somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সত্যকা
রাজু আহমেদ । এক গ্রাম্য বালক । অনেকটা বোকা প্রকৃতির । দুঃখ ছুঁয়ে দেখতে পারি নি ,তবে জীবনের সকল ক্ষেত্রে অনুভব করেছি । সবাইকে প্রচন্ড ভালবাসি কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে প্রকাশ করতে পারি না । বাবা এবং মাকে নিয়েই আমার ছোট্ট একটা পৃথিবী ।

বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ

১৫ ই আগস্ট, ২০১৫ সকাল ৯:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জর্জ ওয়াশিংটন ছাড়া যেমন যুক্তরাষ্ট্র, কামাল আতাতুর্ক ছাড়া যেমন আধুনিক তুরস্ক, নেলসন ম্যান্ডেলা ছাড়া যেমন দক্ষিণ আফ্রিকা, মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী ছাড়া যেমন ভারতের ইতিহাস পূর্ণতা পায়না তেমনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছাড়া বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের ইতিহাস কল্পনা করা যায় না । বঙ্গবন্ধু একটি নাম একটি অসমাপ্ত ইতিহাস । বাংলাদেশের সাথে বঙ্গবন্ধু কিংবা বঙ্গবন্ধুর সাথে বাংলাদেশ অবিচ্ছেদ্দভাবে জড়িত । যেন একটি আরেকটির পরিপূরক । আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার নামে ১৯৬৮ সালে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী যে বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্র বিরোধী হিসেবে চিহ্নিত করতে চেয়েছিল সেই মানুষটিই পরবর্তীতে বাংলাদেশীদের প্রাণের পুরুষে পরিণত হয় এবং তাকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের স্বতন্ত্র পরিচয়ের কথা কল্পনাতীত হয়ে দাঁড়ায় । ১৯৪৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পর আমৃত্যু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশীদের মুক্তি ও অধিকার ফিরিয়ে আনতে সর্বদা সচেষ্ট ছিলেন । ’৫২ এর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ’৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ পর্যন্ত তিনি এ জাতির পক্ষে ত্রাতার ভূমিকায় ছিলেন । হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর শিষ্য হিসেবে তিনি কখনো ক্ষমতার মোহে অন্ধ হননি বরং সর্বদা চেষ্টায় ছিলেন কিভাবে এদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র এবং এ জাতিকে স্বতন্ত্র জাতীয়তাবোধের স্বাদ দিতে পারেন । পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠীর অপসাশনের বিরোধীতা করার জন্য শেখ মুজিবুর রহমানের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের উল্লেখযোগ্য অংশ কারগারে কেটেছে । ফাঁসির হুমকিতেও তিনি ব্যক্তিস্বাতন্ত্রবোধ কিংবা এ জাতির অধিকার আদায়ের পক্ষে অবস্থান থেকে এক চুলও পিছপা হননি । পাকিস্তানে বর্বর শাসকগোষ্ঠী যখন সর্বত্র থেকে বাংলা নামক শব্দটি উচ্ছেদে ব্যস্ত তখন তিনি বুক চিতিয়ে বাংলাকে বিশ্বের বুকে প্রতিষ্ঠা করতে দৃঢ় সংকল্প । হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর স্মরণসভায় উপস্থিত হয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘এক সময় এ দেশের বুক হইতে, মানচিত্রের পৃষ্ঠা হইতে বাংলা কথাটির সর্বশেষ চিহ্নটুকু চিরতরে মুছিয়া ফেলার চেষ্টা করা হইয়াছে, একমাত্র বঙ্গোপসাগর ছাড়া আর কোন কিছুর সঙ্গে বাংলা কথাটির অস্তিত্ব খুঁজিয়া পাওয়া যায় নাই । আজ আমি ঘোষণা করছি এটা পূর্ব পাকিস্তান নয় শুধু বাংলাদেশ’ ।

