somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সত্যকা
রাজু আহমেদ । এক গ্রাম্য বালক । অনেকটা বোকা প্রকৃতির । দুঃখ ছুঁয়ে দেখতে পারি নি ,তবে জীবনের সকল ক্ষেত্রে অনুভব করেছি । সবাইকে প্রচন্ড ভালবাসি কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে প্রকাশ করতে পারি না । বাবা এবং মাকে নিয়েই আমার ছোট্ট একটা পৃথিবী ।

বিজেপীর নির্বাচনী ইশতেহার: বাবরী মসজিদের স্থানে রাম মন্দির নির্মানের ঘোষণা

১১ ই এপ্রিল, ২০১৪ দুপুর ১২:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিশ্বের সর্ব বৃহৎ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ভারতের লোকসভা নির্বাচন শুরু হয়েছে গত ৭ই এপ্রিল থেকে । নয় দফায় অনুষ্ঠিত হবে এ নির্বাচন । চলবে আগামী ১২ই মে পর্যন্ত । নির্বাচনের প্রথম দিনে আসামের ৫টি এবং ত্রিপুরার তটি লোকসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে । ৫৪৩ আসনের লোকসভা নির্বাচনে একদিকে লড়ছে রাজীব গান্ধী ও সোনিয়া গান্ধী তনয় রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস এবং ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপীর) নেতৃত্ব দিচ্ছেন নরেন্দ্র মোদী । বিভিন্ন ইস্যুতে গত দুই আসরে ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে কংগ্রেসের ব্যর্থতায় বিগত দিনের রাজ্যসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের করুন দশা বলে দেয় ভারতে ক্ষমতার পরিবর্তন নিশ্চিত । ভারতে আগামীর ভাবী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদীর নাম অনেকেই জঁপতে শুরু করেছেন । ভারতে উগ্র হিন্দু জাতীয়তা বাদীদের কাছে নরেন্দ্র মোদী কংগ্রেসের তরুন রাহুল গান্ধীর চেয়ে অনেকটা জনপ্রিয় । এর পিছনে সুসংহত কয়েকটি কারনও আছে । অনেকগুলো কারনের মধ্যে সবচেয়ে বড় কারনটি হল উগ্র হিন্দুত্ব জাতীয়তাবাদের চেতনা । ভারতের ৮০ কোটি ভোটারের মধ্যে প্রায় ৬০ কোটি ভোটার হিন্দু । মুসলমান ভোটারের সংখ্যা ১৮ কোটি ছুঁই ছুঁই । ভারতের হিন্দুরা সাম্প্রদায়িক নীতিতে কট্টর । তারা চিরাচরিতভাবে মুসলমানদেরকে ভাল চোখে দেখে না । বিশেষ করে নরেন্দ্র মোদীর উস্কানীতে এবং গান্ধী পরিবারের সন্তান হয়েও বিজেপীর সাধারণ সম্পাদক বরুন গান্ধীর (যিনি ইন্দিরা গান্ধীর নাতি এবং রাহুল গান্ধীর আপন চাচাত ভাই) মুসলিম বিরোধী ব্যক্তব্যে ২০০২ সালে গুজরাটে হিন্দু মুসলিমদের মধ্যে দাঙ্গা বাধিঁয়েছিল । যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় গুজরাটের সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুরা সংখ্যালগু মুসলমানদেরকে ব্যাপক হারে হত্যা করেছিল, আগুনে পুড়িয়ে মেরে ছিল এবং মুসলিম মা, বোনাদের প্রকাশ্যে ধর্ষণ করেছিল । ভারতের হিন্দুরা আবারও সে দৃশ্যের অবতারণা করার জন্য নরেন্দ্র মোদীকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে ।

