
"শুধু বিঘে দুই ছিল মোর ভুঁই আর সবই গেছে ঋণে।
বাবু বলিলেন, “বুঝেছ উপেন? এ জমি লইব কিনে।”
ভাই, আমি একজন অতি সাধারন ব্লগার।
ব্লগে আমি শান্তি চাই। নিজের জন্ম ভূমিতে সুখে শান্তিতে বাস করতে চাই। আমি জানি, অপরের বিশ্বাস দিয়ে নিজের বিশ্বাসকে আহত করার নাম হচ্ছে কাপুরুষতা। ব্লগিং অবশ্য ভিন্ন জিনিশ। জ্ঞানচর্চার একটি উৎকৃষ্ট মাধ্যম হিসাবে এর মূল্যায়ন করা যেতে পারে। আসলে ব্লগ হলো প্রদীপ। আর সেই প্রদীপের আলো হচ্ছে ব্লগার'রা। জয় হোক ব্লগারদের। ইদানিং মনে হচ্ছে- ব্লগারদের বুকে ছুরি রেখে একটা মহল ফায়দা লুটতে চাচ্ছে। ব্লগার'রা অনেক সহজ ভাবে সত্যটা প্রকাশ করে থাকে, তাই আজ তাদের কন্ঠরোধ করার জন্য একটা বিশেষ মহল উঠে পড়ে লেগেছে। দৃষ্টি দেওয়ার জন্য সরকারের আরও অনেক জায়গা আছে। রাজনীতির বলি হচ্ছে সাধারন ব্লগার'রা।
ব্লগার'রা একদিন লিখতে লিখতে লেখক হয়ে যাবেন।
ছেলে পেলেদের নিজের ইচ্ছা মতো স্বাধীনভাবে লিখতে দিন। না। বাংলাদেশের ইতিহাস পৃথিবীর অন্য সব দেশ থেকে আলাদা। আমার সমস্যা হলো- কীবোর্ডে টিপাটিপি না করলে ভালো লাগে না।
শেক্সপিয়রের শ্রেষ্ঠ ৩টি কমেডি হলো- অ্যাজ ইউ লাইক ইট, টুয়েলফথ নাইট, ম্যাচ অ্যাডো অ্যাবাউট নাথিং।
এই কমেডি গুলোর মধ্যে মানব জীবন এক অসামান্য সৌন্দর্যে প্রস্ফুটিত হয়ে আছে। হাসি কান্না আনন্দ সুখ দুঃখ মজার এক আশ্চর্য সংমিশ্রণ ঘটেছে এই নাটক গুলোর মধ্যে। নাটকের সেই সমস্ত পাত্র-পাত্রী যারা সকল অবস্থার সাথে নিজেদের মানিয়ে নিয়েছে, অন্যকে ভালোবেসেছে, তারাই একমাত্র জীবনে সুখী হতে পেরেছে।
এই কমেডির নায়িকারা সকলেই আদর্শ চরিত্রের। অন্যের প্রতি তারা সহৃদয়। পরের জন্য তারা দ্বিধাহীন চিত্তে নিজেদের স্বার্থ বিসর্জন দেয়। একদিকে তারা করুণাময়ী অন্যদিকে তারা বুদ্ধিমতী।
শেক্সপিয়রের কমেডিতে নারী চরিত্রের শ্রেষ্ঠত্বের কাছে পুরুষেরা ম্লান হয়ে যায়।
একটা গরুর গলায় দশ হাত লম্বা মোটা দড়ি বাঁধা। সেখান থেকে পঁচিশ হাত দূরে এক আঁটি ঘাস আছে।
কেউ ঘাস এগিয়ে দিল না, দড়ি ছিঁড়তে হলো না, অথচ গোরু অনায়াসে সেই ঘাস খেয়ে ফেলল।
বলুন তো, এটা কী করে সম্ভব হয়?
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




