নিরাপত্তা দিয়ে দেশের মানুষকে নিরাপদ রাখার কাজ বা দায়িত্ব যা ই বলেন সেটা তো বর্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপর। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম গুলো বন্ধ করে, একজনের সাথে আরেকজনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেশের মানুষকে নিরাপদ রাখার দায়িত্ব তো ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রীর না! তারানা হালিম বলেছেন, যতদিন পর্যন্ত দেশের একজন মানুষও নিরাপদ না, ততদিন ফেসবুক বন্ধ রাখা হবে। মাননীয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী কাছে আমার কিউরিয়াস মাইন্ড জানতে চায় আপনি কোন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী তা কি মনে আছে? ফেসবুক এখন বন্ধ তাহলে আমরা এখনো নিরাপদ না কেন? আর আমরা যদি এখন নিরাপদই থাকি তাহলে ফেসবুক খোলে দেয়া হচ্ছে না কেন? মাননীয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী আরও বলেছেন, ফেসবুক বন্ধের কারনে দেশের একজন মানুষও বিরক্ত না! হ্যাঁ কথাটা সত্য যেমন মিথ্যাও তেমন! কারন আমরা যারা ব্যাবহার করতে পারছি তারা হয়তো বিরক্ত না, মনে মনে খুশি আমরা তো ইউজ করি। কিন্তু আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষই প্রক্সি/ভিপিএন সম্পর্কে জানে না, বুঝে না। তাদের কাছে এইটা অনেক কঠিন ব্যাপার। এমনও মানুষ আছে যারা কম্পিউটার সাইন্স নিয়ে পড়াশুনা করছে অথচ তারা কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজটাও ভালো করে সেটআপ দিতে জানে না! হ্যাঁ, তারা আপনার উপর কেবল মাত্র বিরক্ত না, আপনাকে কাছে পেলে কি করবে ঠিক নেই :প তাদের থেকে নিরাপদ দূরে থাকুন। মাত্র দুজন যুদ্ধাপরাধীকে ফাঁসী দিতে গিয়েই যদি আমাদের এই অবস্তা হয়, তাহলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই বা কেমনে বলেন যে ফ্রান্সের মতো হামলা প্রতিহত করার ক্ষমতা আমাদের আছে? যেখানে আমরা দেশের দুজন অপরাধিকে ফাঁসী দিতে গিয়ে দেশের মানুষকে বিশ্বের যোগাযোগ মাধ্যম থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেই, সেখানে আমরা কিভাবে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীদের কাছে থেকে দেশকে রক্ষা করবো? তখন হয়তো বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে বার্তা দিবে, সবাই যার যার বাসায় দরজা বন্ধ করে বসে থাকুন! দেখবেন কোনো রকমের শব্দ যেন না হয়!
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




