
মানুষ যখন জঙ্গল থেকে গুহায় উঠেছে, পশু আগুনে পুড়ে খেতে শিখেছে
মনে কিছুটা ফুর্তি জেগেছে- তখন থেকেই মানুষ কবিতা লেখা শুরু করেছে
যুগযুগ ধরে কবি ও কবিতার বিবর্তন ঘটেছে, অবশেষে মানুষ বুঝতে পেরেছে
কবিতাকে অনুভব করতে হয়। সাইবার যুগের কবিতার কোনো বিধিনিষেধ নেই।
রাতে না ঘুমিয়ে অদ্ভুত সব কবিতা লিখতে হবে, পাঠক যেন হোঁচট খায় বারেবারে
মধ্যযুগে বড় বড় কবিতা লেখা হতো, এই সাইবার যুগে পৃথিবী ছোট হয়ে এসেছে-
মানুষ এখন ব্যস্ত, তাই কবিতা লিখতে হবে ছোট করে কিন্তু গভীরতা যেন না হারায়
প্রেমিকা নয়। মহাকাব্য, ইলিয়াড, ওডিসি, রামায়ণ, মহাভারত- বুকে ধারন করতে হবে
যতই পন্ডিত হও না ক্যান, কবিতা লিখে-লিখে কিন্তু চালের দাম কমাতে পারবে না
হাজার হাজার বছর ধরে কবিতার মূল উপাদানে আছে- প্রেম, প্রেমে ব্যর্থতা এবং
মানুষ, মানুষের সুখ-দুঃখ বেদনা, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, আর এখন এইসব রেসিপি নেই
ইতিহাস, ঐতিহ্য, নৃতত্ত্ব, সমাজ বিজ্ঞান সব কিছুর মধ্যেই কবিতার উপাদান আছে।
তুমি যদি কবিতা লিখতে চাও- জীবনানন্দ, শক্তি, শামসুর, সুনীল এবং আল মাহমুদ-
এরকম কবির কবিতা পড়ো। অন্য কবির কবিতা পড়া যাবে না তা কিন্তু বলা হয়নি
এখন কবিতা শেষ করছি, একটা কথা বলে- মানুষ সৃষ্টির সবচে’ নিকৃষ্ট জীব
মানুষ এক সময় উৎকৃষ্ট ছিল। নিকৃষ্ট জীব ‘মানুষ’ নিয়েই কবিদের কারবার।
( আমি কবি নই। কবিতা লেখার সামান্য যোগ্যতা আমার নেই। তারপরও কিছু দিন পর-পর কবিতার মতোন কিছু একটা না লিখলে ভালো লাগে না। এটা আমার দীর্ঘ দিনের অভ্যাস। আমার এই দোষ আপনারা ক্ষমা সুন্দর চোখে দেখবেন। আর হ্যাঁ ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।)
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ৯:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



