
বাংলাদেশ কি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকতে পারবে, যেখানে আইন, ব্যক্তি স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকারের প্রশ্নগুলো সংখ্যাগরিষ্ঠের ধর্মীয় পরিচয় বা জনতুষ্টিমূলক ও সুবিধাবাদী রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে সব নাগরিকের সমান অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করবে? নাকি দেশটি পশ্চাৎমুখী কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রে পরিণত হবে যেখানে পরাশক্তিগুলো নিজেদের ভূরাজনৈতিক স্বার্থে ইসলামপন্থী রাজনীতি ও জঙ্গিবাদকে ব্যবহার করবে আর বাংলাদেশ পরিণত হবে তাদের ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতা, ডিপ স্টেট ও সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্সের ক্ষেত্র হিসেবে?
উপরের প্রশ্নগুলোর উত্তরই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কোন দিকে এগোবে। দেশ কি অচিরেই এমন একটি "ব্যর্থ রাষ্ট্রে" পরিণত হবে, যেখানে সরকার দেশের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জনগণকে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও প্রয়োজনীয় সরকারি সেবা দিতে ব্যর্থ হবে? নাকি রাষ্ট্র এখনো তার প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনর্গঠন করে এই সংকট থেকে বেরিয়ে আসার ক্ষমতা রাখে?
রাজনৈতিক সংস্কৃতি যখন যুক্তি, বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা ও আত্মসমালোচনার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং পশ্চাৎমুখী ও অযৌক্তিক ধারণা ও মতবাদে আচ্ছন্ন হতে শুরু করে, তখন তার পক্ষে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধরে রাখা সম্ভব হয় না। ঘটনাপ্রবাহে ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে, বাংলাদেশে সেই পতন শুরু হয়েছে। সুস্থ ও যুক্তিশীল চিন্তা আর সামাজিক পরিসরে কাজ করছে না। রাজনীতি তৌহিদি জনতার মগের মুল্লুকে পরিণত হয়েছে। যুক্তি ও বুদ্ধিবৃত্তিক ভিত্তিগুলো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন বিলুপ্তির পথে। নারী স্বাধীনতা ক্রমশ সংকুচিত হচ্ছে এবং ধর্মীয় কর্তৃত্বের মধ্য দিয়ে দেশ পরিচালনার চেষ্টা দৃশ্যমান হয়ে উঠছে।
হাসিনার পতনের পর যে রাজনৈতিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে, সেই সুযোগে একের পর এক ইসলামপন্থী, সাম্রাজ্যবাদী স্বার্থের অনুগত এবং বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থবিরোধী শক্তি রাষ্ট্রক্ষমতায় প্রবেশ করেছে। ইতিহাসে লিবিয়া, ইরাক ও সিরিয়ার মতো দেশে আমরা দেখেছি, পুরোনো ক্ষমতার কাঠামো ভেঙে পড়ার পর সৃষ্ট শূন্যতা কীভাবে নানা উগ্র, সহিংস ও ভূরাজনৈতিক শক্তির অনুপ্রবেশের পথ তৈরি করে। বাংলাদেশের পরিস্থিতি তার হুবহু পুনরাবৃত্তি না হলেও ক্ষমতার শূন্যতার মধ্য দিয়ে নতুন অশুভ শক্তির প্রবেশের সাদৃশ্য রয়েছে।
এই পরিবর্তনের প্রথম উদ্বেগজনক দিক হল জঙ্গিবাদ। জঙ্গিবাদ বাংলাদেশের পুরোনো সমস্যা হলেও, বর্তমানে আমরা যে ধরনের জঙ্গিবাদের উত্থান দেখছি, তার চরিত্র ভিন্ন। এর সাথে এখন ভূরাজনৈতিক শক্তিগুলো জড়িয়ে গেছে যা বাংলাদেশে অতীতে অনুপস্থিত ছিল। জঙ্গিবাদ এখন আর কোনো বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠীর সহিংসতা নয়, একে বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির মাধ্যমে পরিণত করা হচ্ছে।
