতা-পাতা ও ফুলের নকশায় ব্যবহার করা হয়েছে মহামূল্যবান রঙ্গিন সব পাথর।



সৌধের মূল ইমারতটি একটি বড় বর্গাকার বেদি বা ভিত্তির উপরে নির্মিত হয়েছে এবং ইমারতের প্রতিটি দিকেই হুবহু একই রকম দেখতে। বেদি বা ভিত্তির চার কোনায় চারটি মিনার রয়েছে। মিনার গুলি অনেকেটাই মজিদের মিনারের মতো দেখতে। প্রতিটি মিনারেই দুইটি করে বারান্দা দিয়ে তিনটি করে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি মিনারের উচ্চতা প্রয়া ৪০ মিটার। প্রতিটি মিনারই বেদি বা ভিত্তির বাইরের দিকে কিঞ্চিৎ হেলানো আছে। যদি কখনও এই মিনার গুলি কোনো কারণে ভেঙ্গে পড়ে তাহলে এগুলি মূল সমাধির উপরে না পড়ে বাইরের দিকে পরবে।



তথ্যসূত্র : উইকিপিডিয়া
ছবি তোলার স্থান : তাজমহল, আগ্রা, ভারত।
ছবি তোলার তারিখ : ১২/০৩/২০১৪ ইং
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:৩৯
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজকের ডায়েরী- ১৯৭

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪



শরতের সকাল! সকাল ৮ টা।
ভাদ্র মাস। ইংরেজি সেপ্টেম্বর মাস। ২০২৬ সাল। ঘটনাটা কি হয়েছে, আমি বলি। মোটামোটি ভয়াবহ ঘটনা বলা যেতে পারে! যে কোনো সময় রোদ উঠবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বর্তমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট: দায় কার?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭


সংক্ষিপ্ত রায় সবচেয়ে বড় দায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নীতির। এর মধ্যে ২০০৯–২০২৪ সময়কালের সরকারের সিদ্ধান্তগুলোর দায় তুলনামূলকভাবে বেশি, কারণ ওই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো হলেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাপিত জীবন.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৭


১।মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশে জুম্মার নামাজ পড়ার সুযোগ হয়েছে। ১২.৫০ এ আজান তারপর ১.১৫ দিকে জুম্মার নামাজের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ। আজানের কিছুক্ষণ পর খুতবা শুরু তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

মঞ্জুর চৌধুরর ছোট গল্প "একাউন্ট্যান্ট"

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:৪০

একাউন্ট্যান্ট

মঞ্জুর চৌধুরী


রফিকুল ইসলামের জীবনে সবচেয়ে বিলাসী জিনিসটি ছিল একটি কাঠের আলমারি।

আলমারিটা নতুন নয়। মিরপুর এগারোর যে দুই কামরার বাসায় সে আর শায়লা থাকত, তাদের বিয়েরও আগে থেকে বাড়িওয়ালার স্টোররুমে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫ই আগস্ট বিদ্যুৎও কি দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেল ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:১৪


শিরোনামটা একটু অদ্ভুত মনে হতে পারে। তবে কিছুদিন ধরে বিদ্যুতের দাম, ভর্তুকি আর লোডশেডিং নিয়ে যেভাবে আলোচনা হচ্ছে, তাতে প্রশ্নটা একেবারে অযৌক্তিক নয়। কারণ সরকার বদলেছে, কিন্তু বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো তো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×