somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জানি না কিছুই!!!!

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৩:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এগ্রিকালচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে আসা কৃষি প্রকৌশলীর মার্স্টাস জীবনের সৃতি
বোধয় তেমন একটি সুখকর
ছিল না শুধুমাত্র দুটি মানুষের জন্য
। তারা হলেন মহামান্য গনিত স্যারদ্বয়। তাদের
কড়া ককথায় জর্জরিত হয়নি এমন
দুই চারজন মানুষ
খুজে পাওয়া মুশকিল । কেননা তারা মনে করেন আমাদের গনিতের ভিত একদমি কাচা। আর আমরাও তাদের কথা মত গনিতকে মুখস্ত বিদ্যার মত খেয়ে ফেলি।
কেননা এটা একেবারে আমাদের
জাতীয় সঙ্কট যে আমাদের
গনিতের
প্রতিভা সর্বদাই মারাত্তক
খারাপ ( যখন কৃষি প্রকৌশল পড়ছি) । কৃষি প্রকৌশলীর মস্তিস্ক সবসময়ই
উর্বর এবং এই জমিতে সব ফসলই চাষ
হয় কিন্তু ওই গনিত ( দাদু গনিত) ছাড়া ।
আমরা আমাদের ভাষার বই
ব্যাবহারে অসাধারন কিন্তু
বিপত্তি ঘটে তখনি যখন ম্যাথ বইটি খুলি । আবার
দেখা যায় সব বিষয়ই বুঝি কিন্তু
বুঝি না শুধু দাদু গনিত । গনিত শুধু ওই
একটিই নয় এই সংখ্যার প্রয়োগ আছে এফ পি এম, আই ডাব্লিউ এম এবং এফ এস সহ আরও
গোটা পাচেক ইঞ্জিনিয়ারিং এ। কিন্তু এই
ম্যাথ বিষয়ে দেখা যাচ্ছে বিপুল
পরিমানে ইঞ্জিনিয়ার বুঝতেই
পারেনা যে আসলে কি করতে হবে কিংবা কিভাবে আরও
এগুন যায় । আর আমরাও
আসলে বুঝতে পারিনা এর
প্রয়জনিয়তা কিংবা উন্নতির
পথে অন্তরায়ই বা কি । প্রথমেই
গনিতের ব্যাপারে আসি ।
আমরা কি বানাই ? ধান ফলান আর
তৈরি পোশাক ছাড়া ?
টেলিভিশন , ফ্রিজ, মোবাইল এসব
নিত্যদিনের সামগ্রি থেকে শুরু
করে মোটরসাইকেল ,কার ,
বাস ,ট্রাক এসব জাতীয়
ব্যাবহারযোগ্য
কিংবা মেট্রো রেল ,
নিউক্লিয়ার ফিল্ড বা মহাকাশ
স্টেশন উফ আর না , এসবের
কোনটা বানাতে পারি আমরা?
আসলে কোনটাই না , কিছু
পারি যা ওই না পারারই সমান।
কেননা আমাদের ইঞ্জিনিয়ার
নাই । হাজারে খুঝলে হয়ত
পাবেন একটি । মোট জনশক্তির কত
ভাগ আমাদের ইঞ্জিনিয়ার
বলতে পারবেন ? সঠিক হিসেব
হয়ত কেওরই জানা নাই । যাই
হবে সেটা অবশ্যই প্রয়জনের তুলনায়
অপ্রতুল । আমরা আজ ভাল
বা খারাপ ইঞ্জিনিয়ার এর
তর্কে যাব না ,
সোজা কথা আমাদের প্রয়োজন
ইঞ্জিনিয়ার । কিন্তু যেই
পরিমান ইঞ্জিনিয়ার প্রয়োজন
আমাদের সেটা কোনদিনও
আমরা পাব না কেননা আমাদের
শৈশবকালে যেই
দুরবলতা থাকে গনিতের
প্রতি সেটা কোন দিনও
কাটে না । গনিত হল সায়েন্স
এবং কমার্সের উচ্চশিক্ষার বেইস
আর আমাদের এই বেইস চিরজিবনই
থাকে কাঁচা । ফলে আমাদের আর
ভাল টেকনিশিয়ান হয়ে উঠা হয়
না । তারই
ফলশ্রুতিতে আমাদেরকে বিদেশ
থেকে আনতে হয় জনশক্তি এই
সেক্টরে যেখানে আমাদের
ছেলে মেয়েরাই যথেষ্ট হওয়ার
কথা ছিল । সুতরাং সংখ্যার
প্রতি আমাদের এই যে ভয়
সেটা কাটিয়ে উঠা খুবই
প্রয়োজন ।
সময় বিভিন্ন আবিস্কার
সামনে নিয়ে এসেছেন
এবং দেশের নাম উজ্জ্বল করেছ্ন কৃষি ইঞ্জিনিয়ারিং এর
বিষয়ে । আজকে এই অবস্থার মধ্য
দিয়েই চলছে আবিস্কার এবং নতুন
উদ্ভাবন শুধুমাত্র বাংলার ওই
সন্তানদের অদম্য সৃষ্টিশীল
আগ্রহের কারনে । কিন্তু আমমরা যদি দাদু মম্যাথ বুঝতাম তাহলে না জানি আরও কি কি সম্ভব হত????
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরো...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫২

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরোচ.....

বিপ্লবের লক্ষ্য কী- পরিবর্তন, নাকি প্রদর্শন?
বাংলাদেশে জেন-জি স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে; কিন্তু প্রশ্ন- স্বৈরাচার গেছে, স্বৈরাচারী মানসিকতা কি গেছে?
যে তরুণ প্রজন্ম গণতন্ত্র, অধিকার ও মর্যাদার দাবিতে রাজপথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

রম্য: পর্নের সেকাল একাল!

লিখেছেন গেছো দাদা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬

গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক নিয়ে অনেকদিন ধরে লিখব লিখব করছিলাম। সময় হচ্ছিল না। আজ এই গভীর রাতে মনে হলো, লিখেই ফেলি। কেন মনে হলো, সে আলাপে আর না যাই। টপিক হলো:... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশভাগ এবং ধর্ম- অধর্ম

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪



শীতের শেষে সমস্ত গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
তখন পাতা ছাড়া গাছ একদম রুগ্ন মনে হয়। শুকনো পাতা দিয়ে মাটির পথ ঢেকে যায়। সেই পথ দিয়ে কোনো পথিক হেটে গেলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিরো থেকে হিরো (মহাজগৎ সংক্রান্ত) - পর্ব-১

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০




কোন কিছুর অস্তিত্ববিহীন অসীম শূন্যে উদ্ভব ঘটেছে সকল বস্তু ও শক্তি উপাদানের। তাতে কোন স্থান না থাকায় উক্ত বস্তু ও শক্তি উপাদান সমূহ একে অপরের স্থান হয়েছে। সুতরাং... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ যদি টেলিফোন থাকত, তাহলে কেমন হতো?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:২৪

আজ যদি টেলিফোন থাকত, তাহলে কেমন হতো?

হয়তো আজ টেলিফোনও অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মতো স্মার্ট হতো!



একসময় মানুষের দূর-দূরান্তে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম ছিল টেলিফোন। মোবাইল ফোনের মতোই টেলিফোন দিয়ে কথা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×