
আমি খুব খুতখুতে মানুষ। সবসময় পারি না, কিন্তু সবকিছু নিখুতভাবে করার চেষ্টা করি। অফিসে সব কাজ নিজে করে ফেলার চেষ্টা করি। বাসায় তেমন কিছু করি না। মাঝে মাঝে আনার খুলতে দিলে আমি এক ঘণ্টা লাগিয়ে প্রতিটি বিচি আলাদা করে খুলে পরিস্কার করি। মুক্তি বিরক্ত হয়ে টান দিয়ে নিয়ে ছুরি দিয়ে চার টুকরা করে ৫ মিনিটেই খুলে ফেলে।
এসব কারণেই আমার প্রিয় অ্যাথলেট অলিম্পিকের প্রথম পারফেক্ট টেন নাদিয়া কোমানিচি। মি. পারফেকসনিস্ট আমির খানও আমার প্রিয়। আরেকজন পারফেকসনিস্ট আয়শা লতিফকে দেখে ভালো লাগলো। পোচ করার সময় ডিমের কুসুম ভেঙ্গে যাওয়াটা উনি সইতে পারেননি। আহা বেচারির কী দোষ। উনি অবশ্য সব ব্যাপারেই পারফেকসনিস্ট। দেখুন কী নিখুতভাবে সেজেছেন। মারতেও পারেন নিখুতভাবে। ডিমের কুসুম ভেঙ্গে যাওয়াটা তার বিবেচনায় গুরুপাপ, তার নরম মন। তাই শিশু সাবিনাকে তিনি লঘুদন্ড দিয়েছেন। শিশু সাবিনার সারা গায়ে খুব আদর করে বিশ্বের মানচিত্র এঁকে দিয়েছেন। সাবিনার মুখে যেন অনেকগুলো ডিম।
একটা জিনিস বুঝলাম, দেখতে সুন্দর হলেই মানুষ সুন্দর হয় না। সৌন্দর্য্যটা অন্তর্গত। শিশু সাবিনার ছবিটা দেখার পর আয়শা লতিফের ছবিটা আমার কাছে মনে হচ্ছে বিশ্বের কুৎসিততম। এই পারফেকসনিস্টের জন্য একদলা থুথু। আমার থুথু তো আমার ঘৃণা। আইন যেন তার প্রাপ্য শাস্তি দেয়। শিশু গৃহকর্মীগের গায়ে যারা হাত তোলে, দেখতে মানুষের মত হলে তাদের আমার কাছে ঠিক মানুষ মনে হয় না।

(ফেসবুক থেকে)
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৩:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



