
ক্যামেরা হাতে নিয়েছি ১৫/১৬ বছর হয়ে গেছে।
প্রয়োজনে অপরয়োজনে কত ছবি তুলেছি তার হিসাব আমার নেই। কোনো ছবিই অন্য সবার মতো আমি জমিয়ে রাখিনি। ফ্লিকারে অল্প কয়েকটা ছবি আছে। এছাড়া সমস্ত ছবি হারিয়ে গেছে। কোনো কিছুই জমা করে রাখার অভ্যাস আমার নেই। তাছাড়া এত ছবি আমি কোথায় রাখবো? কম করে হলেও এ পর্যন্ত ছয় লাখ ছবি তুলেছি। একটা সময় ছিল প্রতিদিন ছবি না তুললে আমার পেটের ভাত হজম হতো না। আর এখন গত ছয় মাস ধরে হাতে ক্যামেরাটা ধরেও দেখিনি। তবে পকেটে মোবাইল থাকে। কোনো ভালো সাবজেক্ট পেলে হাত নিশপিশ করে। তখন মোবালে ছবি তুলি। আমার মোবাইলে বেশ ভালো ছবি আসে। যে কোনো তোলা ছবি দেখতে আমার কখনও বিরক্ত লাগে না। এই পোষ্টে বিভিন্ন সময়ে তোলা বেশ কিছু ছবি দিয়েছি। ছবি গুলো দেখার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি আপনাদের। আপনারা সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন এই দোয়া করি।
১।

গোলাপকে ফুলের রাণী বলা হয়। এই ফুল মানুষের কাছে সৌন্দর্যের প্রতীক ও ভালোবাসার প্রতীক।
২।

আরিশ যাচ্ছে ঈদের নামাজ পড়তে।
৩।

সোনার গা হোটেলে কোন এক অনুষ্ঠানে।
৪।

ঢাকার বাইরে নির্বাচন কাভার করতে গিয়েছিলাম।
৫।

শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি ফেরিঘাট।
৬।

পিযুস বন্দোপাধ্যায় কোনো এক ইফতার পাটির অনুষ্ঠানে।
৭।

যখন সূর্য ঢুবে যায়।
৮।

অপ্রয়োজনীয় ক্লিক।
৯।

কোনো এক অনুষ্ঠানে।
১০।

ফুটপাতে একজন শীতের জামা বিক্রেতা।
১১।

সরকারী বাসে গাছ গজিয়েছে।
১২।

পিচ্চিটা কি কারো উপর রেগে আছে নাকি?
১৩।

হাতির ঝিল উদ্বোধন হবার পর। তখন আমি যুগান্তর পত্রিকায় কাজ করি।
১৪।

গ্রামের একটি রাস্তা।
১৫।

জাল ফেললেও আজকাল মাছ পাওয়া যায় না।
১৬।

গ্রামের মেলাতে এসব পাওয়া যায়।
১৭।

এইভাবে কিছু মাছ পাওয়া যায়।
১৮।

গ্রামে গেলে আজও বাঁশের সাঁকো দেখতে পাওয়া যায়।
১৯।

বলুন তো এটা কোন জেলায়?
২০।

আকাশ দেখা যাচ্ছে না।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