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী দেশ হওয়ায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের চেয়ে ভারত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনকে বেশি প্রভাবিত করে । ভারতের চলমান লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারক হবে বলে অনেকে মনে করছেন । অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে ভারতীয় কংগ্রেস পার্টি বাংলাদেশের ক্ষমতাশীন আওয়ামীলীগের সবচেয়ে কাছের বন্ধুর সম্পর্কে আছে । যা মাঝে মধ্যে ভারতীয় এবং বাংলাদেশী পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে জানানো হয় । বিএনপি দাবী গত ৫ই জানুয়ারীতে এক প্রহসনমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সিংহভাগ জনসাধারণের জনমতকে উপেক্ষা করে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে পুনরায় ক্ষমতায় বসানোর কলকাঠি নেড়েছে ভারতীয় কংগ্রেস পার্টি । বিএনপি জন্মলগ্ন এবং জাতীয়বাদী হিসেবে ভারত বিরোধী । যা বিএনপির সভানেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বা বিএনপির অন্যান্য নেতাদের বক্তব্যে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ পেয়েছে । তার কারনেই ভারতীয়া বাংলাদেশের ক্ষমতার আসনে বিএনপি ছাড়া অন্য কাউকে দেখতে চায় । কাজেই আওয়ামীলীগ ছাড়া বিকল্প নাই । তবুও রাজনৈতিক স্বার্থে বিএনপি ভারতের লোকসভা নির্বাচনের দিকে নিষ্পলক দৃষিতে তাকিয়ে আছে । বিএনপির জাতীয়বাদী দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করে হলেও দেশে রাজনৈতিক স্থিরতা আনয়নের জন্য কায়মনোবাক্যে তারা বিশেষ একটি দলের জয়ের খবরের জন্য অধীর আগ্রহে প্রহর গুনছে । শুধু বিএনপি নয় বাংলাদেশে অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতেই ভারতের লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল বাংলাদেশের পরবর্তী রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারণের টনিক হিসেবে কাজ করবে ।

ভারত যেমন কঠোর হিন্দু জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী বাংলাদেশ ততোটা কট্টর মুসলিম জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী না হলেও সংখ্যাধিক্যের কারনে মুসলিম জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী । ভারতের নির্বাচনে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ বিবেচনায় বাংলাদেশীদের কাছেও এ নির্বাচন ব্যাপক গুরুত্ব পাচ্ছে । লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দিনে বিজেপী ঘোষিত ‘নির্বাচনী ইশতেহারে’ বাংলাদেশের মানুষ দো’টানায় পড়ে গেছে । মোগল সম্রাট কৃর্তৃক নির্মিত অযোধ্যার ঐতিহাসিক বাবরী মসজিদটিকে ভারতের হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো জোটবদ্ধ হয়ে পরিকল্পনা করে ১৯৯২সালের ৬ই ডিসেম্বর ভেঙ্গে ফেলে । তৎকালীন সময়ের বিজেপী সমর্থিত প্রধানমন্ত্রী নরসিমহা রাও ও বিজেপি নেতা কল্যান সিংহ এ পরিকল্পনার কথা জানতেন । তারা এর কোন প্রতিবাদ করেন নি । ভারতীয় হিন্দুরা বিশ্বাস করে, “যে জায়গাটিতে মোগল সম্রাটরা বাবরী মসজিদ নির্মান করেছিল সে স্থানে হিন্দুদের আরাধ্য ভগবান রামচন্দ্রের জন্মস্থান । সেই মন্দির ভেঙ্গেই মসজিদ নির্মান করা হয়েছিল” । বাবরী মসজিদ ভাঙ্গাপরবর্তী দাঙ্গায় সমগ্র ভারতজুড়ে পায় ২ হাজার মানুষ প্রাণ হারায় । ’৯২ সালের ৬ই ডিসেম্বর বাবরী মসজিদ ভাঙ্গার প্রভাব বাংলাদেশেও কম পড়েনি । বাবরী মসজিদ ভাঙ্গাকে নিয়ে হিন্দু মুসলিমদের মধ্যে রায়ট লেগেছিল । যাতে বেশ কয়েকজন নিহত হয় এবং আহত হয় সহস্রাধিক । সম্পত্তি যে কি পরিমান ধ্বংস করা হয়েছিল তার কোন হিসাব নাই । দীর্ঘ দিন ধরে ভারতের আদালতে বাবরী মসজিদ নিয়ে মামলা চলেছিল । অবশেষে মামলার রায়ে বাবরী মসজিদের একপাশে রাম মন্দির এবং অন্যপাশে মসজিদ থাকবে বলে সিদ্ধান্ত দেয়া হয় । সমগ্র ভারতবর্ষের মুসলমানগণ এবং বাংলাদেশের মুসলমানগণ এ রায় মানতে না পারলেও সাম্প্রদায়িকতার খাতিরে চুপ ছিল ।

