এমন দিনও দেখতে হবে এটা কি কখনও ভেবেছিল গণতন্ত্রের ছবক পুরুষ ইনু। মা দূর্গার আর্শিবাদে দিনকাল তার ভালোই কাটছিল। প্রতিদিন দেশের মানুষকে গণতন্ত্রের ছবক দেওয়ার কাজ শেষ করে এখন সবে মাত্র বিশ্ববাসিকে ছবক দেওয়ার কাজ শুরু করেছিলেন। এরই মধ্যে শুধু বিনা মেঘে বজ্রপাতই নয়, একেবারে সাইক্লোন সহ বজ্রপাত। এখনতো ইনু বাবুর কাঁথা সামলানোই দায়!
ইনু বাবুর দলের নাম হয়ত অনেকেই জানেন। জাতিয় সমাজতান্ত্রিক দল বা জাসদ। এদের অবস্থান অনেকটা গ্রামের পাড়ার ফুটবল দলের মত। ১১ জন পুরলোনাতো পাশের পাড়া থেকে কয়েকজন ভাড়া করে নিয়ে আসল। এই ইনুর দল দ্বারা কোনো জনসমাবেশতো সম্ভব ই না, মাঝে মাঝে রাস্তার পাশে ৫/৬ জন লোক নিয়ে বিশাল মিছিল করতে দেখা যায়।
এবার আসুন বর্তমান প্রসঙ্গ। অনেক বছর যাবত আওয়ামিলীগের কোলে চড়ে ইনুর দিন ভালোই যাচ্ছিল। সর্ব-সাকুল্যে যাদের নেতা-কর্মির সংখ্যা ১০০০ ও হবেনা তারা শুধু সাংসদ ই হয়নাই, মন্ত্রি পর্যন্ত হয়েছে। আর তারপরেই শুরু হয়েছে ইনুর মুখরা ভাব। ইনুর ওয়াজ নসিহতে অতিষ্ঠ হয়ে আওয়ামি নেতারা যখন মুখরা রমনী বশিকরনে নেমেছেন, তখনই ইনুর চরিত্র উন্মোচন শুরু। এখন ইনুর ছেড়ে দে মা কাঁন্দে বাঁচি অবস্থা।
একথা কারো ই অজানা নয়যে ১৯৭৫ এর ১৫ই আগস্ট বাংলার ইতিহাসে যে কলংকিত অধ্যায় রচিত হয় তার পেছনে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে ইনু এবং তার দল জাসদ দায়ি। অবাক করার বিষয় এটাইযে কোন এক অজানা কারণে আওয়ামিলীগ এতদিন এ বিষয়ে মুখে কুলুপ এটে ছিল। এখন মুখ যখন খুলেছে তখন এই ইনুর বিচার করে জাতিকে আপনারা অন্তত এই আস্থাটা দিন, দেশদ্রোহিকে কোনভাবেই ছাড় দেয়া হবেনা। যে বিচার আরও আগে হওয়া উচিত ছিল সে বিচার এখন অন্তত করুন।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে আগস্ট, ২০১৫ দুপুর ২:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



