somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আদালত কাউকে মৃত্যুদন্ড দিলেই সে যে অপরাধী এটি মনে করার কোন কারন নেই

২১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নমরুদের ট্রাইবুনালে হজরত ইব্রাহীম (আঃ) কে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছিল তৎকালীন প্রচলিত আইনে। ফেরাউন তার দেশের প্রচলিত আইনে হজরত মুসা (আঃ) কে মৃত্যুদন্ড দিয়েছিল। হজরত ইসা(আঃ) কে শুলে চড়াতে নির্দেশ দিয়েছিল সেই সময়ের রাষ্ট্রীয় আইন বিভাগ। আমাদের নবী মুহাম্মদ (সাঃ) কে বিভিন্ন অপবাদে দোষী সাব্যস্ত করে তার রাজ্যের নেতারা একমত হয়ে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছিল। এমনকি আমাদের নবী (সাঃ) কে তার জন্মভুমি থেকে হিজরত করতে বাধ্য করা হয়েছিল। বিশিষ্ট দার্শনিক সক্রেটিস কে বিষ প্রয়োগে হত্যা করা হয়েছিল তৎকালীন শাসকদের নির্দেশে। লেনসন মেন্ডেলা ৪২ বছর কারাগারে ছিল বিচারবিভাগের রায়ে। এদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম সংগ্রামী সুর্যসেন আইনের দৃষ্টিতে বড় সন্ত্রাসী। আইনের ১৪৪ ধারা লংঘন করে মিছিল করায় আমাদের ভাষা শহীদরা তৎকালীন পাকিস্তানী আইন ব্যবস্থায় অপরাধী ও আইন লংঘনকারী। এমনকি শেখ মুজিবকে আইন লংঘন করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল।


উপরোক্ত সকল মহাপুরুষদেরকে তাদের সমসাময়িক আদালত দোষী সাব্যস্ত করেছিল।

তাহলে আমরা কি বলতে পারি এরা আসলেই দোষী এরা খুনি, মানবতাবিরোধী!!!!
আমাদের নবী মুহাম্মদ (সাঃ)
হজরত ইব্রাহীম (আঃ)
হজরত মুসা (আঃ)
হজরত ইসা(আঃ)
দার্শনিক সক্রেটিস
লেনসন মেন্ডেলা
সংগ্রামী সুর্যসেন
ভাষা শহীদ
শেখ মুজিব


এইসব মহাপুরুষদের আদালত দোষী সাব্যস্ত করলেও আমরা জানি উনারা কেমন ছিলেন।


আমার অভিমত হচ্ছে

আদালত কাউকে মৃত্যুদন্ড দিলেই সে যে অপরাধী এটি মনে করার কোন কারন নেই।
১৮টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পানি: জীবনের উৎস, আল্লাহর রহমতের অবিরাম ধারা এবং সৃষ্টিতত্ত্বের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ

লিখেছেন নতুন নকিব, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

পানি: জীবনের উৎস, আল্লাহর রহমতের অবিরাম ধারা এবং সৃষ্টিতত্ত্বের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ

ছবি, অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

পানি এই একটি শব্দে লুকিয়ে আছে সৃষ্টির রহস্য, জীবনের ধারা এবং মহান আল্লাহ তাআলার অফুরন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:২৪



একসময় আমাদের গ্রামটা খাটি গ্রাম ছিলো।
একদম আসল গ্রাম। খাল-বিল ছিলো, প্রায় সব বাড়িতেই পুকুর ছিলো, গোয়াল ঘর ছিলো, পুরো বাড়ির চারপাশ জুড়ে অনেক গাছপালা ছিলো। বারো মাস... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাসূলের (সা.) একমাত্র অনুসরনীয় আহলে বাইত তাঁর চাচা হযরত আব্বাস ইবনে আব্দুল মোত্তালিব (রা.)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩




সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোরগের ডাক , বিজ্ঞানের পাঠ এবং গাধার প্রতি আমাদের অবিচার

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:৫৫


গ্রামে বেড়ে ওঠা মানেই একটা অসাধারন শৈশব। আমাদের সেই শৈশবের একটা বড় অংশ জুড়ে ছিল মক্তবের মৌলভি সাহেবদের গল্প। তারা বলতেন, ভোররাতে মোরগ ডাকে কারণ সে ফেরেশতা দেখতে পায়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বঙ্গ ও বেঙ্গলীর শিকড় কী মুছে গেছে? নাকি পুণ্ড্রনগর সভ্যতার মত হারিয়ে গেছে ??

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:০৮


বঙ্গ ও বেঙ্গলীর শিকড় কী মুছে গেছে নাকি পুণ্ড্রনগর সভ্যতার মত হারিয়ে গেছে ?? সামু ব্লগের এই ক্রান্তিকালে বিষয়টি নিয়ে একটু আলোচনা/পর্যালোচনা করে কিছু সময় কাঠানো যাক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×