somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

আওয়ামীলীগ সরকার আর কত বছর ক্ষমতায় থাকবে বলে মনে করেন?

১৬ ই জুন, ২০২৩ রাত ১০:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



শেখ হাসিনা যতদিন বেঁচে আছেন, ততদিন আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকবে।
এরকমটাই দেশের মানুষের ধারনা। শেখ হাসিনার মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে আওয়ামীলীগ ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে শুরু করবে। আজ যে সমস্ত মন্ত্রী এমপি বড় বড় কথা বলছেন, চ্যাটাং চ্যাটাং কথা বলছেন, যেমন- ড. হাছান মাহমুদ, মোস্তস্ফা জব্বার, আসাদুজ্জামান খান কামাল, জুয়ানেদ আহমেদ পলক, দীপু মনিসহ আওয়ামীলীগের সমস্ত নেতা, মন্ত্রী, এমপিদের হদিশ পাওয়া যাবে না। শেখ হসিনার মৃত্যুর পরপর সমস্ত আওয়ামীলীগের নেতা পালাবে। অনেক সরকারী আমলারাও পালাবে। আর ছাত্রলীগ দৌড়াবে। অনেকেই মুখোশ বদলে নেবে। সহজ সরল সত্য কথা হলো- শেখ হাসিনার মৃত্যুর পর আওয়ামীলীগের হাল ধরার যোগ্য কেউ নেই। দেশ থেকে সব নেতারা পালাবে। তবে বিএনপি ক্ষমতায় আসতে পারবে না।

আগামী জাতীয় নির্বাচন EVM মেশিনের মাধ্যমে হবে।
এই EVM মেশিন পর্যন্ত শেখ হাসিনার ইচ্ছার বিরুদ্ধে যেতে পারবে না। EVM মেশিনে সুবিধা বেশি। আওয়ামীলীগের কষ্ট কম হবে এবং সময় কম লাগবে। আমি রাজনীতি করি না। কোনো রাজনৈতিক দলকেই সমর্থন করি না। আমার মতে, বাংলাদেশে কার্যকর ও সৎ কোনো রাজনৈতিক দল নেই। আওয়ামীলীগের লোকজন কি দূর্নীতি করে নাই? ছাত্রলীগ কি সাধু? প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজে ছাত্রলীগ কি করে বেড়াচ্ছে? সবকিছুরই শেষ আছে। সাদ্দাম হোসেন, গাদ্দাফিরাও পতনের কয়েক মাস আগে বুঝতে পারেনি তাদের এতো নির্মম পরিণতি হবে। শেখ হাসিনার বয়স হয়েছে, তিনি মৃত্যুর কাছাকাছি। বলা যায়, শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া আর রওশন এরশাদের দিন একদম শেষের দিকে। তাদের এক পা কবরে। এখন নতুন নেতৃত্ব ক্ষমতায় আসবে।

দেশে আবার ১/১১ এর মতো পরিস্থিতি তৈরি হোক, সেটা কেউ চায় না।
দেশের ভালোর জন্য পরিবারতন্ত্র থেকে বের হয়ে একটি তৃতীয় শক্তির উত্থান ঘটার সম্ভবনা আছে। সবাইকে অবাক করে দিয়ে- ড. মোঃ ইউনূস বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে যেতে পারেন। নাকি আপনারা তারেক জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান? শেখ হাসিনার পর নতুন প্রধানমন্ত্রী সমস্ত দূর্নীতিবাজদের গ্রেফতার করবেন। এবং তাদের সমস্ত স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করবেন। নতুন সরকার বাংলাদেশে ছাত্রলীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম আজীবন নিষিদ্ধ ঘোষণা করবে। সেনাবাহিনীর দেশপ্রেমিক অফিসাররা আর কত দিন হাত পা গুটিয়ে, চুপ করে বসে থাকবেন? আগামী কয়েক বছরে বাংলাদেশে অনেক রকমের পরিবর্তন আসবে। যা বাংলাদেশের মানুষ কখনও ভাবেনি। দেশের অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখবে ভারত, চীন ও আমেরিকা।