আমেরিকার মত বিশ্বের সুপার পাওয়ার বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধীতা করলেও শুধু বঙ্গবন্ধুর সীমাহীন আত্মবল, মানুষের প্রতি তার ভালোবাসা এবং তার প্রতি মানুষের বিশ্বাস বিশ্বমানচিত্রে নতুন করে ’৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর স্থান করে নেয় আরেকটি রাষ্ট্রের নাম । আর সেটা আমাদের লাল-সবুজ পতাকাখোচিত বাংলাদেশ । যে দেশের ইতিহাস পাঠ করতে গেলে বঙ্গবন্ধুর নাম অবশ্যই বারবার উচ্চারিত হবে । যে মানুষটি বাংলাদেশ ও বাংলাদেশীদের জন্য তার জীবন-যৌবন উৎসর্গ করলেন তাকে আমরা কতটুকু ভালোবাসতে পেরেছি ? দীর্ঘ সংগ্রাম শেষে ত্রিশ লাখ শহীদের বুকের তাজা রক্ত ও দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম-আভ্রুর বিনিময়ে বাংলাদেশে স্বাধীন হওয়ার পর যখন তিনি দেশের গঠনমূলক কাজ শুরু করবেন তখনই দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র এবং একদল উচ্চবিলাসী বিপথগামী সৈন্য ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট রাতের শেষ প্রহরে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারকে নৃশংসভাবে খুন করে । যেই ব্যক্তিটি আমাদেরকে নতুন ঠিকানা দিলেন তার খুনীদের বিচার করতে আমাদের দীর্ঘ প্রায় তিন যুগ লেগেছে । তবুও সকল খুনীদের শাস্তি নিশ্চিত করা এখনো সম্ভব হয়নি । বিভিন্ন দেশের ইতিহাস পাঠ করলে দেখা যায় কিছু কিছু দেশের বিখ্যাত ব্যক্তিরা আততায়ীদের হাতে খুন হয়েছেন । এর মধ্যে ভারতের ইন্দিরা গান্ধী ও রাজীব গান্ধী, আমেরিকার আব্রাহাম লিংকন, জন এফ কেনেডি ও কিং মার্টিন লুথার এবং লেবাননের কামাল জুমলাত উল্লেখযোগ্য । কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ঘটনা বিশ্বের ইতিহাসে বিরল । কেননা একটি পরিবারের সমস্ত সদস্য এমনকি চার বছরের শিশুপুত্র রাসেল কিংবা কারো গর্ভের সন্তানসহ একটি পরিবারের নিরাপত্তারক্ষী, কাজের মেয়েকে হত্যা করার ঘটনা ইতিহাস নজিরবীহিন অথচ আমাদেরকে স্বাক্ষী হতে হয়েছে তেমন দুঃসহ ইতিহাসের । শিল্প-সাহিত্যে যেমন অন্ধযুগ রয়েছে তেমনি বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশও রাজনীতির অন্ধগলিতে প্রবেশ করেছিল ।

