ক) দু’দিন আগে রিমান্ডে আব্দুল জলিলের স্বীকারোক্তি নিয়ে নয়াদিগন্তের উদ্ধৃততি দিয়ে একটা পোষ্ট দেয়ার পর অনেকেই একে ফুঁ মেরে উড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তাদের মতে ‘জামাতি’ একটি দৈনিকের খবর বিশ্বাসযোগ্য নয়। কিন্তু গরীবের কথা নাকি বাসী হলে ফলে! দুদিন যেতে না যেতেই ভোরের কাগজ,প্রথম আলো,যুগান্তরসহ আওয়ামীপন্থী পত্রিকাগুলো মুখ খুলতে শুরু করেছে।শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাসহ আওয়ামী নেতৃবৃন্দের চাদাবাজি,দুর্নীতি, বাসে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা, গার্মেন্টস সেক্টরে অসন্তোষ সৃষ্টি, ‘র’ এর সাথে সম্পর্ক, জয়ের ব্যবসার পুজিসহ সবগুলো বিষয়ে নয়াদিগন্ত, আমার দেশ ও ইত্তেফাক পত্রিকার খবরগুলোই যেন আওয়ামীপন্থী পত্রিকাগুলো এখন কপি-পেস্ট করছে। যুগান্তর ও প্রথম আলো আজ লিখেছে, জিজ্ঞাসাবাদে আব্দুল জলিল আওয়ামীলীগের সৎ নেতাদের তালিকায় মতিয়া চৌধুরী ও জোহরা তাজউদ্দিন ছাড়া কারও নাম উল্লেখ করতে পারেন নি!
আওয়ামীলীগে এতো অসৎ নেতাদের উপস্থিতি এবারই প্রথম নয়। শেখ মুজিবও আক্ষেপ করে বলতেন,‘সবাই পায় সোনার খনি আমি পেয়েছি চোরের খনি।’ সাড়ে সাত কোটি বাঙালীর আট কোটি কম্বলের মধ্যে মুজিব তার নিজের কম্বলও পাননি। পাবেনই বা কিভাবে? তার ঘরেই ছিল ব্যাংক ডাকাত কামল!
এসব তথ্য থেকে বুঝা যায়, আওয়ামীলীগ মুজিব আমল থেকেই একটি দুর্নীতিগ্রস্ত দল। জলিল,সেলিমরা যৌথবাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদে এ বিষয়টিরই সত্যায়ন করেছেন মাত্র।
খ) বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আওয়ামীলীগের চেয়ে বিএনপিরই বেশী নেতাকে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে তাদের দুর্নীতিগুলো ব্যক্তিগত পর্যায়ের। এখনও খালেদা জিয়ার দুর্নীতির ব্যাপারে তেমন কোন অভিযোগ আসেনি। তবে দলেও কারণেই খালেদা জিয়া নিজেকে নিরাপরাধ প্রমাণ করতে পারবেন না।
এ অবস্থায় দুর্নীতিগ্রস্ত এ দুটি দলকে যত দ্রুত নিষিদ্ধ করা হবে দেশের জন্য তা ততই মঙ্গল জনক। এরা দেশপ্রেমিক নয়,বরং এরা রাজাকারদের চেয়েও নিকৃষ্ট।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






