নদীমধ্যে গুরুসঙ্গ : আ জার্নি বাই বোট (2)
[গুরুসনে নারীবাদীদের বিশ্রম্ভলাপ। সময় অপরাহ্ন। গুরুডেকচেয়ারে সমাসীন। গুরুর চোখ তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বন্ধ হয়ে রয়েছেন। কিন্তু কান খোলা। বস্তুত গুরুর অঙ্গ (এবং প্রত্যঙ্গ) সমূহ স্বাধীন ও সার্বভৌম।]
কেবলই অবাক হয়ে, বিস্ময়ে বেবাক হয়ে
ভাষাহীনা একজন বিদেশী ভাষায়
গুরুকে দেখতে থাকে, ফাঁকে ফাঁকে,
আর বলে, 'তলে তলে, এ ভবমণ্ডলে কত আশ্চর্য রয়েছে গুরু
মনে মনে ভাবি!
মনের চাঞ্চল্য দেখে নিরুত্তেজ দেহ যদি
যদি গুরু গুরুতর প্রাপ্য করে দাবি?
গুরু চোখ খুলতে চান :
'না চাইতে পারিস যদি চাওয়া মাত্র পাবি।
আমারই রয়েছে সেই
সকল তালার তরে একটি মাত্র চাবি।'
'গুরু আমি দিবানিশি নিতুই অভাবী।'
গুরু শূন্যে হাত বাড়ান : 'আয় তোরা পাড়ে কে কে যাবি।'
গুরুর আহ্বান শুনে নারীভাগে হিক্কা জাগে
নৌকা ঠেলে কূলে ওঠে
ভক্তে খায় খাবি।
পাশেই কাশের বন, ঘাস কাটে গরুচোরা
জলের পুলিশ চায় চাঁদা
গুরুচক্ষু খুলে যায় পুলিশের আগমনে
গুরু দেন তৎক্ষণাত ইনস্ট্যান্ট ধাঁধা :
'যেই চোরা ঘাস কাটে যে পুলিশে খায়
কে কার বান্ধব তবে কে কারে বাঁচায়?'
গুরুর ধাঁধায় বাঁধা পড়ে আছে সেই থেকে পুলিশ আর চোর
তথৈবচ অব্যবস্থা পাঠক লেখক ঘাস এবং গরুর।
[ইটালিক]।। ইতি প্রথম বৈকাল ।। [/ইটালিক]
[ইটালিক] ভোরের কাগজ, 1/5/1998 [/ইটালিক]
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ১:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


