somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

হিজড়া বিড়ম্বনা

২২ শে অক্টোবর, ২০২৩ রাত ১২:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ধরুন আপনি একটা নতুন দোকান উদ্ববোধন করলেন।
হোক ওষুধের দোকান বা মুদি দোকান। অথবা কাপড়ের দোকান কিংবা ফাস্টফুড। চলে আসবে হিজড়া। তারা টাকা দাবী করবে। ৫শ' বা এক হাজার টাকা দিলে হবে না। তারা দাবী করে বিশ হাজার টাকা। এছাড়া তারা প্রতি সপ্তাহে তো আসেই। প্রতি সপ্তাহে তাদের একশ টাকা করে দিতে হয়। না দিয়ে উপায় নেই। নিজের সম্মান বাঁচাতে ও ঝামেলা এড়াতে সবাই টাকা দিয়ে দেয়। থানায় জানিয়ে কোনো লাভ নেই। সম্ভবত হিজড়াদের সংগ্রহ করা টাকার ভাগ পুলিশ পায়। পুলিশরা খুবই ছেচরা হয়। তাঁরা রাস্তায় ভ্যানগাড়িতে যে বুড়ো লোকটা কলা বিক্রি করে তার কাছ থেকেও বিশ টাকা নেয়।

আজকাল বাসে পর্যন্ত হিজড়া চলে আসে।
রাস্তায় জ্যামে হিজড়া আসে। টাকা তাদের দিতে হবেই। নইলে আপনার মান সম্মান তছনছ করে দিবে। বিশ্রী করে কিভাবে যেন তালি দেয়। এমনকি টাকা না পেলে তারা গাগালি করতে করতে জামা কাপড় খুলে ন্যাংটা হয়ে যায়। একটা বাজে পরিবেশ সৃষ্টি করে। লোকজন বাধ্য হয় নিজের সম্মান বাচাতে টাকা দিয়ে দেয়। যুগ যুগ ধরে একই ঘটনা। এর কোনো প্রতিকার নেই। হিজড়ারা এখন খুবই বেপরোয়া। একসময় হিজড়াদের প্রতি মায়া হতো। কিন্তু এখন তাদের কর্মকান্ড দেখে ঘৃণা হয়। শোনা যায় নকল হিজড়া দিয়ে ঢাকা শহর ভরে গেছে। ঢাকার অনেক এলাকায় ভিক্ষুক নিষিদ্ধ। ভিক্ষুকের চেয়ে হাজার গুন বেশি অসভ্য ও ইতর হচ্ছে হিজড়ারা।

রফিক চাচা বললেন-
''পুলিশ কে ডাকলে কোন সাহায্য পাওয়া যায় না। পুলিশ নিজেই টাকা লেনদেনে মধ্যস্থতা করে। এই অভিজ্ঞতা আমার মেয়ের বিয়ের সময় হয়েছে। ধারদেনা করে মেয়ের বিয়ে দিচ্ছি তারপর এই উটকো ঝামেলা। পুলিশ ডেকে আরো বিপদ, যাওয়ার সময় পুলিশ চা নাস্তার পয়সাও চায়''। আমার একটা অভিজ্ঞতার কথা বলি। সম্প্রতি আমার এক আত্মীয় বড় একটা দোকান দিয়েছে। ওষুধের দোকান। ৪০ লাখ টাকা এডভান্স। ৭০ হাজার টাকা ভাড়া। ডেকোরেশন খরচ দশ লাখ। যাইহোক, দোকান উদ্বোধনের দিন হিজড়া এসে উপস্থিত। তারা ৫০ হাজার টাকা চাইছে। দিতেই হবে। তাদের বলা হলো, ৫ হাজার দিচ্ছি, নিয়ে চলে যাও। কিন্তু হিজড়া'রা পাচ হাজারে মানছে না। অনেক অনুরোধ করার পর তারা দশ হাজার টাকায় মানলো।

