
১। ঘুমাতে যাচ্ছেন । আপনি ভালো ভাবেই জানেন যে, কাল সকাল অবধি আপনি বেঁচে থাকবেন কিনা এর কোনও নিশ্চয়তা নেই । তারপরেও আপনি কিন্তু ঘড়িতে এলার্ম দিয়ে ঘুমাতে যান সকালে উঠবেন বলে।
২। বাবা (ছোট ছেলেকে) : এক গ্লাস পানি আনতো।
ছোট ছেলে : পারুম না ৷
.বড় ছেলে : বাদ দাও তো বাবা৷ এইটাতো জন্মের বেয়াদব৷ যাও তুমি নিজেই গিয়া পানি খাইয়া আসো আর হ্যাঁ, আমার জন্যেও এক গ্লাস নিয়া আইসো৷
৩। যে মানুষ সৎপথে চলে, সে তাঁর নিজের মঙ্গলের জন্যেই সৎ পথে চলে। আর যে মানুষ পথভ্রষ্ট হয়, সে তাঁর নিজের অমঙ্গলের জন্যেই পথ ভ্রষ্ট হয়।
( সূরা বনী ইসরাঈলঃ ১৫ )
৪। অনেকে বই পড়ে, কিন্তু বইয়ের কথাকে ভিতরে নেয় না । অনেক পন্ডিত আছে বইয়ের মধ্যে প্রতিবাদযোগ্য অংশ গুলি খোঁজে । মানুষ কেন আর একটু চিন্তিত হয় না, একটু বিষন্ন হয় না, একটু ভালো করে চারদিকটা লক্ষ করে না !
এইসব কবিতা-টবিতা যা কিছু সব আজকাল থার্ড ওয়ার্ল্ডের নিষ্কর্মাদের পাস টাইম ।
মানুষ কেবল বাইরের দুষণটাই দেখে- ভিতরের দুষণটা খেয়াল করে না ! মানুষের জীবনযাপনের মধ্যে, মনের মধ্যে, মস্তিস্কের মধ্যে এক আকাশ পলিউশন ।
৫। একটা ক্ষুধার্ত কুকুরকে যদি তুমি যত্নআত্তি করো - সে তোমাকে অন্তত কামড় দেবে না এই ব্যাপার নিশ্চিত থাকতে পারো। মানুষ আর কুকুরের মাঝে এটাই মূল পার্থক্য ।
- মার্ক টোয়েন
৬। মেয়ে মানুষে আর পুরুষ মানুষে তফাত থাকবে না, তাই কি হয়? তফাত আছে, প্রকৃতির তফাত। কিন্তু ক্ষমতার নয়। পুরুষ মানুষ চালায়, মেয়ে মানুষ চলে- এই তো চলে আসছে চিরকাল। আসলে পুরুষ মানুষের মধ্যে যা আছে, মেয়ে মানুষের মধ্যে তা নেই। আবার মেয়ে মানুষের মধ্যেও এমন কিছু আছে যা পুরুষের নেই। এক হিসেবে দু'পক্ষই সমান। যিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন তিনি তো আহাম্মক নন। সমান সমানই দিয়েছেন দু'জনকে, তবে রকমটা আলাদা। তবে মেয়ে মানুষ যদি পুরুষের সঙ্গে গায়ের জোরে পাল্লা দেয় বা পুরুষের যা জন্মগত গুন সেইটা নিয়ে বাড়াবাড়ি করে, তা-হলে তো হেরেই যাবে। আবার মেয়ে মানুষের যা বিশেষ গুন সেখানে পুরুষ ভেড়া। ঈশ্বর দু'জনকে দু'রকম ভাবে গড়েছেন-এইটা বুঝতে হবে ।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




