
১। সৈয়দ মুজতবা আলী কলকাতার এক স্টেশনারি দোকানে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ডায়মন্ড বলপেন আছে?
সেলসম্যান মুখের উপর বলে দিল, নেই।
চলে যাচ্ছিলেন মুজতবা, নিজেই ফিরলেন। জিজ্ঞেস করলেন, অন্য কী বলপেন আছে?
সেলসম্যান বললো, অনেক আছে! পাওয়ার, সুলেখা, ব্রাইট...
সৈয়দ মুজতবা আলী তাদের বুঝালেন সেলসম্যানশিপ কী? যখন তিনি জিজ্ঞেস করছিলেন ডায়মন্ড বলপেন আছে কি না? তাদের বলা উচিত ছিল, ডায়মন্ড বললেন নেই তবে পাওয়ার, ব্রাইট, সুলেখা... ইত্যাদি আছে। ক্রেতাকে বিকল্প না দেখিয়ে বিদায় করাটা ঠিক না। সেলসম্যানরা লজ্জিত হল, কিন্তু শিখলো।
কিছুক্ষণ পর সাহিত্যিক অন্নদাশঙ্কর রায় এসেছেন। জিজ্ঞেস করলেন টয়লেট পেপার আছে? সৈয়দ মুজতবা আলীর দীক্ষিত সেলসম্যান উত্তর দিল, টয়লেট পেপার একটু আগে শেষ হয়ে গেছে, তবে শিরিশ পেপার আছে, দেব?
২। স্বামী : আজ আমি তোমার কাছে কিছুই গোপন রাখবো না। কি জানতে চাও বলো?
স্ত্রী : আমিও। আচ্ছা আমাদের বিয়ের আগে তোমার কি কোনো মেয়ের সাথে সম্পর্ক ছিল?
স্বামী : না, তবে মাঝে মাঝে নাইট ক্লাবে যেতাম আর কি!
স্ত্রী : তাই তো বলি তোমাকে এতো চেনা চেনা লাগছে কেন!
৩। এক হকার পেপার বিক্রি করতে গিয়ে খুব সমস্যায় পড়ল। কেউই কিনছে না। সে পেপার খুলে দেখল, আজ সানি লিওনের কোনো খবরই ছাপা হয়নি। সে সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার করে পেপার বিক্রি শুরু করল, ‘সানি লিওনের কোনো খবর নেই, সানি লিওনের কোনো খবর নেই।’
সঙ্গে সঙ্গে তার সব পেপার বিক্রি হয়ে গেল।
৪। এক ব্যক্তি গ্রামের সব সিগারেটখোর লোককে একত্র করলেন সিগারেটের অপকারিতা সম্পর্কে বোঝানোর জন্য। প্রথমে তিনি একটি কাঁচের জারে সিগারেটের ধোঁয়া ঢুকালেন। তারপর ঐ জারে কয়েকটা মশা ঢুকিয়ে দিলেন।
কিছুক্ষণ পর সব মশা মারা গেল। তারপর তিনি সবাইকে উদ্দেশ্য করে বললেন-
ব্যক্তি : এ থেকে আপনারা কি শিখলেন?
সিগারেটখোর : এ থেকে আমরা শিখলাম, মশার কয়েলের পরিবর্তে সিগারেট ব্যবহার করা উচিত।
৫। একজন রসায়ণবিদ ও তার এক বন্ধু রেস্টুরেন্টে খেতে গেল। রসায়ণবিদ অর্ডার দিল, "I want H2O please." এটা শুনে তার বন্ধুও অর্ডার দিল, "I want H2O, too". কিন্তু বন্ধুটিকে হাসপাতালের শরণাপন্ন হতে হল।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ডিসেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