আগষ্ট এলেই মনের ভেতরটা হু হু করে ওঠে । কষ্টে যন্ত্রনায় যেন দুমড়ে-মুচড়ে যাই । আগষ্ট মাস দেশ এমন কতিপয় মহীরুহকে হারিয়েছে যাদের শুণ্যস্থান কোনদিন পূরণ হওয়ার নয় । আগষ্টে যারা স্বাভাবিক কিংবা অস্বাভাবিকভাবে মৃত্যু বরণ করেছে তাদের মধ্যে যেমন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, কবি-সাহিত্যক ও সাংবাদিক রয়েছেন তেমনি রয়েছে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষক । তাদের সবার মৃত্যুই দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের বৃহৎ শুণ্যতার সৃষ্টি করেছে । কাউকে না কাউকে নিভৃতে কাঁদিয়েছে কিংবা আজও কাঁদায় । অতীতের বিভিন্ন বছরের আগষ্টে যারা মুত্যুবরণ করেছে তাদের সকলের কথা উল্লেখ করা সম্ভব না হলেও অন্তত ১৯৪১ সালের ৭ আগষ্ট বাঙালী জাতির আত্মছবি অঙ্কিত করার নিপুন কারিগর তথা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মুত্যু, ১৯৭৬ সালের ২৯ আগষ্ট বাঙালীদের প্রাণের কবি তথা সাম্য, দ্রোহ ও প্রেমের কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যু, ২০০৬ সালের ১৭ আগষ্ট আধুনিক বাংলা কবিতার বরপুত্র কবি শামসুর রহমানের মৃত্যু, ২০০৪ সালের ১১ আগষ্ট বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক কবি হুমায়ুন আজাদের মৃত্যু, ১৯০৮ সালের ১১ আগষ্ট ফাঁসির রজ্জুতে দেশপ্রেমিক ও বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর মৃত্যু কিংবা ২০১১ সালের ১৩ আগষ্ট সড়ক দূর্ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ও চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ মৃত্য স্মরণযোগ্য । তবে সকল মৃত্যুর দুঃখকে ছাপিয়ে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট দিনটি বাংলাদেশীদের কাছে এক বিভীষিকার দিন । প্রতি বছরের এ দিনটিতে বাংলাদেশীদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয় । ১৫ আগষ্টের বুকে চাপা কষ্টগুলো যখন জেগে ওঠে তখন প্রত্যেক বাংলাদেশীকে মৃত্যুসম যন্ত্রনা দেয়, জাতি হিসেবে আমাদের গাদ্দারীর চিত্র সামনে এসে দাঁড়ায় এবং আমাদের অথর্বতা প্রমাণ করে । তবে আগষ্ট মাসে যারা মৃত্যুবরণ করেছে তাদের গুরুত্ব এবং অর্জনভেদে দুঃখ কিংবা শোকের মাত্রা কমবেশি হওয়া অস্বাভাবিক নয় । বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশকে স্বাধীনভাবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা যেমন কোন অবস্থাতেই অস্বীকার করার উপায় নেই তেমনি ক্ষুদিরামের মত বিপ্লবীরা যদি হাসি মূখে ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়ানোর সাহস না করত তবে বৃটিশ কলোনী থেকে পাকিস্থানের কিংবা পাকিস্থান থেকে বাংলাদেশের জন্ম পর্যন্ত হয়ত আমাদের ভাবনায় উঁকিই দিত না । সাহিত্যে সম্মৃদ্ধির জন্য যেমন নজরুল, রবীন্দ্রনাথদের প্রয়োজন ছিল তেমনি পাকিস্থানের শোষণ থেকে মুক্ত করে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা অস্বীকার করা বাংলাদেশের জাতীয়তাবোধকে উপেক্ষা করার নামান্তর । স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় রণাঙ্গনে যুদ্ধ করার শক্তি-সামর্থ্য দেশের লাখো মানুষের ছিল কিন্তু সকল যোদ্ধাকে সমন্বয়-সংগঠিত করে প্রেরণা এবং কৌশল দেয়ার নেতৃত্বের গুনাবলী কেবল শেখ মুজিবুর রহমানেরই ছিল । সকল দল-মতের উর্ধ্বে অবস্থান করে একথা অবশ্যই স্বীকার করতে হবে, নিশ্চয়ই বঙ্গবন্ধুর দৃঢ়তা এবং বলিষ্ট নেতৃত্বের কল্যানেই আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছি । তবে শাহাদাৎ পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে যে রাজনীতির মেরুকরণ হয়েছে তা আকাঙ্খিত নয় । সকল রাজনৈতিক মতাদর্শের উর্ধ্বে যে মানুষটিকে স্থান দেয়ার কথা ছিল তাকে কেন্দ্র করেই আমরা রাজনীতির মাঠে পক্ষ-বিপক্ষ তৈরি করেছি । এত বঙ্গবন্ধুর লাভ-ক্ষতি কতটুকু হয়েছে তা জানিনা তবে আমরা যে হীনমণ্যতা দেখিয়েছি তাতে সন্দেহ নাই ।

