
আজ সন্ধায় এক সুন্দরী আপু উনার বাসায় আমায় চায়ের দাওয়াত দিয়েছিলেন।
অহে মেয়েটি আপু বলতে নিষেধ করেছে। বলেছেন নাম ধরে ডাকতে।
মেয়েটি সন্ধায় কত্ত কিচ্ছু খাওয়ালো কিন্তু চা আর খাওয়ায় নাই।
আমি বললাম আমাকে আপনি কিসের দাওয়াত দিয়েছিলেন?
কেন চায়ের।
কিন্তু চা কই তবে?
সুন্দরী আপুটি মিষ্টি একটা লাজুক হাসি দিয়ে বলল আসলে আমি না চা বানাতে জানিনা।
আমি তো শুনে অবাক। যেই মেয়েটি আমার জন্য চটপটি পুচকা ডিমচপ আলুচপ ডালপুরী ছানা বোনা ফালুদা দইচিড়া ইত্যাদি বানিয়েছে সে কিনা চা বানাতে জানেনা।
আমি নিজের মধ্যে আর সন্দেহ পুষে রাখতে পারলামনা। জিজ্ঞেস করে ফেললাম সত্যি কি এই খাবার গুলি আপনি বানিয়েছেন?
আপুটি মুখটা অমাবর্ষা রাতের মতো কালো করে বললো কেন আপনার বিশ্বাস হয়না।
আমি বললাম আসলে তা না কিন্তু?
আপুটি বললো কিসের কিন্তু?
আমি বললাম যে চা বানেতে যানেনা সে কি ভাবে এত্ত গুলি খাবার বানাতে পারে আমি বিশ্বাস করতে পারছিনা।
আমায় সে উত্তর দিলো এই যে মিস্টার এই রান্না গুলি আমি ট্রেনিং সেন্টার থেকে শিখেছি দীর্ঘ ছয় মাসে।
আমি তো আপুর কথাটা শুনে হাসতে হাসতে মাটিতে লুটুপুটু খেলাম।
আপুটি রাগতে ভুলে গিয়ে আমার সাথে হাসতে লাগলো।
যদিও সে ইচ্ছে করে হাসেনি। হাসি এক প্রকার ভাইরাস বলেই সে আমার সাথে হেসে ফেলেছে।
আমি বললাম কিন্তু আমার তো এখানে চায়ের দাওয়াত ছিল। আমি তো চা না খেয়ে যাচ্ছিনা।
আপুটি বললো চলেন বাহিরে গিয়ে চা খেয়ে আসি।
না বাহিরে যাবনা এখানেই খাবো বুজেছেন চায়ের দেশের সিলেটি আপু।
আপু পাগলির মতো মাথা চুলকে বললেন কিন্তু?
আমি থামিয়ে দিয়ে বললাম কোন কিন্তু নয় আজ এখানে এই ক্ষনে আমি নিজে চা বানিয়ে খাবো, আপনাকে খাওয়াবো এবং বলে আমি থেমে গিয়ে উনার দিকে ইঙ্গিত দিয়ে বাকী কথাটুকু বলতে উনাকে ইশারা করতেই উনি বলে উঠলেন এবং আমাকে শিখাবেন বলেই হাহাহাহা করে হেসে উঠলেন। আমি হেসে উঠে দুজন কিচেনের দিকে চলে গেলাম।
আজ সন্ধায় এক সুন্দরী আপু উনার বাসায় আমায় চায়ের দাওয়াত দিয়েছিলেন।
অহে মেয়েটি আপু বলতে নিষেধ করেছে। বলেছে নাম ধরে ডাকতে।
মেয়েটি সন্ধায় কত্ত কিচ্ছু খাওয়ালো কিন্তু চা আর খাওয়ায় নাই।
আমি বললাম আমাকে আপনি কিসের দাওয়াত দিয়েছিলেন?
কেন চায়ের।
কিন্তু চা কই তবে?
সুন্দরী আপুটি মিষ্টি একটা লাজুক হাসি দিয়ে বলল আসলে আমি না চা বানাতে জানিনা।
আমি তো শুনে অবাক। যেই মেয়েটি আমার জন্য চটপটি পুচকা ডিমচপ আলুচপ ডালপুরী ছানা বোনা ফালুদা দইচিড়া ইত্যাদি বানিয়েছে সে কিনা চা বানাতে জানেনা।
আমি নিজের মধ্যে আর সন্দেহ পুষে রাখতে পারলামনা। জিজ্ঞেস করে ফেললাম সত্যি কি এই খাবার গুলি আপনি বানিয়েছেন?
আপুটি মুখটা অমাবর্ষা রাতের মতো কালো করে বললো কেন আপনার বিশ্বাস হয়না।
আমি বললাম আসলে তা না কিন্তু?
আপুটি বললো কিসের কিন্তু?
আমি বললাম যে চা বানেতে যানেনা সে কি ভাবে এত্ত গুলি খাবার বানাতে পারে আমি বিশ্বাস করতে পারছিনা।
আমায় সে উত্তর দিলো এই যে মিস্টার এই রান্না গুলি আমি ট্রেনিং সেন্টার থেকে শিখেছি দীর্ঘ ছয় মাসে।
আমি তো আপুর কথাটা শুনে হাসতে হাসতে মাটিতে লুটুপুটু খেলাম।
আপুটি রাগতে ভুলে গিয়ে আমার সাথে হাসতে লাগলো।
যদিও সে ইচ্ছে করে হাসেনি। হাসি এক প্রকার ভাইরাস বলেই সে আমার সাথে হেসে ফেলেছে।
আমি বললাম কিন্তু আমার তো এখানে চায়ের দাওয়াত ছিল। আমি তো চা না খেয়ে যাচ্ছিনা।
আপুটি বললো চলেন বাহিরে গিয়ে চা খেয়ে আসি।
না বাহিরে যাবনা এখানেই খাবো বুজেছেন চায়ের দেশের সিলেটি আপু।
আপু পাগলির মতো মাথা চুলকে বললেন কিন্তু?
আমি থামিয়ে দিয়ে বললাম কোন কিন্তু নয় আজ এখানে এই ক্ষনে আমি নিজে চা বানিয়ে খাবো, আপনাকে খাওয়াবো এবং বলে আমি থেমে গিয়ে উনার দিকে ইঙ্গিত দিয়ে বাকী কথাটুকু বলতে উনাকে ইশারা করতেই উনি বলে উঠলেন এবং আমাকে শিখাবেন বলেই হাহাহাহা করে হেসে উঠলেন। আমি হেসে উঠে দুজন কিচেনের দিকে চলে গেলাম।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মে, ২০১৬ রাত ৮:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


