
ছবিঃ আমার তোলা।
স্থানঃ কারওয়ান বাজার।
সময়ঃ রাত দুইটা।
ক্যামেরাঃ নাইকন।
১। মন্দ কথা বলবেন না। মন্দ কথা ছাড়ুন । মন্দ কথায় কোনো লাভ নেই। উপকার নেই । এতে ক্ষতি আছে । এতে ক্ষতি আছে।মন্দ কথা আপনার যবান নষ্ট করে ,আপনার ব্যক্তিত্ব বিলীন করে ,আপনার মন ও চরিত্রকে কলুষিত করে। মন্দ কথা বন্ধুতা নষ্ট করে সখ্যতা ছিন্ন করে মানুষের সাথে সম্পর্কেহানি করে। যে মন্দ কথা বলে, মানুষ তকে ঘৃণা করে তাকে তুচ্ছজ্ঞান করে, তার থেকে দূরে অবস্থান করে, এমনকি মানুষ তার শত্রু হয়ে যায়।
২। বিয়ের অনুষ্টান শেষ। ‘অতঃপর তাহারা সুখে-শান্তিতে বসবাস করিতে লাগিলো’- গল্পের মতোন জীবনের কাহিনীর সমাপ্তি ঘটে না।
৩। বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে সমস্যা হচ্ছে, তারা বিভিন্ন দলভুক্ত । কেউ আওয়ামী লীগের, কেউ বিএনপির । নিরপেক্ষ বুদ্ধিজীবী আমাদের নেই ।জাফর ইকবালের সায়েন্স ফিকশনের কোন সাহিত্য মূল্য নেই। এগুলো ইউরোপীয় সায়েন্স ফিকশনের নিম্নমানের রুপায়ন ।
---হুমায়ুন আজাদ।
৪।
১.স্পিনোজা বলেন: ভালো খাদ্য বস্তু পেট ভরে কিন্ত ভাল বই মানুষের আত্মাকে পরিতৃপ্ত করে।
২. দেকার্তে বলেন: ভালো বই পড়া মানে গত শতাব্দীর সেরা মানুষদের সাথে কথা বলা ।
৩. ইউরোপ কাপানো নেপোলিয়ান বলেন: অন্তত ষাট হাজার বই সঙ্গে না থাকলে জীবন অচল ।
৪. জন মেকলে বলেন: প্রচুর বই নিয়ে গরীব হয়ে চিলোকোঠায় বসবাস করব তবু এমন রাজা হতে চাই না যে বই পড়তে ভালবাসে না ।
৫. নর্মান মেলর বলেন: আমি চাই যে বই পাঠরত অবস্থায় যেন আমার মৃত্যু হয়।
৫। একজন ফটোগ্রাফার এর সাথে দুইজন মানুষ থাকেন...একটি তার নিজ দেহ এবং অন্যটি তার শৈল্পিক সত্তা! ছবি তোলার সময় তিনি তার নিজ দেহকে ছায়ায় বিলিন করে দিয়ে শৈল্পিক সত্ত্বাকে দাঁড় করান!
একজন দক্ষ ফটোগ্রাফার হিসাব করেন ইঞ্জিনিয়ারের কলম দিয়ে, চিন্তা করেন দার্শনিকের মন দিয়ে এবং দেখেন একজন কবির চোখ দিয়ে।
৬। ঢং ঢং করে ঘড়ি বেজে উঠল- রাত তিনটা । আমি বিছানায় শুয়ে আছি ।কখন ঘুমিয়ে পড়েছিলাম- জানি না । একটা সুন্দর স্বপ্ন দেখেছি। স্বপ্নে দেখি- নুহাশ পল্লীতে হুমায়ুন আহমেদ আর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর খুব গল্প করছেন । আমি তাদের পাশে গিয়ে বসলাম ।রবীন্দ্রনাথ আমাকে বললেন- চা খাও। আমি চায়ে চুমুক দিয়ে দেখি চিনি ছাড়া চা । আমি বললাম চিনি ছাড়া চা আমি খাই না । হুমায়ুন আহমেদ বললেন- এখন চিনি কোথায় পাবো ? আমি বললাম, তাহলে এক চিমটি লবন কি পাওয়া যাবে ?হুমায়ুন আহমেদ লবনের বদলে চিনিই ব্যবস্থা করে দিলেন । আমাদের তিন জনের চা শেষ হওয়ার রবীন্দ্রনাথ বললেন-আমরা তিনজন মিলে একটা করে প্রেমের গল্প লিখব ।সময় এক ঘন্টা । হুমায়ুন তুমি লিখবে রুপাকে নিয়ে, আমি লিখব লাবণ্য কে নিয়ে আর রাজীব নূর তুমি লিখবে হিমিকে নিয়ে । আমি বললাম স্যার আমি পারব না । রবীন্দ্রনাথ বললেন, তুমি পারবে- আমি হিমিকে নিয়ে তোমার কিছু লেখা পড়েছি । ভালো লিখেছো । একজন প্রকাশক এসে আমাদের তিন জনের হাতে সাদা কাগজ আর কলম ধরিয়ে দিল ।আমার মনে হচ্ছে- বিশাল সমুদ্রের মাঝে ডুবে যাচ্ছি।
৭। এক বৃদ্ধা আজরাইলের হাত থেকে বাঁচতে চায়। সে একটা কৌশল বের করলো যেন আজরাইল তাকে খুঁজে না পায়। কৌশল কাজ করলো। আজরাইল তাকে খুঁজে পেল না।
বলুন তো, কৌশল টা কি?
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০১৭ সকাল ১১:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




