somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন শিল্প এবং রাশেদ খান মেনন

০৭ ই জুন, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



মানুষ পাথর নয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চিন্তা ও তৎপরতায় মানুষ নিজেকে বদলে নেয়। এটাই একটা বন্য পশুর সঙ্গে একজন সভ্য মানুষের পার্থক্য।

বছরের পর বছর বিমানের দুর্নীতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও অনিয়ম দুর্নীতি কমেছে এমন কথা শোনা যায়নি। বিমানে খাবারদাবার সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে সিন্ডিকেট। লোক নিয়োগ নিয়ন্ত্রণ করে সিন্ডিকেট। জ্বালানি তেল পাচার করে দিচ্ছে সিন্ডিকেট। অসাধু সিন্ডিকেটগুলোয় পাইলট, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কর্মচারী, সিবিএ নেতা, সিভিল এভিয়েশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জড়িত। সহজ সরল সত্সিয হলো- সিন্ডিকেটের প্রতিটি সদস্য প্রভাবশালী হওয়ায় কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায় না।

রেটিং করার অনলাইনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘স্কাইট্র্যাকস' গত বছরের আগস্টে তাদের প্রতিবেদনে বিমান বাংলাদেশ এয়াললাইন্সকে বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ এয়ারলাইন্স হিসেবে চিহ্নিত করেছে। বাংলাদেশ থেকে প্রতিদিন ১৪ থেকে ১৫ হাজার যাত্রী ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়েন। প্রায় একই সংখ্যক যাত্রী দেশে প্রবেশ করেন। অনেকে বলেন, জন্মের পর থেকে বিমান সোজা হয়ে কখনো দাঁড়াতে পারেনি। অনিয়ম-দুর্নীতি-চুরির খনি হিসেবে পরিচিত পেয়েছে বাংলাদেশ বিমান। বিমানে যত রকমের কেনাকাটা হয়, সব কিছুতেই পুকুর বা সাগর চুরির ঘটনা ঘটে। এক সময় প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দারের ইচ্ছেয় চলত বিমান।

পর্যটনশিল্প বিকাশের সম্ভাবনার মধ্যে আমরা হিমালয় সমান সমস্যা নিয়ে বসে আছি। সত্যিকার অর্থে এই খাতকে কাজে লাগানো লেগে রাতারাতি দেশের অবস্থা বদলে যেত। আমাদের কাছাকাছি দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোটদেশ সিঙ্গাপুর। অথচ এর জাতীয় আয়ের ৭০ ভাগ আসে পর্যটন শিল্প থেকে। একইভাবে নেপাল অর্জন করে ৪০ ভাগ। তাহলে আমরা কেন পারছি না? সত্যি কথা বলতে- দশ বছর আগে কক্সবাজার বা সিলেট অথবা বান্দরবান গেলে যে সব সমস্যা হতো আজও তো সেই সব সমস্যা আছে। তাহলে এই মন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহনের পর কি করলেন?

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন- রাশেদ খান মেনন। মুক্তিযুদ্ধে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ঢাকা শহরের বাংলা মোটর থেকে মগবাজার মোড় পর্যন্ত সড়কের নামকরণ করা হয়েছে "রাশেদ খান মেনন সড়ক"। ষাটের দশকের তুখোর ছাত্রনেতা তিনি। ১৯৯২-এর ১৭ আগস্ট নিজ পার্টি কার্যালয়ের সামনে গুলিবিদ্ধ করে তাকে হত্যার চেষ্টা হয়। প্রথমে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল ও পরে লন্ডনে কিংস কলেজে দু’বার অস্ত্রোপচার হলে তিনি জীবনে বেঁচে যান। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি ঢাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি রাজনৈতিক বিভিন্ন সভা, সম্মেলন ও সেমিনার উপলক্ষ্যে ভারত, নেপাল, গণচীন, কিউবা, উত্তর কোরিয়া, জাপান, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, আলজেরিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইউরোপের জার্মানী, বেলজিয়াম, হল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ, ফ্রান্স, বুলগেরিয়া ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ভ্রমণ করেন। বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি। চারটি বই তিনি লিখেছেন।

মেনন সাহেব বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে যান। সুন্দর সুন্দর কথা বলেন। পত্র-পত্রিকায় দেখি, কত কিছু উদ্বোধন করেন, নানান রকম অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হোন। সংসদেও অনেক উন্নয়নের কথা বলেন। সত্যিকার অর্থে বিমান এবং পর্যটন শিল্পের কি কি উন্নয়ন ঘটেছে কেউ আমাকে বলবেন কি? প্লীজ বলুন। আমার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিন- মেনন সাহেব ক্ষমতা নেওয়ার পর কি কি উন্নয়ন গুলো বিমান ও পর্যটন শিল্পে হয়েছে।

(বিঃ দ্রঃ এরপর খাদ্য মন্ত্রীর পালা। আমার সাথেই থাকুন। ব্লগ পড়ুন আপনার সুচিন্তিত মতামত দিন।)
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জুন, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩৫
৭টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ফিল সিমন্স একটি নাম একটি ইতিহাস

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:১৮



"ফিল সিমন্স একটি নাম একটি ইতিহাস"

একটা সময় ছিল, যখন বাংলাদেশ ক্রিকেটে "কোচ" শব্দটা মানেই ছিল ঝড়!

রাসেল ডোমিঙ্গো, হাথুরুসিংহে-
Phil Simmons (2024–present)
Chandika Hathurusingha (2014–2017, 2023–2024)
Russell Domingo (2019–2022)
Steve Rhodes... ...বাকিটুকু পড়ুন

জন্মদিনে তাহাদের জন্য শুভকামনা। আমার জন্মদিনের স্মৃতি...

লিখেছেন করুণাধারা, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৫৬



একেকটা জন্মদিন পার করা মানে জীবন বইয়ের একেকটা পৃষ্ঠা পড়ে ফেলা, কয়েক বছর পরপর সেই বইয়ের একেক অধ্যায় শেষ হয়! বইটা ট্রাজেডি না কমেডি, একেবারে শেষ পর্যন্ত না পৌঁছালে তা... ...বাকিটুকু পড়ুন

নির্ভীক অভিযাত্রা

লিখেছেন আকিব হাসান জাভেদ, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৩

আমি চলি ঐ প্রান্তে,
যেখানে অসৎ থেকে মানুষ হয়েছে সৎ।
আমি চলি উড়ে উড়ে,
ডানাহীন পাখির মতো,
যেখানে দুর্বলতাকে জয় করে
হয়েছে দুঃসাহস।
আমি চলি শক্তির সাথে,
দেহ যায় না ঝুঁকে।
করি না প্রণাম,
করি না চাটুকারিতা আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

চুপ - একদম চুপ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭



আমরা শুধু চুপ থাকবো -
আমাদের কথা বলার মুখ নেই
আমাদের দেখার মতো চোখ নেই
আমাদের শোনার মতো কান নেই
মনে হয়, মনে হয় -
আমাদের হাত-পাও নেই।

আমাদের বিবেক নেই
আমাদের চিন্তা-চেতনাও নেই
আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

হিজিবিজি নদী চলে মন উদাসের দেশে !

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:০২





হিজিবিজি নদী চলে মন উদাসের দেশে !

...................................................................
মানচিত্রের আঁকাবাঁকা রেখায় তারে পাবেনা,
সে নদী তো চেনা কোনো ঠিকানায় যাবে না।
তার কোনো কূল নেই, নেই কোনো ঘাট,
সে বয়ে চলে একা, বুক জুড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×