মেলা থেকে ফেরার সময় রাতের বেলা- চারিদিকে আধাঁর চলছি বনের মধ্য দিয়ে, পেছন থেকে কে যেন বলে উঠল দাড়াও পেছনে ফিরবে না। ওখানেই দাড়াও। শরীরটা একটু ভার হয়ে উঠল। অন্ধকার রাত, হঠাৎ একটু আলোর মতো, একা একা, যদিও আমি সাহসী তবুও ভয় লাগছে। লোকটি বলল- তুই বিদেশ যেতে চাস, তুই জনসেবা করতে চাস, তুই...... ইত্যাদি ইত্যাদি বলতে লাগল আম কিছু বলতে চাইলাম- না! না; তুই বলবি না। তুই শুধু শুনবি, আমি সবই জানি তোর সম্পর্কে, ওসব বাদ দে, এখন শোন- তুই মানুষের সেবা করবি, মানুষের ঘরে ঘরে পৌছে দিবি আমার এই আশীর্বাদ, হাতটা পিছনে দে, চোখটা বন্ধ কর, নয় অন্ধ হয়ে যাবি। আমার হাতের মধে দেখি একটা গাছের টুকরা দিয়ে বলল এইটা সাধারণ জীনিস নয়। ইহা মহা মূল্যবান ঔষধ। একগ্লাস পানিতে ৩ চুবানোর পর যে কোন রুগীকে খাওবে এভাবে ৩ দিন চলবে ৩দিন পর দেখবে সে আরোগ্য লাভ করবে। কথাবলা শেষ হওয়ার পর পরই উধাও হয়ে গেল। যেই কথা সেই কাজ। তার কথা মতো আমি শুরু করলাম মানুষের মাঝে ঔষধ পোছানো। হয়ে গেলাম কবিরাজ। মানুষ আমার পায়ের নীচে বসে থাকে, আমার সেবা যত্ন করার জন্য অস্থীর হয়ে যায়। আমার পা ধুয়ে দিবে বলে ব্যাকুল হয়ো উঠে। বাড়ী, গ্রাম, শহর দেশ চলতে থাক আমার কবিরাজি। দেশ জুড়ে আমার অনেক খ্যাতি। হঠাৎ একদিন পুলিশ এসে হাজির আমার কবিরাজ খানায়। আমাকে নিয়ে অনেক অনিয়মের কথা বলে এবং এক সময় বলে আমাকে থানায় যেতে হবে আমার নামে ওয়ারেন্ট জারি হয়েছে। আমার ঔষধ খেয়ে অনেক লোক বিভিন্ন রকম ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এবং চরম ব্যাধিতে ভুগছে। যা সাধারণ মানুষ বুঝতে পারে না বলে বোকা গুলো আমায় দেবতার আসনে রেখেছে । সুতরাং তুমি একজন খুনী। আমাকে এরেষ্ট করল এবং এক সময় আমাকে আদালতের কাঠগড়ায় উঠালো .................................চলমান
এদিকে মিডিয়া গুলো আমার বারটা বাজিয়ে দিচ্ছে। আমার কু কর্ম গুলো ফাঁস করছে। ভাবলাম সেই বনেই যাবো দেখি তাকে খুজে পাওয়া যায় কিনা। জেল থেকে পালিয়ে দৌড়াচ্ছি তো দৌড়াচ্ছি হঠাৎ পিছন থেকে একটা লাঠি আমার পিঠে পড়ল, ব্যাথা পাইনি, এবার দেখি সত্যিই গায়ে লাগছে, ব্যাথা লাগছে না এবার পুলিশ নয়, মা- বাজারে জেতে হবে তো, প্রায় আটটা বাজতে চলল- (এক রাতে স্বপ্নে দেখা এক গল্পের কথা- দুঃখিত)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৩:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