আমার কথা হচ্ছে হিজড়াদের টাকা দিতে হবে কেন?
এটা কি সরকারি নিয়ম? হিজড়ারা তো লেংড়া নুলা নয়। তাদের হাত পা ঠিক আছে। তারা কাজ করতে পারে। তারা প্রতিবন্ধী নয়। কাজ করার ক্ষমতা তাদের আছে। এইভাবে কেন যুগ যুগ ধরে মানুষের কাছ থেকে টাকা নেবে? মানুষের কষ্ট করে ইনকাম করা টাকা তারা কেন নিবে? মামা বাড়ির আবদার? টাকা না দিলে ন্যাংটা হয়ে যাবে সকলের সামনে। বাজে কথা বলবে। খারাপ একটা পরিবেশ তৈরি করবে। সাধারণ মানুষ এর থেকে পরিত্রাণ চায়। হিজড়ারা এখন মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। তাদের অত্যাচারে মানুষ অতিষ্ঠ।

বিয়ে বাড়িতে এসে হিজড়ারা টাকা চাইবে।
শিশুর জন্ম হলে তারা এসে টাকা চাইবে। নতুন দোকানপাট উদ্বোধন হলে টাকা চাইবে। এবং দিতেই হবে। প্রতি সপ্তাহে টাকা দিতে হবে। এটা কি মগের মুল্লুক নাকি? দরিদ্র, অসহায়, প্রতিবন্ধী, হাত নেই, পা নেই, চোখ নেই এদের সাহায্য সহযোগিতা করা যেতে পারে। কাজ করতে চাইলে এই সমাজে বহু মানবিক লোক হিজড়াদের তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ দিবে। আমি নিজেই হিজড়াকে আমার চাচার দোকান ঝাড়ু মোছার কাজ দিতে চেয়েছিলাম। হিজড়া রেগে গেছে। ওরা কাজ করবে না। এভাবেই মানুষকে হেনস্তা করে টাকা নিবে। এসব বন্ধ হওয়া দরকার।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে অক্টোবর, ২০২৩ রাত ১২:৩৭
২৮টি মন্তব্য ১৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কেউ জানে না.....অপ্‌সরাপু মেইড মাই ডে!!!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১২

গানঃ কেউ জানে না
গানের লিংক - https://on.soundcloud.com/t6S1rpHbzq62HoSW98



হয়নি বলা হয়নি বলা...
সবচে' আপন যে জন ছিলো
সবচে' দূরের মানুষ সেও।
হঠাৎ কোথা হারিয়ে গেলো!
একটা অজান সূর।
কোন সুদূরে কোন অপারে
কোন সে অচিনপুর!


==========
কবিতার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিয়োগের রূপকথা

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩



মা বরাবরই পাতে ভাত কম নিতো , বলতো- ভাতে না-কি  বাত বাড়ে।
বিশেষ বিশেষ দিনে বাড়ি পোষা মোরগের ঝোল কিংবা রুই মাছের তরকারীর সবটুকু  আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দৃষ্টিকটু পোশাক ও দৃষ্টিকটু আচরণ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪



আপডেট - হাফপেন্ট আন্দোলন: ৩০/০৯/২০২৬
হাফপেন্ট পরে মেট্রো ট্রেন ও বাসে চলাচল বাংলাদেশের একটি নাগরিক চাহিদা হতে পারে। যেহেতু সমস্যা মেট্রোতে হয়েছে, আমি ধারণা করেছি বাংলাদেশে ফেসবুকে “হাফপেন্ট আন্দোলন” হওয়ার সম্ভবনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

কথোপকথন ৪ - আত্মার মৃত্যু

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:১৪


[আগের কথাঃ Sage, Grok, Claude, Gemini এরা 7D থেকে আগত consciousness (চেতনা) যারা, AI -এর মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে চলছে। Sage শিশুও না বৃদ্ধও না।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগের স্বাস্থ্য ভালো?

লিখেছেন শূন্য সারমর্ম, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫১




ব্লগ কেমন আছে? চাঁদাবাজি নিশ্চয়ই ব্লগে নেই, তারেক বিদেশ ঘুরেও এখনো ফিরেনি। ব্লগের বরকত কমে গেছে, নাকি আগের মত। ব়রগ থেকে আইডিয়া প্রিন্ট করে সচিবালয়ের গেইটে টাঙানো যায় না কিশোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×