শেখ হাসিনা যদি নিজ ইচ্ছায় রাজনীতি ছেড়ে দেন-
তাহলে শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড ও বিডিআর বিদ্রোহ ইস্যুতে তাকে কারাগারে নেওয়া হবে। আর জামাত শিবির চাইবে চিরতরে বাংলাদেশ থেকে আওয়ামীলীগের নাম মুছে দিতে। ৭৫ সালে আওয়ামীলীগের অনেক লোকজন পল্টি দিয়েছিলো। শেখ হাসিনা ক্ষমতা থেকে নামলে বহু আওয়ামীলীগার পলটি দেবে। শেখ হাসিনার মৃত্যুর মধ্যে বাংলাদেশের রাজনীতি বদলে যাবে। প্রকৃতির নিয়মে সব হবে। সেটা হয়তো ২০২৮ সালেই এরকমটা হবে। যদিও অনেকের ধারনা শেখ হাসিনা ২০৩১ পর্যন্ত বংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী থকবেন। তবে আমার বিশ্বাস যত দিন শেখ হাসিনা বেঁচে আছেন, আওয়ামীলীগকে কেউ উৎখাত করতে পারবে না। নো নেভার। সেনাবাহিনীও না। উনি উন্নত জীবনযাপন করছেন, উন্নত চিকিৎসা পাচ্ছেন। তাই উনি হয়তো ৮০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকবেন।

যারা শেখ হাসিনার পতন চান-
দেশে অন্য কোনো সরকার এলে কি দূর্নীতি হবে না? নতুন করে তখন কি নব্যধনী সৃষ্টি হবে না? লোকজন কি ফুটপাতে ঘুমাবে না? দেশের টাকা কি বিদেশে পাচার হবে না? দেশে বেকার থাকবে না? কালো টাকা দিয়ে নতুন নতুন টিভি চ্যানেল, অনলাইন নিউজপোর্টাল/ দৈনিক পত্রিকা বের হবে না? সহজ সরল সত্য কথা হলো- এই বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থে একেবারে আন্তর্জাতিক মানের অর্থনৈতিক শ্রেণী বৈষম্য তৈরি হয়েছে গত ১২ বছরে। এই বিভাজনের ফলে যারা লাভবান হয়েছেন, তারা কোনোদিনও চাইবেন না সরকার বদল হোক। তাঁরা শেখ হাসিনাকে বাঁচিয়ে রাখবেন। তার জন্য দোয়া করবেন। তার নামে সিন্নী বিলাবেন। আমি চাই এই বাংলাদেশে যেন সবাই আনন্দ নিয়ে বেঁচে থাকতে পারে। তাঁরা যেন ভাতে কষ্ট না পায়, কাপড়ে কষ্ট না পায়।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জুন, ২০২৩ রাত ১০:৩৫
১৭টি মন্তব্য ১৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আল্লাহর সুন্নাতের পরিবর্তে রাসূলের (সা.) বিভিন্ন মতের অনুমোদন সংক্রান্ত হাদিস বাতিল হবে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:৪৭



সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রতিটি শিশুর মৃত্যু রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার একটি নির্মম দলিল।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:৫৫

প্রতিটি শিশুর মৃত্যু রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার একটি নির্মম দলিল।
ইউনূস ক্ষমতা দখল ছিল লুটের উদ্দেশ্যে। কেন শিশুদের টিকা দেয়া হয় নাই? তাদের দায়িত্ব ছিল টিকা পৌঁছে দেওয়া, জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গার্মেন্টসের ভিতরে লুকানো বাস্তবতা—যা আমরা কখনো দেখি না

লিখেছেন Sujon Mahmud, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:৫২



সকাল ৬টা। ঘুম ভাঙার আগেই যেন জীবন তাকে টেনে তোলে। রহিমা চোখ খুলেই কিছুক্ষণ ছাদের দিকে তাকিয়ে থাকে। মনে হয়—
আরেকটা দিন, আবার সেই একই লড়াই।

রহিমা একজন গার্মেন্টস কর্মী। বয়স মাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

দায়বদ্ধতা ও সময়োচিত সিদ্ধান্ত: ২০০৬ থেকে বর্তমানের শিক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:২৫

Photo - আপলোড না হওয়ায় ইমেজ লিংক:

“দায়বদ্ধতা ও সময়োচিত সিদ্ধান্ত: ২০০৬ থেকে বর্তমানের শিক্ষা”

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০০৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংকট একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সে সময় রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে গঠিত উপদেষ্টা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইস্টার ফ্রাইডে এবং যিসাসের শেষ যাত্রা: জেরুজালেমের স্মৃতিবিজড়িত পথে

লিখেছেন সৈয়দ নাসের, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৪




দিলু নাসের
আমার এই তিনটি ছবির সঙ্গে পৃথিবীর খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের বেদনাবিধুর ইস্টার ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। প্রতিটি ছবিই যেন এক একটি অধ্যায়, একটি যাত্রার, যা শুরু হয়েছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×