হঠাৎ করেই সে বাবরী মসজিদের বেদনা বিদিত ইতিহাসকে আবারও টেনে এনেছে বিজেপী । লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দিনে বিজেপী ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহারে তারা বলেছে, বিজেপী নির্বাচিত হতে পারলে অযোধ্যার বাবরী মসজিদের স্থলে রাম মন্দির নির্মান করা হবে । তবে সেখানে সাংবিধানিক কাঠামোর বিবেচনা করা হবে ধর্মীয় দৃষ্টিকোনে নয় । এটা হবে সংস্কৃতির ব্যাপার । বিজেপীর এ ঘোষণার পরেই, ভারতের নির্বাচনী হাওয়ায় নতুন পাল লেগেছে । ভারতের বিভিন্ন মুসলিম সংগঠন এর তীব্র প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেছে । মুসলিমদের হৃদয়ে চেপে থাকা কঠিন ক্ষত আবারও জাগতে শুরু করেছে । ২৮ টি অঙ্গরাজ্য বিশিষ্ট ভারতের মোট ভোটারের মধ্যে প্রায় এক চতুর্থাংশ মুসলিম ভোটার । তাদের ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতি, সভ্যতার উপর আঘাত আসলে তারা সম্ভাব্য ফলাফলকে পাল্টিয়ে দেয়ার ক্ষমতা রাখেন । যে সব অঞ্চলের মানুষকে ধর্মীয় বিধি পালন করতে সংগ্রাম করতে হয় স্বাভাবিকভাবেই সে সকল অঞ্চলের মানুষ ধর্মের প্রতি বেশি শ্রদ্ধাশীল থাকে । যেহেতু ভারতের মুসলমানদেরকে তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি পালন করতে রাষ্ট্রীয় বিধিনিষেধ পালন এবং অনেক ত্যাগ ভোগ করতে হয় সেহেতু ধর্মের বিধি-নিষেধকেও তারা কঠোরভাবে পালন করে থাকে । ভারতবর্ষে ইসলামী প্রতিষ্ঠানের উপর আঘাত আসবে আর মুসলিমরা সেটা অনায়াসে মেনে নিবে এরকমটা ভাবাও বোকামী । অন্যকোনভাবে প্রতিবাদ করতে না পারুক অন্তত ব্যালটের মাধ্যমে তাদের প্রতিবাদ জানাবে, আক্রোশ মিটাবেই । ভারতীয় একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং একটি দলের মূখপত্র মীম আফজাল বলেন, “বাবরী মসজিদ, রাম মন্দিরেরর মত বিষয়কে নির্বাচনের আগে ওঠানোর অর্থই হল ওই ইস্যুগুলোকে আবার বাঁচিয়ে তোলা, পুরনো ক্ষত আবারও নতুন করে খুঁচিয়ে দেয়া । আর সেভাবেই ধর্মীয় মেরুকরনের চেষ্ট হচ্ছে নির্বাচনের আগে” । ২০০৪ সালেও একবার বাবরী মসজিদের স্থানে মন্দির নির্মানের আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল ভারতের কট্টর হিন্দু গোষ্ঠীরা । তাদের জাগ্রত করার পেছনে বিজেপী প্রধান নরেন্দ্র মোদী মূখ্য ভূমিকা পালন করেছিল । মোদির দলের এক নেতা এমনকি মোদিও ভারতকে সম্পূর্ন হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করবেন বলে অভিমত দিয়েছিলেন । তবে মুসলমানদের তীব্র প্রতিবাদের মূখের উগ্র হিন্দুরা এবং তাদের মদদ-দাতারা পিছু হটতে বাধ্য হয় ।

একদিকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যত অন্যদিকে ইসলাম ধর্মীয় মূল্যবোধে আঘাত - কোনটিকে মানদন্ড রেখে বাংলাদেশী মুসলমানরা ভারতীয় লোকসভা নির্বাচনের পক্ষপাতিত্ব করবে । বাংলাদেশের শতকরা ৮০ শতাংশের উপরে মুসলমান থাকলেও মনে প্রাণে ইসলামকে ধারণ করে তা সঠিক হিসাব কারো কাছে না থাকলেও মুসলমানদের কার্যকলাপ দেখলেই কিছুটা ধারনা করা যায় । ইসলামের মৌলিক ইবাদতগুলোর মধ্যে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ অন্যতম । অত্যন্ত দূঃখের হলেও সত্য যে, আশিভাগ মুসলান বসতিপূর্ণ বাংলাদেশের মাত্র পাঁচ শতাংশ মানুষও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ঠিকমত আদায় করে না । বর্তমানকে নিয়েই মানুষের সকল প্রতিযোগিতা । ইতিহাস কিংবা ভবিষ্যত অর্থ্যাৎ মৃত্যুর পরবর্তী জীবনকে সবাই যেন খুব সহজেই ভূলে থাকতে চায় । অথচ এটাকেই আকঁড়ে ধরে মানুষের জীবনের কার্যপদ্ধতি আবর্তিত হওয়া উচিত । ভারতের লোকসভা নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ তাদের যে স্বার্থে বিজেপি কিংবা কংগ্রেসের সাপোর্ট করুক না কেন, ধর্মীয় বিবেচনা অথবা রাজনৈতিক ভবিষ্যত নির্ধারণে মত দেয়া হোক না কেন তা যার যার ব্যক্তিগত ব্যাপার । ইসলাম কারো গোলামী বা কারো অন্যায় সিদ্ধান্তকে মাথা পেতে নেয়ার জন্য পৃথিবীতে আসে নি । বিজেপী তাদের নির্বাচনী ইশতেহাসরে মসজিদের জায়গায় মন্দির স্থাপনের ঘোষণা দিয়ে নির্বাচিত হয়ে তাদের ওয়াদা বাস্তবায়ন করবে আর মুসলমানরা এর বিরুদ্ধে নূন্যতম প্রতিবাদটুকুও করবে না এরকম দূর্বল অবস্থায় মুসলমানরা এখনো পৌঁছেছে কিনা সেটা ভেবে দেখার বিষয় । ধর্মীয় অনুভূতির যে স্থানেই ইসলামের শত্রুদের পক্ষ থেকে আঘাত এসেছে তার প্রতিটির কঠোর জবাব মুসলামনরা দিয়েছে । আশা নয় বিশ্বাস, বিজেপীর এমন স্পর্ধার বিরুদ্ধেও মুসলামনরা চুপ থাকবে না । হোক সে ভারতের কিংবা বাংলাদেশের মুসলমান । মুসলমানরা যে বর্ণের বা ভৌগলিকভাবে যে পরিচয়ের অধিকারী হোক না কেন এদের একটাই পরিচয় আমীর, ওমরা সকলেই ইসলামের নগণ্য খাদেম । রাজনীতির আগে ধর্ম । ধর্মকে তার অস্তিত্ব নিয়ে টিকিয়েই তারপরে রাজনীতি । বিজেপীর ঔধত্যপূর্ণ দুঃসাহসিকতার জবাব ভারতের সকল মুসলমানরা ব্যালটের মাধ্যমে এবং বাংলাদেশসহ বিশ্বের মুসলমানরা বিজেপীর প্রতি ঘৃণার মাধ্যমে শোধ দেবে ।

রাজু আহমেদ । কলাম লেখক ।
[email protected]
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাল্লাগে ভাল্লাগে- ২

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৯


"যে-রাঁধুনী জানে তার তরকারিতে স্বাদ হয়নি, সে নিমেষে লঙ্কার কৌটো উপুড় করে দেবে। তারপর অতিথি যখন কান দিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে হাঁউমাউ করবে, রাঁধুনী তখন মিটিমিটি হেসে বলবে—‘একটু ঝাল বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

চা এর আড্ডা।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১৬



শনিবার
৭ নভেম্বর ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৬ জমাদিউল আ. ১৪৪৮ হিজরি

কিছু মুহূর্ত কখনো হারিয়ে যায় না, সময়ের স্রোতে শুধু স্মৃতি হয়ে মনের গভীরে জমা থাকে।

২০১১ সাল। তখন আমি ইন্টারে পড়ি। নানীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

২৪'র ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশে ডানপন্থা ও মৌলবাদী চেতনা-রাজনীতির চরম উত্থান

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৩



২৪-এর ৫ আগস্টের পর দেশ দীর্ঘদিনের স্বৈ/রাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়েছিল ঠিকই; কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেশ চলে গিয়েছিল বিপুল সংখ্যক ডা*নপন্থী বা মৌ*লবাদী চেতনা বা রাজনীতির ধারক-বাহক-সমর্থকদের কবলে।
হ্যাঁ, হাসিনার পতনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×