’৭৫ এর ১৫ আগষ্ট কালোরাতের শেষ প্রহরে কয়েকজন বিপথগামী সেনা সদস্য ও অফিসারের হাতে বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা নিহত হন । নিহতের তালিকায় যেমন ছিলেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্র্মীনি, পুত্র-পুত্রবধু তেমনি বঙ্গবন্ধুর ভাগিণা এবং তার গর্ভবতী স্ত্রীসহ ছিল আরও অনেক । দুর্বৃত্তদের নির্মম বুলেটে শেখ মুজিবুর রহমানের ৪ বছরের নিষ্পাপ শিশুপুত্র শেখ রাসেলকে যেমন রেহাই দেয়নি তেমনি আব্দুল্লাহ সেরানিয়াবাতের ৪ বছরের নাতি সুকান্ত আব্দুল্লাহ বাবুও রক্ষা পায়নি । কুলাঙ্গারেরা বঙ্গবন্ধুর পুরো পরিবার ও আত্মীয় স্বজনের মধ্য থেকে ২৬ জনকে নির্মম ভাবে হত্যা করেছিল । রাসেলের মত মায়ামাখা মুখচ্ছবির শিশুর বুকেও গুলি চালানোর সময় হায়েনাদের হাত একাবারও কাঁপে নি । ভাগ্যগুনে পড়াশুনার জন্য জার্মানীতে অবস্থান করার কারনে বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার ছোটবোন শেখ রেহানা প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন । বঙ্গবন্ধুকে হত্যার অন্তরালে হায়েনাদেরকে কারা প্রলুব্ধ করেছিল তার সঠিক প্রমাণ আজও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি তবে হত্যাকান্ডের প্রায় তিনযুগ পর নবম জাতীয় সংসদের সরকার বঙ্গবন্ধু এবং তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকারীদের মধ্য থেকে কয়েকজন দোষীকে শাস্তির মুখোমুখি করে জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করেছে এবং বঙ্গবন্ধুর প্রতি ঋণের কিয়দাংশ পরিশোধ করার জাতি সুযোগ পেয়েছে । তবে এখনো অনেক আসামী ধরাছোঁয়ার অন্তরালে রয়ে গেছেন । বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন ধারক হিসেবে সরকারের কাছে দাবী, যেন বঙ্গবন্ধুর বাকী হত্যাকারীদেরকেও অবিলম্বে দেশে ফিরিয়ে এনে শাস্তির মুখোমুখি করা হয় এবং কোন স্বার্থে তারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল তার সঠিক রহস্য উম্মোচন এবং এর পিছনে যদি কোন দেশীয় কিংবা আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র থাকে তবে সে ষড়যন্ত্রে কারা জড়িত ছিল তাও যেন প্রকাশ করা হয় ।

