somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সত্যকা
রাজু আহমেদ । এক গ্রাম্য বালক । অনেকটা বোকা প্রকৃতির । দুঃখ ছুঁয়ে দেখতে পারি নি ,তবে জীবনের সকল ক্ষেত্রে অনুভব করেছি । সবাইকে প্রচন্ড ভালবাসি কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে প্রকাশ করতে পারি না । বাবা এবং মাকে নিয়েই আমার ছোট্ট একটা পৃথিবী ।

আনন্দ মেলার নামে সমাজ ধ্বংসের পাঁয়তারা চলছে

২৩ শে মার্চ, ২০১৫ সকাল ৯:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রতিযোগীতামূলক বিশ্বে দিনে দিনে মানুষ যান্ত্রিক মানবে পরিণত হচ্ছে । ব্যস্ততা মানবজীবনকে এমনভাবে ঘিরেছে যেন দম ফেলার সামান্যতম ফুসরৎ নাই । কর্মঘন্টার কোন এক ফাঁকে একটু বিশ্রাম নিতে গেলেই যেন চলমান প্রতিযোগীতা থেকে মানুষ অনেক পিছিয়ে পড়ছে । তাই ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও মানুষ মুক্ত জীবনে ফিরে যেতে পারছে না । তবুও মানুষ মূহুর্তের জন্য হলেও একটু বিশ্রাম খোঁজে । মানব দেহ তো আর যন্ত্র না যে সেটা মেশিনের মত অনবরত কাজ করতে পারবে । কাজ করতে করতে স্বাভাবিকভাবেই মানুষের দেহ-মন অবসাদে আক্রান্ত হয় । শুধু পেটপুরে খেয়েই তো আর সুস্থ থাকা যায়না । দেহ-মনকে সুস্থ রাখার জন্য আনুষঙ্গীক আরও অনেক কিছুই দরকার । মানুষের বেঁচে থাকার জন্য যেমন খাদ্য গ্রহন আবশ্যক তেমনি মনকে প্রফুল্ল রাখার জন্য প্রয়োজন চিত্তবিনোদনের । মনের সুস্থতা ছাড়া মানুষ স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে পারে না । মন সুস্থ থাকলে দেহ এমনিতেই সুস্থ থাকে । কর্মক্ষম থাকার জন্য মনটাকে সতেজ রাখা জরুরী । মনকে সতেজ রাখতে অনেকগুলো শর্ত পূরণ করতে হয় । সুস্থ বিনোদন মনকে সতেজ ও প্রফুল্ল রাখতে অনবদ্য ভূমিকা পালন করে । বিনোদনের কথা উঠলে তার মধ্যে অনেক কিছুই এসে যায় । শারীরিক ব্যায়াম, খেলাধুলা থেকে শুরু করে গান-বাজনাসহ আরও কত কী । মানুষের সুষ্ঠু স্বাভাবিক বিকাশের জন্যও চিত্তবিনোদনের প্রয়োজন । বিশ্বায়ণের যুগে চিত্তবিনোদের সংজ্ঞা পাল্টিয়ে দেশীয় সংস্কৃতির সাথে বহু আন্তর্জাতিক সংস্কৃতি যোগ হয়েছে । বিদেশী সেসব সংস্কৃতির মধ্যে কতগুলো আমাদের দেশের মানুষের জন্য উপকারী হলেও এমন কযেক ধরণের সংস্কৃতিও যোগ হয়েছে যা অনুসরণ করলে নৈতিক অধঃপতন ভিন্ন উন্নতির কোন সম্ভাবনা নাই । চিত্তবিনোদনের উপকরণের মধ্যে নাটক সিনেমার ভূমিকা অনবদ্য । আমাদের দেশের সাংস্কৃতির অঙ্গন নাটক-সিনেমায় অনেক সমৃদ্ধ । মনের খোরাক হিসেবে আনন্দ-বিনোদন প্রাপ্তির জন্য যতটুকু আবশ্যক তার সব কিছুই এর মধ্যে রয়েছে । তবে কখনো কখনো বিদেশী সংস্কৃতির অনুকরণ করতে গিয়ে আমাদের দেশের নাটক-সিনেমায়ও অশ্লীলতা প্রবেশ করেছে । ধীরে ধীরে সে অশ্লীয়তার গভীরতা বৃদ্ধি পেয়ে স্থায়ী একটা ক্ষতের সৃষ্টি করেছে । মানসিকতার পচন সৃষ্টিকারী সে ক্ষত শুধু নিজেই বাড়ছে না বরং সমাজকেও ধ্বংসের দিকে টেনে নিচ্ছে । এছাড়া আকাশ সংস্কৃতির উন্মুক্ততার সুযোগ নিয়ে এমন সব সংস্কৃতির ছোঁয়া নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছেছে যা বিবেক ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট । অশ্লীল সংস্কৃতির প্রভাবে দিন দিন সমাজে অন্যায়-অপরাধ বেড়েই চলছে । অথচ এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্তির চেষ্টা না করে আরও গভীরে শিকড় প্রথিত করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে ।

