সন্ত্রাসের কোনো ধর্ম নেই – ওদের ধর্ম শুধু ধ্বংস
আমরা এমন এক সময়ে দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে সত্য ও সুন্দর প্রতিনিয়ত হুমকির মুখে। এই হুমকি আসে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের হাত ধরে, যারা মানবতার মুখোশ ছিঁড়ে ফেলে ঘৃণার রাজনীতি করে। তারা দাবি করে, তারা ন্যায়ের পক্ষে, ধর্মের পক্ষে, অথচ তাদের পদচারণায় কেবল আগুনের ছোঁয়া। তারা চায় না কেউ আলো দেখুক, কেউ ভালো থাকুক, কেউ স্বপ্ন দেখুক।
সন্ত্রাসীদের কোনো ধর্ম নেই। তারা যে ধর্মের নামই করুক না কেন, আসলে তারা মানবতার শত্রু। সন্ত্রাসীদের ধর্ম আছে মানবতার বিনাস, সুন্দরের বিনাস, উন্নয়ন অগ্রগতির বিনাস, প্রগতির বিনাসই ওদের ধর্ম। তারা শিশুর মুখের হাসি কেড়ে নেয়, নারীর সম্মানকে আঘাত করে, বুদ্ধিজীবীর কণ্ঠ রোধ করে, শিল্পের ক্যানভাসে রঙ ছিটিয়ে দেয় রক্তের।
আজ যারা এদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে, মৌনতা দিয়ে উৎসাহ দিচ্ছে, তারাও দায়মুক্ত নয়। নীরবতা অনেক সময় অপরাধীর বড় অস্ত্র হয়ে দাঁড়ায়। তাই এখন সময় ঘুম থেকে জেগে ওঠার, স্পষ্টভাবে বলার না, আমরা সন্ত্রাস চাই না।
আমরা চাই একটি পৃথিবী, পেহেলগামের মতো আর রক্তপাত চাইনা। ধর্ম থাকবে বিশ্বাসের জায়গায়, আর রাজনীতি হবে জনগণের কল্যাণে। যেখানে শিশুরা মুক্ত আকাশে স্বপ্ন দেখবে, তরুণেরা কলম ধরবে অস্ত্রের বদলে, এবং নেতারা হবে মানুষের ভরসার প্রতীক।
সন্ত্রাসবাদ শুধু গুলি বা বোমার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ, বিদ্বেষ ছড়ানো, মিথ্যার রাজনীতি চালানো এসবও সন্ত্রাসেরই রূপ।
এই দেশ কোন বিভাজনের জন্য তৈরি হয়নি। এ দেশ তৈরি হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় যেখানে মানবতা, সহনশীলতা ও ন্যায়ের জয়গান গাওয়া হয়।
তাই আসুন, একসাথে বলি:
সন্ত্রাসের কোনো স্থান নেই আমাদের সমাজে, আমাদের রাষ্ট্রে, আমাদের পৃথিবীতে।


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