বঙ্গবন্ধুর ৪০তম শাহাদাৎ বার্ষিকিতে দাঁড়িয়ে সকল রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে অনুরোধ, বঙ্গবন্ধুর মত মহৎমনের মানুষটিকে রাজনীতির গন্ডিবন্দ করে তাকে সংকুচিত করা উচিত হবে না । জাতীয় নেতা হিসেবে তাকে সবার জন্য উম্মুক্ত করে দিন । ঘাতকরা ব্যক্তি বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পেরেছে কিন্তু তার আদর্শ, দর্শন কিংবা শিক্ষাকে কি কোনদিন দমিয়ে রাখতে পারবে ? আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বাংলাদেশকে সোনার দেশে পরিণত করতে চাই । ’৭১ সালের মার্কিন সাপ্তাহিকি ‘নিউজ উইকে’ লোরেন জেঙ্কিসের প্রতিবেদনে বঙ্গবন্ধুকে রাজনীতির কবি আখ্যা দেওয়া হয়েছে । ২০০৪ সালের ১৪ এপ্রিল বিবিসি বাংলার জরিপে তাকে ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ বাঙালীর মর্যাদায় ভূষিত করা হয়েছে । তবে আমরা বঙ্গবন্ধুকে আরও অনেক উচ্চতায় উচ্চতায় দেখতে চাই । এজন্য তাকে রাজনীতি মুক্ত রাখতে হবে । ভারতে যেমন করমদাস মোহনচাঁদ গান্ধীকে সকল দল-মতের কাছে গ্রহনযোগ্য করা হয়েছে তেমিন বঙ্গবন্ধুকেও অচিরেই সার্বজনীন করার ব্যবস্থা করা হোক । শুধু সাংবিধানিক জাতির পিতা নয় বরং তাকে সব মানুষের ভালোবাসায় জাতির পিতা করার উদ্যোগ নিতে হবে । সবশেষে বলতে চাই-
ভুলি নাই বাবা, ভুলি নাই তোমায়, ভুলি নাই তোমার নাম
বুকের রক্ত দিয়ে হলেও রেখে যাব তোমার মান ।।

রাজু আহমেদ । কলামিষ্ট ।
facebook.com/raju69mathbaria/

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই আগস্ট, ২০১৫ সকাল ৯:২৯
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ব্লাইন্ড স্পট

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৭



ঘন কুয়াশার চাদর আর আঁকাবাঁকা সড়কের আড়ালে ‘পদ্মাডাঙা’ গ্রামটা দেখতে আর দশটা নীরব, নিরুপদ্রব পল্লীর মতোই। কিন্তু সাইবার অপরাধের মানচিত্রে এই জায়গার পরিচয় ভিন্ন। ফিশিং, ব্যাংক... ...বাকিটুকু পড়ুন

কাতুকুতু'র কাহিনীনামা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭

কাতুর সাথে কুতু দিয়ে হচ্ছো পগারপাড়,
ফের যদি আসো কাছে বলবো- 'খবরদার!'
একটু হেসে, কাছে এসে, দিচ্ছো বুঝি কাশি,
ঝুলিয়ে দাড়ি, যাচ্ছো বাড়ি, যেথায় আছেন মাসি।

তোমার সাথে, দুধে-ভাতে, গপ্প করছি কত,
তবু কেন, ঘন... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙালিয়ানা ভোজ ও রুপালি ইলিশের স্বাদ

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৫৫

বন্ধু মারফত খবর পেলাম দেশের বাজার নাকি ভারতীয় ইলিশে সয়লাব। পদ্মার ইলিশের দাম কম, তাই নিম্নচাপ উপেক্ষা করে চলে গেলাম ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে। ঘাটে এসে দেখলাম পুরা বাজার... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রজ্ঞার জয়ধ্বনি বিজ্ঞান ও যুক্তির মহাকাব্য

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৩৯


ভূমিকা
সকল নবি ও রাসুল প্রতি সালাম ও দুরুদ পর
দাউদের সুরে, মূসার পথে, ঈসার প্রেমের বাণী
মুহাম্মদের মরু পেরিয়ে শুনেছি যুগের ধ্বনি
কৃষ্ণের বাঁশি, বুদ্ধের ধ্যান, সুফির অন্তর সন্ধান
যোগীর তপে, মরমীর গানে খুঁজেছি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওমীলীগকে সম্পর্কে কি আপনার মনে এখন কোনো পজিটিভ চিন্তা উঁকি দেয়?

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:০৬


বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতি মূলত চারটি বিষয়ের উপর মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পায়।
প্রথমত, মানুষ মনে করে এ দলটি ক্ষমতায় থাকলে স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষা পায়। এটা খুবই সত্য যে ১৯৭১ সালে আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×