আমরা যারা গরু, মহিষ বা উট ভাগিতে কোরবানি দেই । তখন ভাগিদারদের যেকোন একজনের নিয়ত যতি গোসত খাওয়ার হয় তখন সব ভাগিদের কোরবানি বাতিল হয়ে যায়। তাই আমরা যারা ভাগিতে কোরবানি দেই তখন দেখে শুনে বুঝে শুনে ভাগিদার নির্বাচন করার চেষ্টা করব। আর তাই অনেকে একক ভাবে গরু বা ছাগল কোরবানি দিতে পছন্দ করে। যার সার্মথ যতটুকু , ততটুকু চেষ্টাই তারা করে থাকে।
আর একটা জিনিস আছে তা হল লৌকিকতা ,
একজনের অঢেল টাকা থাকার কারনে বড় বড় বা নাম ফোটানোর জন্য কোরবানি করে থাকে। আর সমাজের মানুষ কিন্তু এটা বুঝে যে কারা কারা মানুষকে দেখারনো জন্য কোরবানি করে । আচ্ছা যারা দুই, পাচ , দশ, বাইশ লাখ টাকা দিয়ে কোরবানি দেয় তারাদের কি সারা বছরে একবারও কি গরিব ,মিসকিনদের কথা মনে করে। তাই বলছি সাবধানতা অবলম্বন করুন।
আর যাদের অধিকাংশ উপার্জন বা সম্পূর্ন উপার্জন হয় হারাম পন্থায় । যেমন : সুদের টাকায়, ঘুসের টাকায় যারা কোরবানি করি তাদের কোরবানি সহিহ হবে না।
আমি একদিন একটি দোকানের সামনে দারিয়ে ছিলাম , তখন একটি লোক দোকানে এসে বলল, (ভাই ভ্রম্যমান আদালত কিন্তু নামছে তাই সাবধানে একটু কাজ কইরো। এইতো আর কয়দিন,ইদের পরেই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। বড় বড় গরু কোরবানি দিবেতো তাই একটু মাঠে নামছে । হারাম টাকায় কোরবানি দিতে হবে তো তাই । আর এরা যখনি টাকার দরকার পরে তখনি আসে তারপর আর এদের দেখা পাওয়া যায় না।) কথা গুলো আমি দাড়িয়ে দাড়িয়ে শুছিলাম।
আসলেইতো তাই, সারা বছর ঘুস খায় , সুদ খায় আর কোরবানির হাটে এসে বড় বড় গরু চায়। আর সমাজের মানুষদের বোঝায় যে ,আমি কোরবানি দিতে পারি তোমরা পার না। তবে যারা হালাল ভাবে দেয় তাদের কথা আলাদা। তারা শুধু আল্লাহকে খুশি করার জন্যই দেয় । আর তাদের মাঝে বিরাজ করে কোরবানির ত্যাগ আর মহত্য।
(বি: দ্র: লেখটি যেহেতু আমারি লেখা ।তাই কপি না করে শেয়ার করবেন। এবং বানান ও বাক্যে ভুল হলে কমেন্টে জানাতে পারেন)
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




