নমরুদের ট্রাইবুনালে হজরত ইব্রাহীম (আঃ) কে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছিল তৎকালীন প্রচলিত আইনে। ফেরাউন তার দেশের প্রচলিত আইনে হজরত মুসা (আঃ) কে মৃত্যুদন্ড দিয়েছিল। হজরত ইসা(আঃ) কে শুলে চড়াতে নির্দেশ দিয়েছিল সেই সময়ের রাষ্ট্রীয় আইন বিভাগ। আমাদের নবী মুহাম্মদ (সাঃ) কে বিভিন্ন অপবাদে দোষী সাব্যস্ত করে তার রাজ্যের নেতারা একমত হয়ে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছিল। এমনকি আমাদের নবী (সাঃ) কে তার জন্মভুমি থেকে হিজরত করতে বাধ্য করা হয়েছিল। বিশিষ্ট দার্শনিক সক্রেটিস কে বিষ প্রয়োগে হত্যা করা হয়েছিল তৎকালীন শাসকদের নির্দেশে। লেনসন মেন্ডেলা ৪২ বছর কারাগারে ছিল বিচারবিভাগের রায়ে। এদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম সংগ্রামী সুর্যসেন আইনের দৃষ্টিতে বড় সন্ত্রাসী। আইনের ১৪৪ ধারা লংঘন করে মিছিল করায় আমাদের ভাষা শহীদরা তৎকালীন পাকিস্তানী আইন ব্যবস্থায় অপরাধী ও আইন লংঘনকারী। এমনকি শেখ মুজিবকে আইন লংঘন করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
উপরোক্ত সকল মহাপুরুষদেরকে তাদের সমসাময়িক আদালত দোষী সাব্যস্ত করেছিল।
তাহলে আমরা কি বলতে পারি এরা আসলেই দোষী এরা খুনি, মানবতাবিরোধী!!!!
আমাদের নবী মুহাম্মদ (সাঃ)
হজরত ইব্রাহীম (আঃ)
হজরত মুসা (আঃ)
হজরত ইসা(আঃ)
দার্শনিক সক্রেটিস
লেনসন মেন্ডেলা
সংগ্রামী সুর্যসেন
ভাষা শহীদ
শেখ মুজিব
এইসব মহাপুরুষদের আদালত দোষী সাব্যস্ত করলেও আমরা জানি উনারা কেমন ছিলেন।
আমার অভিমত হচ্ছে
আদালত কাউকে মৃত্যুদন্ড দিলেই সে যে অপরাধী এটি মনে করার কোন কারন নেই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