প্রতি বছরের ফেব্রুয়ারী-মার্চ-এপ্রিল জুড়ে দেশের প্রায় প্রতিটি শহর-নগরে আনন্দ মেলার নামে একটি উৎসব বসে । এটাকে আবার কখনো যাত্রা কিংবা সার্কাস নামেও নামকরণ করা হয় । বিভাগীয় শহর থেকে শুরু করে উপজেল-থানা পর‌্য্যায় পর‌্যন্ত এর আয়োজন করা হয় । স্থানভেদে এর রূপও ভিন্ন হয় । অল্প সময়ে কোটি টাকা আয়ের এ এক সুবর্ণ সুযোগ । কয়েক রাতের মধ্যেই কর্তৃপক্ষ কোটিপতিতে পরিণত হয় । লাভের অঙ্কটাই মূখ্য বিষয় নয় কেননা অবসন্ন মনকে প্রফুল্ল করার জন্য এ তো এক মহা আয়োজন ! নামে আনন্দ মেলা হলেও এর মাধ্যমে কতটুকু আনন্দ দেওয়া হয় তার সীমা সম্পর্কে ধারণা পেতে এ সংশ্লিষ্ট লোকদেরকে জিজ্ঞাসা সাথে কথা বলেছিলাম । অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে যখন বৃহৎ কিংবা মফস্বল শহরে আনন্দ করার একটু সুযোগও রাখা হয়না তখন এ ধরণের আনন্দ মেলার দিকে মানুষ আগ্রহী হয় । কিন্তু আনন্দ মেলায় যেসব কর্মকান্ড হয় তা কি সভ্য ও রুচিশীল মানুষের জন্য ? স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সময় কাটানোর আদৌ কি কোন অবস্থা সেখানে থাকে ? দিনের আলোতে হয়ত কিছু সময় ঘুরে বেড়ানো যায় কিন্তু রাত গভীর হওয়ার সাথে সাথে সেখান থেকে যেন শয়তানও পালাতে চায় !

মেলার কথা উঠলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে হরেক রকমের খাবার, নতুন নতুন জিনিসের সংগ্রহ । যে জিনিসগুলো দেখতে আকর্ষণীয় কিন্তু দামে হবে সস্তা । শিশুদের জন্য থাকবে নাগরদোলা, বেলুন ফাটানো, ট্রেন ভ্রমন, পুতুল নাচের ব্যবস্থা । সব বয়সীদের জন্য থাকবে হরেক রকমের আয়োজন যা প্রকৃত আনন্দ দিতে সক্ষম । বৃত্তাকার স্থানে ব্রেকহীন মটরগাড়ীর ঘুর্ণয়মান অবস্থা, হাতি দিয়ে নানা কৌশল দেখানো, বানর কিংবা সাপের খেলা, ম্যাজিকসহ আরও কত কি । মেলার কোন এক কর্ণারে বসে ক্যানভাসার চিল্লিয়ে চিল্লিয়ে তার রকমারী জিনিসের সাফল্যের কথা বলে দর্শক-ক্রেতাদরে আকৃষ্ট করবে । আড্ডার ফাঁকে ফাঁকে থাকবে ধুমায়িত কাপের পার্শ্বে চুমুক । দল বেঁধে বন্ধুরা ঘুরবে এক স্টল থেকে আরেক স্টলে । ক্রয়ের চেয়ে দেখবে বেশি । ফাঁকে ফাঁকে পছন্দের দু’এটি কিনেও নিবে । বাহারি আলোকচ্ছটায় বর্ণিল হবে মেলার চারধার । ছোট্ট শিশুরা দলবেঁধে ছুটবে আর চিৎকার চেঁচামেচি করবে । এ যেন এক ভিন্ন পরিবেশ । শত দুঃখে দুঃখী মানুষও এখানে উপস্থিত হলে আনন্দের উপলক্ষ খুঁজে পাবে । কেননা মেলা যে আমাদের দেশীয় সংস্কৃতি । দেশের মানুষকে কিভাবে আনন্দের মাধ্যমে সুখ দেওয়া যায় তার পরিকল্পনা করেই এ মেলার আয়োজন । কিন্তু বর্তমানে বাংলার ঐতিহ্যবাহী মেলার পিছনে আনন্দ নামক বিশেষণ সংযুক্ত করে এখন কি সব কান্ডকারখানা করা হচ্ছে ? আনন্দ প্রদানের এমন সব আয়োজন করা হচ্ছে যা সমাজকে কলুষিত করছে । মানুষকে ক্ষণিকের মোহাবিষ্ট করে ধ্বংস করা হচ্ছে মানুষের নীতি নৈতিকতা ।পরিবার, সমাজে অপরাধ বৃদ্ধির সব রসদ প্রকাশ্যেই দিয়ে দেওয়া হচ্ছে । এভাবে আর কতদিন চলবে ?

