somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রাত জাগা একবছরী স্মৃতি!

০১ লা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একটা বছর হঠাত করেই অতীত হয়ে যাবে, নতুন একটা বছর আরো ৩৬৫ টা সুর্যোদয়ের আশ্বাস নিয়ে হাজির হবে। গত-আগতের এই খেলাকে ঘিরে কত আয়োজন! দেখতে ভালোই লাগে; চারপাশের উত্তেজনা, কিংবা নিরুত্তাপ থাকা নিয়ে দোটানা!

বছরকে নির্দিষ্ট একটা সময়ের দেয়ালে আটকে ফেলে কী হয়? কিছুই হয় না। আমার দিন তো ৩৬৫, ৩৬৬, ৩৬৭... এভাবে চলতেই থাকে। সবগুলো দিনই ভিন্ন কিংবা খুব বেশি রকম একই, একঘেয়ে। বছরকে ঘিরে তারা নতুনভাবে সাজে না। দিন তো আর বছরের হিসাব রাখে না! দিন দিনের মতোই চলে। আর এই একটা একটা দিনের চলে যাওয়া কিংবা একটু আধটু থমকে যাওয়া নিয়েই তো জীবন। তবে প্রতিটা দিনের এই একইভাবে চলে যাওয়া সবার ভালো লাগবে কেন? নতুন কোন উপায়, উদযাপনের মাধ্যমে দুই একটা দিন আলাদা করে নেয়া জরুরি হয়ে পড়ে। তখন সবাই স্মরণ করে বিশেষ বিশেষ দিনগুলোকে; খারাপ থেকে ভালো, ভালো থেকে আরো ভালো থাকার প্রত্যাশা নিয়ে। আর কিছু না।

তাছাড়া একটু সামনে এগিয়ে গিয়ে পিছনের ফেলে আসা সময়টাকে একবারের জন্য দেখে নেয়ার ব্যাপারটা খারাপ না। কিছু স্মৃতি একসাথ করে নেড়েচেড়ে দেখার সময়টাই আমরা কখন পাই? এই ব্যাপারটাই কখনো করা হয় নাই। প্রয়োজন হয় নাই। এবারই প্রথম কিছু স্মৃতি স্পর্শ করে দেখতে ইচ্ছা হচ্ছে। অতি প্রিয় এবং কাছের একজন মানুষ, যাকে কখনো চোখের সামনে দেখা হয় নাই তাকে হারানোর স্মৃতি। যাকে কোন এক জগতে খুঁজে পেলে জিজ্ঞেস করতাম, এত সুন্দর করে কীভাবে লিখেন? মগজ দিয়ে লেখা যায় জানি, হৃদয় দিয়ে লিখতে শিখাবেন একটু? মগজ দিয়ে তো আর হৃদয় স্পর্শ করা যায় না। হৃদয়ের কথা হৃদয় দিয়েই শুনতে হয়। কীভাবে শুনতেন? বলবেন না!?

এরপর অনেকটা সামনে এগিয়ে এসে আরো কিছু স্মৃতি স্পর্শ করে দেখতাম সভয়-কৌতূহলে! এই স্মৃতি গোছানো জীবন এলোমেলো করা স্মৃতি, নাকি এলোমেলো জীবনকে গুছিয়ে আনা স্মৃতি, সেটা বুঝার জন্য থার্ড রেফারেন্স হিসেবে কারো মতামত পেলে ভালো হতো। তার আর দরকার নাই। আমিই ফার্স্ট থেকে থার্ড রেফারার হিসেবে সব দেখে যাই। আমি জীবন দেখি। জীবনের ভাঙা দেখি, গড়া দেখি। এক সময় ক্লান্ত হই, ঘুমিয়ে পড়ি। আজ আমি ঘুমাবো। বছরপারী দীর্ঘ সে নিদ্রা। ২০১২ সালে চোখ বন্ধ করবো, ২০১৩ সালে খুলবো। জহির রায়হানের হাজার বছরের পুরনো সেই রাতের মতোই একটা রাত বাড়ছে। হাজারো স্মৃতির ভারে নেমে আসছে পুরনো সেই ঘুম...!
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রিলেশনশিপ

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ১৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:২৩

রিলেশনশিপ
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

কোনো রমণীর সাথে রিলেশনশিপে
জড়াইনি বলে প্রতিদিন-ই শুনতে হয়
উপহাস, ঠাট্টা, বিদ্রূপ, পরিহাস, তাচ্ছিল্য
ও ব্যঙ্গ কতো কথা, খুব খারাপ লাগে
সারাদিন তা কানে খালি বাজে
পালাতে ইচ্ছে করে বিমর্ষ, লাজে!

বয়স হয়ে গেছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

'তুমি আমাকে এটা কোন ধরনের হোটেলে নিয়ে এলে?'

লিখেছেন এমএলজি, ১৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ১:২৮

এ লেখাটি ম্যাচিউর পাঠকদের জন্য। সে কারণে reader discretion is advised, অর্থাৎ, অস্বস্তি লাগলে পড়বেন না।

ব্যবসায়িক কাজে চায়না গেলেন হাজি মামুন (ছদ্মনাম)।

পঞ্চাশোর্ধ বয়সের সংসারী মানুষ তিনি। ঘরে পরহেজগার... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের শাহেদ জামাল- ৯৮

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৯ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:২২



আজ শুক্রবার। শুক্রবার মুসলমানদের জন্য বিশেষ একটি দিন।
আজ বাংলা আষাঢ় মাসের ৫ তারিখ। যদিও বর্ষাকাল। আজ আকাশে মেঘ নেই। বরং রোদ উঠেছে। রোদের তাপ ভালোই। শাহেদ পথে বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইউরোপের সবচেয়ে বড় ফিনটেঁক কোম্পানী রিপাবলিক ইউরোপকে ছেড়ে দেওয়ার সত্য ঘটনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৩

বাংলাদেশের আইটি ফার্মগুলোর মাঝে আমার ফার্মই তাঁর ইঞ্জিনিয়রাদের সবচেয়ে বেশি বেতন দিতো। আমার সিনিয়র রুবি অন রেইলস ব্যাকএন্ড ডেভেলপার ছিলো রিফাত। বয়স ৩০, সেই বয়সেই সে মাসে পেতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে এসো পূর্ণিমায়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:৫৫



তুমি ছাড়া ভালো লাগে না পূর্ণিমা চাঁদ, তুমি লুকিয়ে চন্দ্রিমার হলুদ বর্ণে। মায়াবী জোছনা মাখা রাত সবই যেন নিস্ফল, মন যেন হারিয়েছে আঁধারে সব সময় কাঁদে। চারিদিকে যেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×