
আজাহার ডাকিয়া কহিলো প্রিয় সুহৃদ রুবার সনে,
আমাদের পর করিলি পাষাণী, ইহাই ছিলো তোর মনে?
বাণেরজলে ভাসিয়া যাইবো, আসিয়াছি যেথা হইতে
ভেলাও সাথে নেবনা, পাড়ি দেবো হাতে পায়ে সাঁতরিয়ে।।
জহিরুল সাধিল বাদ, কি বলিলি যাইবি কোথায় তুই?
সকলেই সুহৃদ মোরা হেথায়, এসো মিলিয়া মিশিয়া রই।
আপন অধিকার আসেনা চাহিয়া, করিতে হয় আদায়।
হোউক সে আপন কিবা পর, উচ্চারিবে নির্দ্বিধায় ।।
রাখাল বাজাইয়া করুণ সুর তাহার ভাঙা বাঁশরিতে,
কহিল – চলো মোরা হারাইয়া যাই, ভাসিতে ভাসিতে ।
আর দেরি কেন! আজিকেই ডাকিয়া আনো সকলে,
ভাসিতে হইবে স’দলবলে, প্রারম্ভ হউক টি এস সি হইতে।।
ভাসিতে হইবেই নাই আর উপায়, বলিয়া দিল সুপ্তি
পাশে থাকিলাম কতো কিছুই করিলাম, ভুলিয়া গিয়াছো সব কীর্তি।
মানুষ বাচিয়া থাকে তাহার করমে, ভুল হইয়াছে তা প্রমাণ
আপনার লোকে ছাড়িয়া গেল তাই হইবো ভাসমান।।
আরাফ মিলাইয়া সুর সকলের সনে, তল্পিতল্পা গুছাইতে যায়,
ভাসিবার জোয়ার লাগিয়াছে প্রানে, তাইতো রুখিয়া রাখা দায়।
ভাসিবে দেশ দেশান্তর, ভাসিবে প্রান্তর, মাঠ- ঘাট যত
ধুইয়া মুছিয়া সাফ করিতে হইবে, আপনে দিয়েছে যত ক্ষত।।
বুঝিয়াছে ভুল আপন জানায় তাইতো রুবা কাঁদিয়া কাঁদিয়া লীন,
আপনের প্রতি ভালবাসা যে অমূল্য, এতো নয় শোধিবার ঋণ।।
নোটঃ কবিতাটা আমাদের ব্যচের একটা ফেসবুক ভিত্তিক গ্রুপের বন্ধুদের নিয়ে লেখা, কবিতার সাদু ভাষার ভুল ত্রুটি সম্পাদনা এবং নামকরণ করেছেন আমার অর্ধাঙ্গিনী ।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