আনন্দ মেলার নামে যে সব কান্ডকারখনা হয় তার মধ্যে জুয়া খেলা অন্যতম । জুয়া কোনদিন মানবের উপকারী হতে পারে না । অর্থ ধ্বংসের এক চরম খেলা হিসেবে যুগে যুগে এটা পরিচিত ছিল । ধর্মীয়ভাবে যেমন জুয়া খেলার বৈধতা নাই তেমনি বৈধতা নাই রাষ্ট্রীয় আইনের মাধ্যমেও । জুয়া সর্বগ্রাসী একটি পদ্ধতি । হাজার হাজার লোকের মধ্যে মাত্র কয়েকজনকে বিত্তশালী করে অন্যদেরকে সমূলে ধ্বংস করে দেয় । জুয়ায় শুধু অর্থ নষ্ট হয়না বরং সমাজে ডেকে আনে নানা জটিলতা । পারিবারিক ও সামাজিক শৃঙ্খলা কেড়ে নেয় । জুয়ারীরা সমাজে যে কোন অন্যায় করতে পারে । ন্যায়-অন্যায় বলে তাদের কাছে কোন আলাদা মানদন্ড থাকেনা । তাদের কারণে সমাজে বিশৃঙ্খলা ঘণীভূত হয় । আনন্দ মেলায় জুয়ার কয়েক ধরণের পদ্ধতির চর্চা হয় । তার মধ্যে গুটি জুয়া ও হাউজি অন্যতম । নিমিষে ভাগ্য বদলানোর আশায় অনেকেই নিজের সর্বস্ব জুয়া খেলে উড়িয়ে দেয় । অবশ্য তাদের ভাগ্যও বদলায় তবে সেটা নেতিবাচকভাবে ! হাউজি অন্যতম একটি জোচ্চুরি । অবস্থান ভেদে নাম্বার ফর্দের দাম ভিন্ন হয়ে থাকে । সংখ্যা মিলানোর এ খেলায় আয়োজক কর্তৃপক্ষ লাখ লাখ টাকা আয় করে নিলেও অংশগ্রহনকারীরা শুণ্য । যারা হাউজিতে অংশগ্রহন করে তাদের সিংহভাগই ক্ষতিগ্রস্থ হয় । এছাড়া প্রতিদিন র‌্যাফেল ড্র’র নামে লটারি বিক্রি করেও তারা কোটি কোটি টাকা আয় করে নিয়ে যায় ।

আনন্দ মেলার সবচেয়ে আকর্ষণীয় তবে মানবতার জন্য ক্ষতিকর কাজটি হয় রাতের বেলায় । রাত যত গভীর হয় ততই জমে ওঠে মেলার মূল আকর্ষণ । যাত্রার নামে মেয়েদের নগ্ন নাচে মগ্ন হয় সমাজের একাংশ তরুণ । নগ্ন নাচ দেখতে দেখতে বসে মদ, ফেনিসিডিল ও গাঁজার আসর । প্রায় সারা রাত ধরে চলে এ নগ্ন উৎসব । ক্ষণিকের মোহে মানুষ তার বিবেক বিসর্জন দেয় । প্রতিটি ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথেই নগ্ন নাচ অস্থায়ীভাবে বন্ধ হলেও এর প্রভাব বন্ধ হয়না । যে তরুণ-যুবকের সারা রাত নগ্নতা উপভোগ করে তার প্রভাব কি খুব দ্রুত শেষ হতে পারে ? তাইতো ধর্ষণ, গণধর্ষণ, পরকীয়া, ইভটিজিংসহ নানা ধরণের অপরাধ সমাজে বাড়তেই থাকে । অবশ্য নারীর প্রতি এ জাতীয় অপরাধ দমনে রাষ্ট্রের আইন আছে এবং মিডিয়ায় বেশ আলাপচারিতাও চলে কিন্তু অপরাধের কারখানায় অপরাধ উৎপাদন অব্যাহত রেখে তো ভোক্তাকে ফিরিয়ে রাখা যাবে না । দেশের উঠতি তরুণ-যুবকদেরকে ধ্বংসের এ আয়োজন কেন ? এগুলো বন্ধ করা উচিত । অপরাধকে চিরকাল অপরাধ হিসেবেই পরিচয় দেয়া উচিত । প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে যে অপরাধ সংগঠিত করা হয় তা দমন করতে না পারলে সমাজে যে ক্ষত সৃষ্টি হবে তা ঘুচানোর সাধ্য কারো থাকবে না । আইনও তখন অসহায় ভূমিকা পালন করবে ।

