আমরা এক সময় এতোটাই গরিব ছিলাম যে,
ছয় টাকা দামের জুতা ১৫ টাকা দামের পেন্ট আর ২০ টাকা দামের
সার্ট দিয়েই ঈদের আনন্দ ভোগ করতাম।
আর মা ঈদের সালামি দিতেন মাত্র দুই টাকা।
একবার ঈদের দিন নামাজ পরে আসার সময়ই আমার কম দামি
জুতাখানা ছিড়ে গেছিল।
তাই বলে কিন্তু আমি কাদিনি।
কারন আমি তখনো বুজতাম আমরা অনেক গরিব।
আমার মায়ের পক্ষে আমাকে ভাল বা দামি জুতা কিনে দেওয়ার সামর্থ নেই।
নিশ্চয়ই আপনাদের জানতে ইচ্ছে করছে তাহলে আমার বাবা কোথায় ছিলেন?
আমার বাবাটা না খুব স্বার্থপর।
আমরা দুই ভাই বোন যখন খুব ছোট তখন আমার বাবা আমাদেরকে এতিম করে চলে গেছেন স্বার্থপরের মতো না ফেরার দেশে।
আমরা এতোটাই ছোট ছিলাম যে আমাদের বাবাকে আমাদের বিন্দু মাত্র মনে নেই।
আজ সময়ের সাথে আমাদের জীবনের গল্পটাও অনেক পাল্টে গেছে।
পাল্টে গেছে আমাদের আর্থিক অবস্থান।
আর এই পাল্টে যাওয়া জীবনের গল্পের মূল নায়ক- থাক আজ বলতে ইচ্ছে করছেনা।
অন্যদিন কোন কথার প্রসঙ্গে বলে দেব।
কিন্তু এই পাল্টে যাওয়া জীবনের গল্পের পূর্ণ অবদান আমার মায়ের।
এখন অপেক্ষা শুধু আমার মাকে রত্নগর্বা মা হিসেবে লাখ মায়ের সামনে তুলে ধরার।
আপনারা দোয়া করবেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




