somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অভিজিত কার স্বার্থে বলির পাঠা হলো??? অভিজিতের উপর হামলার সময় পুলিশ পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল : অভিজিতের স্ত্রী বন্যা

১০ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ১১:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
হামলার সময় পুলিশ পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল : অভিজিতের স্ত্রী বন্যা



‘যখন আমি এবং অভিজিৎ নৃশংসভাবে আক্রান্ত হয়েছিলাম, তখন ঘটনাস্থলের খুব কাছেই দাঁড়িয়ে ছিল পুলিশ। কিন্তু তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।’ –এভাবেই বর্ণনা দিলেন নিহত লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায়ের স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যা।
অভিজিৎ রায়কে হত্যা ও বন্যা গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় আজ মঙ্গলবারেএকটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে নিউইয়র্কভিত্তিক সংগঠন সেন্টার ফর ইনকোয়ারি (সিএফআই)। অলাভজনক এ সংগঠনটির কাছে নিজের বক্তব্য তুলে ধরে একটি বিবৃতি দিয়েছেন বন্যা। সংগঠনটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই বিবৃতিটি অভিজিতের পরিবার প্রকাশ করতে বলেছে।
বিবৃতিতে বন্যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ঐতিহাসিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের তীর্থক্ষেত্র উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘অভিজিৎ এখানেই বেড়ে উঠেছে। হত্যার হুমকি থাকার পরও আমরা কোনোদিন ভাবতে পারিনি এই জায়গায় এমন ঘটনা ঘটবে।’
এই হামলাকে কেবল একজন ব্যক্তিই নয়, বরং মুক্তভাবে কথা বলা ও মানবতার ওপর হামলা বলে অভিহিত করেছেন বন্যা।তিনি বলেন, ‘বিজ্ঞান, যুক্তিবাদ ও ধর্মীয় মৌলবাদ নিয়ে লেখার কারণেই অভিজিৎ ও আমার ওপর হামলা হয়।’
বন্যা আরো বলেন, ‘আমি মনে করি না, শুধু হত্যাকারীকে ধরাই যথেষ্ট হবে। আমি সন্ত্রাসবাদকে মোকাবিলা করা এবং দায়মুক্তির আইনি কাঠামো, যে কাঠামোয় লেখককে হত্যা করার জন্য বিচারের মুখোমুখি হতে হয় না, তা বন্ধ করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’
বেসরকারি সংগঠন ‘সেন্টার ফর ইনকোয়ারির’ সংবাদবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় বন্যা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন।
ফেব্রুয়ারির ২৬ তারিখ বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে বইমেলা থেকে ফেরার পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় একদল দুর্বৃত্ত কুপিয়ে হত্যা করে অভিজিৎ রায়কে। তিনি মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক ড. অজয় রায়ের ছেলে।
অভিজিৎ রায়ের স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যাকেও গুরুতর জখম করে দুর্বৃত্তরা। গুরুতর আহত বন্যাকে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়।উৎসঃ এনটিভি
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ১১:৪৫
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একটি মুমূর্ষু কবিতা

লিখেছেন সালমান মাহফুজ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:১১



আমি আর কবিতা লিখব না বলেও
লিখে ফেলি একটি মুমূর্ষু কবিতা–
জন্ম নেয়ার আগেই যারা অবিরাম
মৃত্যুযন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে, লাথি মারছে
পদ্যের চিরায়ত চোয়ালে !
পঙক্তিতে পঙক্তিতে পথ হেঁটে
প্রচণ্ড পিপাসায় আমি পান করি
কবিতার স্নিগ্ধ জল; আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম হিসেবে গর্ব করার কিছু নেই......

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আমরা যারা আপাত দৃষ্টিতে হায়েনা নই কিন্তু নিরবে স্বচক্ষে হিন্দুদের সর্বনাশ দেখে যাচ্ছি তারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ বাংলার হিন্দু, বাংলার খ্রীষ্টান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান, আমরা সবাই বাঙ্গালী-এই বৈষম্যহীনতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অল্প একটু পাশে থেকো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১০



আমাকে খুব বেশি কিছু দিতে হবে না,
এক মুঠো আকাশও নয়,
আচেনা কোনো বিকেলও নয়।

শুধু কখনো কখনো
আমার নির্জন ঘরের দরজায়
টোকা দিয়ে দাঁড়িয়ো, যেন বুঝতে পারি
ফুরিয়ে যাবার বেলা এখনো আসেনি ।

আমাকে প্রতিদিন মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ এসেছে শরৎ

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৩১



শরৎ-প্রাতে শিউলি ঝরা ক্ষণে
দিবাকর ছড়ায় হাসি।
দিঘির জলে রক্তিম পদ্ম
ফুটেছে রাশি রাশি।

ছাতিম গাছের নিভৃত নির্জনে
সবুজ পাতার ঘ্রাণ।
সুখ আহ্লাদে ডাকছে নিসর্গ
উচাটন মন প্রাণ। 

স্নিগ্ধ  বাতাস দোলা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাইনকা চিপা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৬


এখন পর্যন্ত জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে ঢাকা ছেড়ে বাড়িতে চলে আসা। যে সময়ে শ্রেণীকক্ষে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান করার কথা, সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×