যে সকল স্থানে আনন্দ মেলার আয়োজন করে নানা ধরণের অপরাধ কর্মের সুযোগ করে দেওয়া হয় তা শহর থেকে খুব দূরে কিংবা প্রশাসনের অগোচরে নয় । কিভাবে এ ধরণের অশ্লীলতার আয়োজকরা তাদের আয়োজন সফলতার সাথে শেষ করে তা নিয়েও রয়েছে নানা জিজ্ঞাসা । প্রশাসন কি কিছুই জানে না ? জুয়া খেলা যেহেতু রাষ্ট্রীয় আইনের মাধ্যমেই নিষিদ্ধ কাজেই প্রশাসনের সামনে সে অপরাধ হয় কি করে ? রাতের নগ্ন নাচনেওয়ালীরা কোন বলে প্রকাশ্যে নগ্ন হয়ে যুব সমাজকে ধ্বংস করার সাহস পায় ? বিভিন্ন মানুষের সাথে আলাপ করে যা স্পষ্ট হয়েছে তা সত্যিই অবাক করার মত । লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে অবৈধকে বৈধ করতে সময় লাগে না । স্থানীয় নেতা থেকে শুরু করে খোদ প্রশাসনের উচ্চ পর‌্যায় পর‌্যন্ত সবার মূখ বন্ধ করার ব্যবস্থা থাকে । তাই কেউ আর বাঁধার কারণ হতে যান না । পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় শান্তির জন্য আনন্দ মেলার নামে এসব অনৈতিক আয়োজন বন্ধ করা সময়ের দাবী । এ অশ্লীলতা বন্ধ হলে নারীদের সাথে সংগঠিত অপরাধ বহুলাংশে কমে যাবে । কাজেই প্রশাসনকে সঠিকভাবে আইনের দায় শোধ করতে হবে । মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশে প্রকাশে জুয়া খেলা কিংবা নগ্ন নাচের আয়োজন করা হবে তা মেনে নেওয়া যায় না । এর বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে ওঠা জরুরী । সব কিছুর পরেও মূল ভূমিকা প্রশাসনকেই পালন করতে হবে । সমাজকে ধ্বংসে হাত থেকে রক্ষা করুণ । যুব-তরুণেরা আদর্শবান হয়ে গড়ে না উঠলে রাষ্ট্র মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে এবং সে ক্ষতির প্রভাব সামগ্রিকভাবে সবাইকেই সহ্য করতে হবে । তাইতো অবিলম্বে আনন্দ মেলার নামে নিষিদ্ধ জুয়া ও অশ্লীলতার আয়োজন বন্ধ করার ঘোষণা দিতে হবে এবং স্থায়ীভাবে এটাকে নিষিদ্ধ করতে হবে । দেশে কাজের অভাব নাই । সুতরাং এ মেলার সাথে সংশ্লিষ্টরা ভিন্ন কোন সামাজিক পেশার সাথে যুক্ত হয়ে তাদের জীবিকা ধারণ করুক । নগ্নতা এ জাতির জন্য কল্যান সাধণ করতে পারবে না-এ চির সত্যটি সবাইকে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতে এবং সে অনুযায়ী কাজ করতে হবে বিশেষকরে দায়িত্বশীলদের তো আরও বেশি গুরুত্ব দিয়ে ।

রাজু আহমেদ । কলামিষ্ট ।
facebook.com/raju69mathbaria/


০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেয়ালের ছবি আর বই এর পাতায় আধিপত্য দেখে ! অথচ বন্দর আর কড়িডোরের অসম চুক্তিতে সব শিয়ালের এক রা॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:১২


দেশ বিক্রির পরীক্ষিত ঠিকাদার....



দেয়ালের ছবি দেখলেই ভারতীয় আধিপত্য, আর বন্দর বেচে দিলে নীরবতা কেন?

দেয়ালে একটা ছবি আঁকা দেখলেই যাদের মুখে ফেনা উঠে যায় - "বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কিন সেনা কর্মকর্তা কর্মকর্তার মেজর নিদাল্ল হাসানের মৃত্যুদণ্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



নিদাল হাসান (পুরো নাম: নিদাল মালিক হাসান) হলেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন সাবেক মেজর এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (Psychiatrist)।

২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে সংগঠিত এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×