somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অন্ধের দেশে আয়না বিক্রি।

৩০ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৩:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


একটু নড়েচড়ে বসুন। আপনাদের মগজে একটু শান দিতে চাই। যদি মগজ খুলে! সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন দুইটা জাতির মারামারি চলতাছে। বিষয়বস্তু ধরে ফেলছেন আশা করি এতক্ষণে। লঞ্চডুবির ১৩ ঘণ্টা পর কেউ বেঁচে ফিরতে পারেনা এই বিষয় নিয়ে একদল মারাত্মক নিশ্চিত। অর্থাৎ 'রানা প্লাজা' দুর্ঘটনায় কয়েক সপ্তাহ পরে পাওয়া রেশমার মতো এটাও একটা নাটক। এটা একটা ঐতিহ্যে পরিণত হইছে।

আরেক দল 'রাখে আল্লাহ মারে কে' টাইপ। প্রিন্ট বা মেইন স্ট্রিম মিডিয়াতেও যখন বলে / লেখে, অলৌকিক ভাবে ফিরে আসলেন অমুক লোক, তখন মনে চায় গাণ্ডু বইলা দুইডা গালি দেই। একটুতো জার্নালিজমের এথিকস ফলো কর!

লঞ্চ বা জাহাজ ডুবির পরে বা অন্য কোনো ভাবে পানির নিচে আটকে পড়ে এতো দির্ঘ সময় পর বেঁচে ফেরার এটাই প্রথম রেকর্ড নয়। এর আগেও এমন ঘটনা ঘটছে। জাহাজ ডুবির পরে পানির নিচে একটা এয়ার বাবলের মধ্যে আটকে ৬০ ঘন্টার বেশি সময় সার্ভাইভ করছে হ্যারিসন অকেনে। আপনার অক্সিজেন এবং তাপমাত্রা সহনীয় পর্যায় থাকলে জাহান্নামে গিয়াও বাঁচতে পারেন। এইখানে তো একটা জাহাজ মাত্র। জাহাজ উল্টাইয়া যাওয়ার সময় ভদ্রলোক ছিলো শিপের ওয়াশরুমে। একদম ১৮০ ডিগ্রি এঙ্গেলে উলটানোর কারনে রুমের মধ্যে থাকা অক্সিজেন বের হইতে পারে নাই। তাই সে সার্ভাইভ করতে পারছে। নাইজেরিয়ান এই ভদ্রলোক UK News-এর সাক্ষাৎকারে যা বলছিলো,
“All around me was just black and noisy. I was crying and calling on Jesus to rescue me, I prayed so hard. I was so hungry and thirsty and cold and I was just praying to see some kind of light.”


এরপরে আসেন থাইল্যান্ডের 'থাম লুয়াং' গুহায়। যার মধ্যে ১৩ আটকে পড়েছিলো ২০১৮ সালে। বৃষ্টির পানিতে পুরা গুহা ভরে গেলেও ১৮ দিন তারা বেঁচে ছিলো। কেমনে? এতো পানির চাপে তো ছাতু হওয়ার কথা ছিলো। এইখানেও এয়ার বাবল সাহায্য করছে। কিন্তু কথা ছিলো বৃষ্টির পানি পুরো সরে না গেলে তাদের বাইরে আনবে না। আনাটা হাইলি রিস্কি।কিন্তু এয়ার বাবলে অক্সিজেনের পরিমান কমে এসেছিলো। ১৮% এর নিচে নামায় তাদের তখনই একটা ডাইভিং অপারেশন করে আনা হয়।


চাইলে একটা মুভি দেখতে পারেন। The Poseidon. এইরকম এয়ার বাবলে তারাও কয়েক ঘণ্টা বাইচা আছিলো।

তো এইবার আশাকরি বুঝতে পারছেন, শ্যামবাজার ঘাটে ১৩ ঘন্টা পানির নিচে থাকার পরেও সেইম ওয়েতে একজন বাঁচতে পারে।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৩:৩৯
২৪টি মন্তব্য ১৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাটির চুলা

লিখেছেন সোহানাজোহা, ০৫ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৩:৩১


ছবি কথা বলে: আজ হাটবার আপনে দেড়ি না করে বাজারে যান গা, নাতি নাতনি ছেলে বউ শহরের বাসায় নদীর মাছ খায় কিনা আল্লাহ মাবুদ জানে! (মাটিরে চুলাতে দাদীজান পিঠা ভাজছেন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

উত্তর মেরুতে নিশি রাতে সূর্য দর্শন - পর্ব ৪

লিখেছেন জোবাইর, ০৫ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০১

বিভিন্ন ঋতুতে ল্যাপল্যান্ড: শীত, বসন্ত, গ্রীষ্ম ও শরৎ

রেন্ট-এ-কার' কোম্পানীর সেই মেয়েটি কুশলাদি জিজ্ঞাসা করে আগে থেকেই পূরন করা একটা ফরমে আমার দস্তখত নিয়ে কিরুনা স্টেশনের পাশের পার্কিং এরিয়াতে নিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নন্দের নন্দদুলাল : স্বপ্ন রথে

লিখেছেন বিদ্রোহী ভৃগু, ০৫ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৬

স্বপ্নের অশ্বারোহী
দূরন্ত ইচ্ছেতে ঘুরে বেড়াই, নন্দ কাননে
তাম্রলিপি থেকে অহিছত্র
পুন্ড্রবর্ধন থেকে উজ্জয়িনী, স্বপ্ন সময়ের নন্দদুলাল।

আমাদের শেকড়
বাংলার আদি সাম্রাজ্যে যেন
পতপত ওড়ে পতাকা সবুজ-লাল,
মিলেনিয়াম নন্দ ডাইনাস্টির স্বপ্ন সারথীর স্বপ্নরথে

মানচিত্র: নন্দ... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রিয় শিল্পীর কিছু গজল

লিখেছেন মিরোরডডল , ০৫ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪০

যদিও জগজিৎ সিং আমার সবচেয়ে প্রিয়, পাশাপাশি অনুপের গজলও খুব শোনা হয় ।
প্রিয় শিল্পী অনুপ জলোটার সেরা পাঁচ । গভীর অনুভূতির কিছু গজল ।


Dil hi nahin to dil ke, saharon... ...বাকিটুকু পড়ুন

ট্রাম্প শুধুমাত্র বর্ণবাদকে কাজে লাগিয়ে জয়ী হতে চায়।

লিখেছেন চাঁদগাজী, ০৫ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১০:০৩



সভ্যতার এই যুগে, আমেরিকা হচ্ছে সবচেয়ে কম বর্ণবাদের দেশ; অষ্ট্রেলিয়া এই মহুর্তে সবচেয়ে বেশী বর্ণবাদের দেশ। আমেরিকার গত ভোটে বর্ণবাদীরা ট্রাম্পের পক্ষে ছিলো, ওরাই ট্রাম্পের হয়ে মানুষের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×