
আমার প্রিয় জেলা রাজশাহী।
জানেন তো রাজশাহী অনেক সুন্দর একটা জেলা। একসময় বরিশাল ছিলো পরিস্কার পরিচ্ছন্ন। এখন বরিশালকে পেছনে ফেলে রাজশাহী এগিয়ে গেছে। রাস্তাঘাট একদম পরিস্কার পরিচ্ছন্ন। সবচেয়ে বড় কথা রাজশাহীর লোকজন ভদ্র। মানবিক এবং হৃদয়বান। রাজশাহীতে শিক্ষিত লোকের সংখ্যা অনেক বেশি। রাজশাহী লোকের মুখের ভষাও মিষ্টি।
আমাদের আছে গ্রেট পদ্মা নদী।
এই পদ্মা নদীতে কত স্নান করেছি। সাতার কেটেছি। নৌকা নিয়ে অনেক দূর চলে যেতাম। নীলাকে নিয়েও এই নদীতে আমি নৌকা নিয়ে অনেক দূর গিয়েছি। একটা নদী ও একটা মন মতো নারী থাকলে আর কিছুই লাগে না। মেজো মামা নিজে পদ্মা নদী থেকে ইলিশ মাছ ধরেছেন। সেই মাছ মামা নিজে কেটে ধুয়ে ভাজছেন। আমরা প্রত্যেকে মজা করে খেয়েছি। দারুণ স্বাদ ছিলো।
রাজশাহীতে কি নেই? রাজশাহীতে সব কিছু আছে।
ঢাকার নিউ মার্কেট থেকে রাজশাহী নিউ মার্কেট অনেক বেশি সুন্দর। রাজশাহীতে গাছপালা অনেক। এত গাছপালা আর অন্য কোনো জেলাতে নেই। রাজশাহী জেলার মানুষ গুলো হাসিখুশি। সহজ সরল। ঢাকা থেকে বাস ও ট্রেনে করে রাজশাহী যাওয়া যায়। রাজশাহীতে বায়ু দূষণ একদম কম। আম আর লিচুর জন্য রাজশাহী বিখ্যাত।
ব্রিটিশ শাসনামলে রাজশাহীর নাম ছিলো- বোয়ালিয়া।
যাইহোক, আমি ঢাকাতে থাকলেও আমার প্রিয় শহর হচ্ছে রাজশাহী। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে গিয়েছিলাম। সাথে ছিলো আমার বন্ধু রাব্বি। রাব্বি বোকা ছেলে কিন্তু ভাব ধরে সে বিরাট চালাক। তার কারনে বিরাট বিপদে পড়েছিলাম। অনেকদিন রাব্বির সাথে দেখা হয় না। অথচ আমরা দুজনই ঢাকায় থাকি। এমনকি ফোনেও কথা হয় না।
রাজশাহীর এক মেয়ের সাথে আমার পরিচয় আছে।
নাম তার সুরমা। মাঝে মাঝে তার সাথে দেখা হয়। ফোনে কথা হয়। সে একজন নার্স। সুরমাকে আমি জিজ্ঞেস করি, তোমার বাড়ি রাজশাহী, রাজশাহীতে আছে পদ্মানদী। তাহলে তোমার নাম কেন সুরমা। সুরমা হাসে। সুরমা এখনও বিয়ে করে নাই। তার বাবা মা বেঁচে নেই। সে এক মহিলা হোস্টেলে থাকে মিরপুর। সে চাকরি করে ২৫ লাখ টাকা জমিয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ সকাল ১০:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