আওয়ামী লীগ সরকার তার রাজনৈতিক ক্ষমতা রক্ষার বিনিময়ে যে ভারতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছিল, তার ভিত্তি ছিল মূলত অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মধ্যে যে পাকিস্তানপন্থি নীতি প্রাধান্য পেল, তার স্বার্থ কেবল অর্থনৈতিক নয়, এর সাথে সামরিক ও ভূরাজনৈতিক স্বার্থ যুক্ত হল। এই স্বার্থের একটি দিক ইসলামপন্থি রাজনীতি ও জঙ্গিবাদকে ভূরাজনীতিতে যুক্ত করা।
বাংলাদেশকে ঘিরে যে নতুন ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি হল, সেখানে আমেরিকা, পাকিস্তান ও তুরস্ক, তিন দেশই তাদের নিজেদের স্বার্থে সক্রিয় এবং পরাশক্তির এই খেলায় তাদের স্বার্থের বিভিন্ন জায়গায় মিল ও পারস্পরিক সংযোগ রয়েছে। ফলে বাংলাদেশে ইসলামপন্থী রাজনীতি ও জঙ্গিবাদের উত্থানে আঞ্চলিক শক্তির প্রতিযোগিতা, সামরিক স্বার্থ এবং বৃহৎ শক্তিগুলোর হাসিনার পতনের রাজনৈতিক শূন্যতায় নিজেদের নতুন করে আত্নপ্রকাশ করলো।
জঙ্গিবাদ ও জিহাদ নিয়ে একজন আমেরিকান কূটনীতিকের গবেষণা এখানে বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য। তার নাম পল কাপুর, যিনি বর্তমানে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আমেরিকার ভূরাজনৈতিক স্বার্থ নিয়ে আলোচনা করতে একজন আমেরিকান কূটনীতিকের গবেষণাকেই সূত্র হিসেবে ব্যবহার করা স্ববিরোধী মনে হতে পারে। কিন্তু বিষয়টির আরেকটি দিকও আছে। অনেক সময় দূর থেকে বিশ্লেষণ করা গবেষকের চেয়ে, যে ব্যক্তি সরাসরি সেই দেশের নীতিনির্ধারণের সাথে যুক্ত, তাঁর বক্তব্যের বাস্তব গুরুত্ব থাকে।
কাপুরের লেখা বই "জিহাদ অ্যাজ গ্র্যান্ড স্ট্র্যাটেজি: ইসলামিস্ট মিলিটেন্সি, ন্যাশনাল সিকিউরিটি, অ্যান্ড দ্য পাকিস্তানি স্টেট", এ দেখিয়েছেন, পাকিস্তানে জঙ্গিবাদ আকস্মিক বা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না। পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্মের পর থেকেই দেশটি তার দুর্বলতা ও নিরাপত্তা সংকটের মধ্যে ইসলামপন্থি জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোকে ব্যবহার করা শুরু করে। সময়ের সাথে সাথে পাকিস্তান সেটিকে একটি দীর্ঘমেয়াদি "গ্র্যান্ড স্ট্র্যাটেজিতে" পরিণত করে। এখানে জিহাদ সেই স্ট্র্যাটেজি বা কৌশলের আদর্শিক ভিত্তি, আর জঙ্গিবাদ রাজনৈতিক ও সামরিক হাতিয়ার। এর মাধ্যমে পাকিস্তান একদিকে জাতীয় ঐক্য ও রাজনৈতিক সংহতি জোরদার করেছে, অন্যদিকে ভারতের তুলনায় তার সামরিক দুর্বলতা মোকাবিলা করেছে। জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোকে ব্যবহার করে পাকিস্তান কাশ্মীরে ভারতের নিয়ন্ত্রণকে চ্যালেঞ্জ করেছে এবং আফগানিস্তানে সামরিক হস্তক্ষেপ ছাড়াই নিজেদের লক্ষ্য পুরণ করেছে।
কাপুরের-এর বিশ্লেষণের আরেকটি উল্লেখযোগ্য বিষয় এর "জিহাদ প্যারাডক্স" ধারনাটি। যে জঙ্গিবাদ একসময় নিরাপত্তা ও ভূরাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় ব্যবহার হয়, সময়ের সাথে সাথে সেই জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো এতটা শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে রাষ্ট্র তাদের নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা হারাতে শুরু করে। পাকিস্তান যে শক্তিকে নিজের কৌশলগত স্বার্থে ব্যবহার করেছিল, একসময় সেই শক্তিই পাকিস্তানের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কৌতূহলোদ্দীপক