
শহরে শীত এসে গেছে!
রাতের বেলা ব্যলকনিতে গেলে হু হু করে ঠান্ডা বাতাস এসে গায়ে লাগে। দিনের বেলা এতটা ঠান্ডা বাতাস থাকে না। শীত মানেই পিঠা আর বাজারে নতুন নতুন সবজি। অনেকদিন আগেই বাজারে নতুন আলু উঠেছে। নতুন আলু খেতে অনেক স্বাদ। আলু আমার খুব পছন্দ না। অনেককে দেখেছি বিরানীর আলু খেতে খুব পছন্দ করে। আমি আজ পর্যন্ত বিরানীর সাথে আলু খাই নি। আলুটা ফেলে দিয়েছি। কেন জানি আমার ভালো লাগে না। যাই হোক, আজকের কথা বলি- আজ বাসায় মূরগী রান্না হয়েছে ঝোল করে। সাথে নতুন আলু দেওয়া হয়েছে। নতুন আলু খেয়ে দেখলাম- খুবই ভালো লাগলো। পাঁচ টুকরা আলু খেয়ে নিলাম।
আমাদের এলাকায় এক ছাগল আছে-
সে হা হা হো হো করে হাসে। মানুষ হাসলে সুন্দর লাগে। ভালো লাগে। কিন্তু বদলোক যখন হাসে তখন তাদের সুন্দর লাগে না। বদলোকের হাসিতে তাদের কুৎসিত মানসিকতা ফুটে ওঠে। এই কুৎসিত মানসিকতা আবার কিছু কিছু রাম ছাগল খুব পছন্দ করে। ছাগলের হাসি দেখে রাম ছাগল বাহবা দেয়। এরকম ছাগল এবং রাম ছাগলদের আমি অপছন্দ করি। এরা কোনো কালেও মানুষ হবার নয়। বিশ্ব এগিয়ে যাবে বদলোক গুলো ছাগল ও রাম ছাগলই থেকে যাবে। ছাগলে বালছাল কবিতা লিখে আর রাম ছাগলে বাহবা দেয়। এই ছাগলেরা অনলাইনে ওৎ পেতে বসে থাকে। শিকার খোজে। তাদের শিকার কে বা কারা হলো আমি আপনাদের জানাবো।
যাই হোক, আলুতে ফিরে যাই-
নতুন আলু খেতে খুব স্বাদ। আলু এরকম এক জিনিস সব তরকারীতেই দেওয়া যায়। রুই মাছ, শিং মাছ, টেংরা মাছ ইত্যাদি প্রায় সব মাছেই দেওয়া যায়। সেদিন বাসায় রুই মাছ রান্না হয়েছে। রুই মাছের সাথে শিম, আলু আর ফুলকপি দিয়েছে। দারুন স্বাদ হয়েছে রান্না। বেশ আরাম করে খেয়েছি। আলু আর শিম ভাজি। সাথে একটু ধনেপাতা ছিটিয়ে দিলে খেতে দারুন লাগে। গরুর মাংসের সাথে আলু আমি পছন্দ করি না। কিন্তু সেদিন গরুর মাংসের সাথে নতুন আলু দিয়ে রান্না করেছে। খেতে ভালো লাগলো। মাংসের চেয়ে বেশি ভালো লাগলো আলু। এবার শীতে আমি খুব আলু খাচ্ছি। আগে এত আলু আমি খেতাম না।
আলুর দাম খুব বেশি নয়।
৩০/৪০ টাকা কেজি। নতুন আলু এমন এক জিনিস সিদ্ধ করে কাঁচা মরিচ, পেয়াজ, লবন আর সরিষার তেল দিয়ে ভর্তা বানিয়ে খেতেও অনেক মজা। একসময় ঢাকা শহরে অনেক ফেরিওলাকে দেখতাম আলুর দম বিক্রি করতো। বিশেষ করে স্কুলের সামনে আলুর দম খুব বিক্রি হতো। ছোট একটা বাটিতে করে কয়েক টুকরা আলুর দম দেওয়া হতো। উপরে সামান্য ধনিয়া আর শুকনা গুড়া মরিচের গুড়া ছিটিয়ে দিতো। খুব ঝাল লাগতো। কিন্তু খেতে ভালো লাগতো। গত কয়েকদিন আমি বেশ কয়েকটা স্কুলের সামনে আলুর দম খুজেছি। পাইনি। অথচ আমার খুব আলুর দম খেতে ইচ্ছা করছিলো। শেষে বাসায় বললাম, আলুর দম বানাও।
ঢাকা শহরে রাস্তায় ভাপা পিঠা খুব বিক্রি হচ্ছে।
মানুষ জন দাড়িয়ে থেকে ভাপা পিঠা নিয়ে যাচ্ছে। আমি নিজেও বাসার জন্য ভাপা পিঠা নিয়ে যাই। ভালো করে খেয়াল করে দেখলাম- ভাপা পিঠাতে খেজুরের গুড় দিচ্ছে না। আখের গুড় দিচ্ছে। জিজ্ঞেস করলাম আখের গুড় দাও কেন? বিক্রেতা বলল, খেজুরের গুড়ের অনেক দাম। এখন আমি ভাপা পিঠা কেনার আগে জিজ্ঞেস করি- গুড়টা আখের না খেজুরের? আগামী মাসের পাঁচ তারিখে আমাদের বাসায় পিঠা উৎসব হবে। ভাপা, বিবিখানা, পাটিসাপটা সহ অনেক ধরনের পিঠা বানানো হবে। দুই একদিনের মধ্যেই ফরিদপুর থেকে আসল খেজুরের গুড় চলে আসবে। আসল খেজুরের গুড় না হলে পিঠা খেয়ে আরাম নেই।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ডিসেম্বর, ২০২১ রাত ১:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



