
আজ সকালে মনে পড়লো-
অনেকদিন 'ঢাকার পথে পথে' ছবি ব্লগ দেই নাই। মোবাইলে বেশ কিছু ছবি জমেছে। মানুষ দরকারে ঘর থেকে বের হয়। আমি কোনো প্রয়োজন বা দরকার ছাড়াই প্রতিদিন ঘর থেকে বের হই। এই শহরের অলি গলিতে রোজ ইচ্ছা মতোন ঘুরে বেড়াই। কত রকম মানুষ যে চোখে পড়ে প্রতিদিন! এই শহরে ভালো কোনো মানুষ নেই। সবই মন্দ লোক। এত এত মন্দ লোকের ভিড়ে নিজেকে বড্ড অসহায় লাগে। দম বন্ধ হয়ে আসে। এ শহরের প্রতিটা ব্যবসায়ী (ফুটপাত থেকে বড় দোকান) সবাই চায় ঠকাতে। ঠকাতে পারলেই ভাবে আমি জিতে গেলাম। লোকজন ব্যবসা শুরুই করে ঠকানোর মানসিকতা নিয়ে। চারিদিকে মিথ্যা আর প্রতারনা। চারিদিকে দুষ্টলোক। কেউ কারো চেয়ে কম না। এই শহরের প্রতিটা মানুষকে আমার অমানুষ বলে মনে হয়। কারো মধ্যে মায়া, দয়া নেই। চোখ বন্ধ করে বলে দেওয়া যায় প্রতিটা মানুষ অমানবিক। নিষ্ঠুর। একজন সাংসারিক মানুষও ঘর থেকে বের হলেই কেমন অমানবিক আর অমানুষ হয়ে যায়। মানুষের অমানুষ হওয়া দেখতে দেখতে আমি ক্লান্ত, বিধ্বস্ত। আমি দেখেছি, আমি উপলব্ধি করেছি মানুষ কিভাব অমানুষ হয়, কিভাবে অমানবিক হয়। কিভাবে বদমাশ হয়।
১।

২।

৩।

৪।

৫।

৬।

সেদিন পুরান ঢাকায় গিয়েছিলাম দুপুরে খেতে। মাসে কমপক্ষে দুই একদিন রেস্টুরেন্টে না খেলে ভালো লাগে না। পুরান ঢাকাতে মনে হয় পানির সমস্যা আছে। রাস্তায় মধ্যে পানির কল। কলকাতাতে এরকম রাস্তায় পানির কল দেখেছি।
৭।

৮।

আমাদের পাশের বাসায়। তারা পাকা টাংকি এখনও করে নি। এই প্লাস্টিকের ট্রাংকি দিয়েই কাজ সারেন। কিন্তু টাংকি ভরে গেলেও তারা মটরের সুইচ বন্ধ করে না। পানি পড়তেই থাকে। বিদ্যুতের অপচয় হয়, পানিরও অপচয় হয়। সুইচ বন্ধের কথা বলতে গেলে তারা বলে আপনাদের কি? পড়ুক পানি।
৯।

আমি প্রতিদিন এই গাছটার সামনে দিয়ে হেঁটে যাই। গাছটা আমার চোখের সামনে বড় হয়েছে। মায়া পড়ে গেছে। কিছু দিন পরপর গাছটাকে না দেখলে ভালো লাগে না।
১০।

১১।

১২।

সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে আগস্ট, ২০২০ দুপুর ১:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