বিষয় হলো, কাপুরের আলোচনায় পাকিস্তানের জঙ্গিবাদের সাথে আমেরিকার ভূমিকার বিশদ আলোচনা নেই। অথচ গত কয়েক দশকের ইতিহাসে জঙ্গিবাদ ও সশস্ত্র ইসলামপন্থি গোষ্ঠীগুলোর বিকাশে আমেরিকার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভূমিকা আছে। আফগানিস্তানে সোভিয়েতবিরোধী মুজাহিদিনদের প্রতি মার্কিন সহায়তা তার গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। পরবর্তী সময়ে ইরাক ও সিরিয়ার সংঘাতেও বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে আমেরিকা পৃষ্ঠপোষকতা করেছে।
আমেরিকা তার সাম্রাজ্যবাদী স্বার্থ রক্ষার প্রয়োজনে বরাবরই নিজের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। দুর্বল বা অনুন্নত রাষ্ট্রে গণতন্ত্রকে তারা সন্দেহের চোখে দেখেছে এবং তার স্বার্থের পরিপন্থী বলে বিবেচনা করেছে। এসব দেশে তাদের পছন্দ সামরিক ও কর্তৃত্ববাদী শাসন। সোভিয়েতবিরোধী আফগান যুদ্ধে আমেরিকার ভূমিকা দেখিয়েছিল যে, নির্দিষ্ট ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইসলামপন্থি সশস্ত্র শক্তিকেও তারা সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে এবং ব্যবহার করে।
এই দৃষ্টিভঙ্গির গভীরে আছে ঔপনিবেশিক ও সাম্রাজ্যবাদী রাজনৈতিক সংস্কৃতির উত্তরাধিকার। যেখানে উপনিবেশিত জনগণকে সমান রাজনৈতিক ও মানবিক মর্যাদার অধিকারী নাগরিক হিসেবে না দেখে শাসন, নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহারের বস্তু হিসেবে দেখা হয়। বর্ণগত শ্রেণিবিন্যাস, আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ এবং রাজনৈতিক অধিকার সীমিত রেখে শক্তি প্রয়োগের এই শাসন-পদ্ধতি ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ছিল।
এখানে পাকিস্তানি লেখক তারিক আলীর "মৌলবাদের সংঘাত: ক্রুসেড, জিহাদ ও আধুনিকতা" বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক।
আলী লিখেছেন, "সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সাথে সাথে কোল্ড ওয়ারের অবসান ঘটে, বিভিন্ন মহাদেশে কিছু রাষ্ট্র অভিভাবক শুণ্য হয়ে যায়। পাকিস্তানে এর প্রভাব ছিল প্রলয়ংকরী। মৌলবাদী গোষ্ঠীগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য পূরণে অনেক ভূমিকা রেখেছে। এটা বিস্ময়কর নয় যে, কাজ শেষ হবার পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের জন্য আর অর্থ এবং অস্ত্র সরবরাহ করার প্রয়োজন বোধ করলো না। এর ফলে মৌলবাদী গোষ্ঠীগুলো রাতারাতি মার্কিন-বিরোধী সহিংস ভূমিকায় নামে এবং প্রতিশোধের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। ১৯৫১ সাল থেকে পাকিস্তানের যে রাজনৈতিক ও সামরিক নেতারা একনাগাড়ে বিশ্বস্ততার সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেবা করেছেন তারাও ওয়াশিংটনের উপেক্ষায় অপমানিত বোধ করলেন। একজন অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল আমার বোঝার সুবিধার জন্য সংক্ষেপে বললেন: আফগানিস্তানে প্রবেশের জন্য পাকিস্তান ছিল আমেরিকানদের ব্যবহৃত কনডম। আমরা তাদের উদ্দেশ্য পূরণ করার পর তারা আমাদেরকে টয়লেটে ফ্লাশ করার জিনিস মনে করে।"
পাকিস্তানের পথ ধরে বাংলাদেশও কি একই ধরনের ভূরাজনৈতিক খেলায় বড় শক্তিগুলোর ব্যবহৃত আবর্জনায় পরিণত হওয়ার পথে হাঁটছে? কে এই সম্ভাবনা থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করবে?
