নদীমধ্যে গুরুসঙ্গ : আ জার্নি বাই বোট
1 .
পরিবৃত চামচা অবস্থায়
গুরুর দুইটি দিন নদীমধ্যে যায়
কী খান কী খান না গুরু ভাবিয়া তৎপর
লঘিষ্ঠ মহর্ষিবৃন্দ স্ফারিত-অন্তর
নদীমধ্যে হাঁটুজল তাহে ডিংগা জাহাজসমান
ভাসে না তো উড়ে চলে চলে নান্হা আহার্যসন্ধান
কিছুই খান না গুরু নিতান্তই বায়ুভূক তিনি
কোনো কৌতূহল নেই শুধু
সঙ্গে দুই আচানক নারীবাদনন্দিনী
জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে সদাই নিয়ত ব্যস্ত, গুরুর আবেশে
গাছের সৌন্দর্য দ্যাখে মাছের সৌন্দর্য দ্যাখে
দেখে রাখে আলুর সুষমা--
নানা কথা জানতে গিয়ে জানা কথা জেনে ফ্যালে
শিখে ফ্যালে কেন তপ্ত হয়ে যায় বালু
তখন ছন্দের তরে (ছন্দ মানে অন্ত্যমিল) গলুইয়ে ছন্দুকবাজ
হাঁক মারে : 'খালু!'
খালাসি লস্কর আর গুরুর চামুণ্ডেবর্গ একযোগে মাথা নাড়ে :
'চালু! চালু!! চালু!!!'
ফলে নৌকা পানি পায় সাড়ে সাড়ে চৌতিরিশ হাজার
এবং পাঁচশো আর
ভবিতব্য খটখটে শান্তিপারাবার, এ ভবতরণীপারে
কে না জানে শ্যাষকালে নারীরা উদ্ধার। তাই
আমাদের নারীশক্তি, মাত্র দুই, আঁকা হয় বাঁকা হয়
বেঁকে যেতে যেতে সোজা হয়
মহাশূন্যে ধাক্কা মারে (নারীবাদী উষ্মাহেতু)
ততঃপর বজ্রকণ্ঠে 'নারীমুক্তি!' কয়
প্রটোকল ভঙ্গ করে নাব্য গুরু চমকে ওঠে : 'এগুলা কী হয়!'
দেখিয়া বিশ্বের লাগে বিষম বিস্ময়
জয় গুরু মেঘে-পাওয়া-রবিন-ঠাকুর কি বলো জয়!
।। ইতি যাত্রাপর্ব ।।
ভোরের কাগজ, 8/2/1997
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ১২:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



