somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যুদ্ধ তো শুরু হয়েছে ৫ জুলাই ২০২৪ শেষ কখন হবে, কে জানে!

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যুদ্ধ তো শুরু হয়েছে ৫ জুলাই ২০২৪ শেষ কখন হবে, কে জানে!
-----------------------------------------------------------------
আমাদের যুদ্ধ তো ছিল ক্ষুধা, অশিক্ষা, কুশিক্ষা, দুর্নীতি, হত্যা-ধর্ষণ ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে। আমাদের যুদ্ধ ছিল সমাজের অন্ধকার দূর করে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার জন্য। কিন্তু আজ বড়ই নির্মমভাবে আমাদের যুদ্ধটা যেন হয়ে গেছে নিজেদের বিরুদ্ধে নিজেদের যুদ্ধ!
কে বা কারা এই বিভাজনের আগুনে ঘি ঢালছে, আজ সেটাই জাতির সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। বিদেশি অর্থ ও প্রভাবের অভিযোগে যাদের নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, তাদের ভূমিকা নিয়েও জাতির ভাবা দরকার।
এক দলের সঙ্গে আরেক দলের সংঘাত, প্রতিশোধ আর পাল্টা প্রতিশোধ এ কোন ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যাচ্ছে দেশকে?
যখন মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান ও প্রহারের দৃশ্য দেখি, তখন হৃদয় কেঁদে ওঠে।
যখন মানুষের ঘরবাড়ি জ্বলে, তখন মনে হয় আমরা কি সত্যিই সেই বাংলাদেশে আছি? যখন স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙা হয়, জাতীয় গৌরবের প্রতীকগুলো আক্রান্ত হয়, তখন বিবেক প্রশ্ন করে কেন?
যখন ৩২ নম্বরের মতো ঐতিহাসিক স্থান ধ্বংসের মুখে পড়ে, তখন ইতিহাসও যেন নির্বাক হয়ে যায়। মেট্রোরেল, সংবাদমাধ্যমের প্রতিষ্ঠান কিংবা রাষ্ট্রীয় সম্পদ কিছুই যদি রক্ষা না পায়, তাহলে আগুন শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে থামবে? আজ ক্ষমতার অন্ধতায় যে প্রতিহিংসা জন্ম নিচ্ছে, কাল সেটিই হয়তো নতুন প্রতিশোধের আগুন জ্বালাবে।
আজ যারা ক্ষমতাবান হয়ে অত্যাচার করছে, কাল তারা ক্ষমতার বাইরে গিয়ে সেই অত্যাচারের শিকার হতে পারে।
এভাবেই যদি প্রতিশোধের রাজনীতি চলতে থাকে, তাহলে একদিন জয়ী হবে না কোনো দল পরাজিত হবে বাংলাদেশ।
একটি জাতি প্রতিহিংসা দিয়ে বাঁচে না; বাঁচে ন্যায়বিচার, সহনশীলতা ও পারস্পরিক সম্মানের ওপর।
তাই আজ সবচেয়ে জরুরি প্রশ্ন এই প্রতিহিংসার চক্র আমরা কবে ভাঙব?
কেউ কি সাহস করে বলবে আর নয়, এবার থামতে হবে?
দেশটা কারও একার নয়; এই দেশ ১৮ কোটি মানুষের, আমাদের সবার।
ক্ষমতা বদলাবে, সরকার বদলাবে, নেতা বদলাবে কিন্তু বাংলাদেশ যেন ধ্বংস না হয়।
চলুন, যুদ্ধটা আবার সঠিক জায়গায় ফিরিয়ে নিই মানুষের বিরুদ্ধে নয়, ক্ষুধা, দারিদ্র্য, দুর্নীতি, অশিক্ষা ও অন্ধকারের বিরুদ্ধে।
-- সালাউদ্দিন রাব্বী
সংখ্যালঘু বাচাও আন্দোলন
বাংলাদেশ।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৪:০২
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একলা বিকেল

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২৩ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৫

-একা থাকো?
-না।
-কে থাকে সাথে?
-কেউ না।
-তাহলে কিভাবে বলছো একা থাকো না?
-থাকি না তো।
-কিভাবে?
-তুমি থাকো যে পাশে।
-বাহ! ………কতক্ষণ থাকি?
-সারাক্ষণ। টেবিলে বসে খাচ্ছি, তুমি সামনে। রান্না করছি, তুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

না ফেরার দেশে চলে গেলেন রথো রাফি

লিখেছেন ফেনা, ২৩ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৩



আজ অনেক দিন পর ব্লগে আসলাম। আসলে চাকুরী জীবনের প্রেসার সামলাতে সামলাতেই সময় চলে আয়, নেটে আর তেমন আসা হয় না। আজ আসলাম রাফি ভাই এর মৃত্যু সংবাদটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার পোষ্টে ব্লগার অপু তানভীরের এআই আপত্তি এবং এর এআই জবাব

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৩ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩০





কোন কিছুর অস্তীত্ব বিহীন মহাশূন্যে অস্তিত্বের প্রক্রিয়া কি ছিল?

অপুতারভীরের এআই আপত্তি-
আপনার লেখা সম্পর্কে এআই মূল্যায়ন নিচে দিলামঃ
১. শূন্যতা ও উদ্ভবের ভুল ব্যাখ্যা (Misinterpretation of Void and... ...বাকিটুকু পড়ুন

১ টাকায় মিলছে ৪ লাউ, উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম কৃষকের

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২৩ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪২

Click This Link

পঞ্চগড় এলাকায় ৪ টা লাউ বিক্রি হচ্ছে এক টাকায় ! ইত্তেফাকের মত প্রতিষ্ঠিত সংবাদপত্রে আসা এ সংবাদ অসত্য বা অতিরঞ্জিত না হলে বিষয়টা একেবারে উড়িয়ে দেয়ার মত না।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মের লেবাস নয়, শিশুর নিরাপত্তাই হোক আমাদের প্রথম দায়িত্ব!

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৩ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৫১

ধর্মের লেবাস নয়, শিশুর নিরাপত্তাই হোক আমাদের প্রথম দায়িত্ব!

একজন বাবা তাঁর ছয় বছরের কন্যাকে মাদ্রাসায় পাঠিয়েছিলেন দ্বীনি শিক্ষা, নৈতিকতা ও নিরাপদ ভবিষ্যতের আশায়। তিনি কি কখনো কল্পনা করেছিলেন, ধর্মীয় শিক্ষকের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×