সংযুক্তি: গত দুই বছরের কয়েকটি খবর যুক্ত করলাম।
১। জুলাই - আগস্ট ২০২৪: কারাগার ভাঙা ও জঙ্গিদের মুক্তি:
জুলাই অভ্যুত্থানের সময় দেশের একাধিক কারাগারে হামলা ও বন্দি পালানোর ঘটনা ঘটে। নরসিংদী কারাগার থেকে ৮২৬ জন বন্দি পালিয়ে যায়; তাদের মধ্যে নয়জন ছিল জেএমবি ও আনসারউল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য। দেশজুড়ে দুই হাজারের বেশি বন্দি পালিয়ে যায়। পরে কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, পালিয়ে যাওয়া বন্দিদের মধ্যে ৭০ জন জঙ্গি ছিল।
২। ৫ আগস্ট ২০২৪-এর পর - উগ্রপন্থিদের জামিনে মুক্তি:
ক্ষমতার পরিবর্তনের পর উগ্রপন্থিদের একটি অংশ জামিনে মুক্তি পেতে শুরু করে। ২০২১–২০২৫ সালের মধ্যে জামিনে মুক্ত হওয়া উগ্রপন্থিদের মধ্যে ৩৮০ জন ৫ আগস্ট ২০২৪-এর পর মুক্তি পেয়েছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এদের মধ্যে জেএমবি, আনসার আল ইসলাম, হুজিবি ও নব্য জেএমবির সদস্যদের নাম এসেছে।
৩। জানুয়ারি ২০২৫ - তুরস্কের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা:
বাংলাদেশ ও তুরস্ক প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা, প্রযুক্তি বিনিয়োগ এবং যৌথভাবে সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করে। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস তুরস্ককে বাংলাদেশে প্রযুক্তি নিয়ে আসা ও প্রতিরক্ষা শিল্পে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
৪। অক্টোবর ২০২৫ - পাকিস্তানের সঙ্গে সামরিক সম্পর্কের নতুন ঘনিষ্ঠতা:
পাকিস্তানের জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ কমিটি এর চেয়ারম্যান জেনারেল সাহির শামশাদ মির্জা ঢাকা সফর করেন। বাংলাদেশের তিন বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে বৈঠকে সামরিক প্রশিক্ষণ, যৌথ মহড়া, সন্ত্রাস দমন ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয় আলোচনা হয়।
৫। ২০২৫ - পাকিস্তানের নৌবাহিনী প্রধানের বাংলাদেশ সফর:
পাকিস্তানের নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল নাভিদ আশরাফ বাংলাদেশ সফর করেন। ১৯৭১ সালের পর কোনো পাকিস্তানি নৌবাহিনী প্রধানের এটি ছিল প্রথম বাংলাদেশ সফর। আলোচনার কেন্দ্রে ছিল প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি।
৬। জুন ২০২৬ - সামরিক ইউনিটের ধর্মীয় নামকরণ:
নতুন "২য় বাংলাদেশ ব্যাটালিয়ন" -এর চারটি কোম্পানির নাম আবু বকর, উমর, উসমান ও আলীর নামে রাখার খবর প্রকাশিত হয়।
৭। আগস্ট ২০২৬ - জঙ্গিদের একটি অংশ এখনও পলাতক:
২০২৪ সালের কারাগার ভাঙার দুই বছর পরও ২,২৪৭ জন পলাতক বন্দির মধ্যে ৬৯০ জনকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জঙ্গিদের মধ্যেও কয়েকজন তখনও পলাতক ছিল। একই সময়ে কিছু মুক্তিপ্রাপ্ত সন্দেহভাজন জঙ্গি পুরোনো নেটওয়ার্ক পুনরায় সক্রিয় করার চেষ্টা করছে বলেও আশঙ্কা প্রকাশিত হয়।
৮। আগস্ট ২০২৬ - সেনাবাহিনীতে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বিস্তার:
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান "আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট" উদ্বোধন করেন। তিনি আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে ইসলামী মূল্যবোধের সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। সেনাবাহিনীর বিভিন্ন স্থানে এর শাখা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগও নেওয়া হয়।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




