somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পৌঁছে দেই মজিবও আর্দশ, আগামীর কাছে

১৪ ই আগস্ট, ২০১৫ রাত ১১:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজ বাঙালী জাতির এক শোকাবহ দিন ১৫ আগস্ট। ১৯৭৫ সালের এই দিনে কিছু উগ্রবাদী সেনা সদস্যের উগ্রচিন্তা ও মানষিকতায় আমরা হারিয়েছি বাঙালী জাতির আহংকার, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী, বাংলাদেশের রুপকার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান। তাদের বিশ্বাস ও চিন্তা ছিল এই বাংলার বুক থেকে চিরতরে মুছে দিবে মজিবুর রহমান সেই সাথে তার আর্দশ ও চেতনাকে। কিন্তু তারা ভাবেনি কোন দিন তাদের এই উদেশ্য সফল হবার নয়। তারা সেই দিন হয়তো শুধু এক মজিবকে হত্যা করতে পেরে ছিলো পারেনি মুছে দিতে তার আর্দশ, চেতনা, স্বপ্ন ও তার সেই পরিকল্পিত সোনার বাংলাকে। আজ হাজারো বাঙালী সেই আর্দশকে বুকে লালন করে হয়ে উঠেছে এক একজন মজিব সেনা। এরা আজ বুকে ধারন করে ৪৭, ৫২, ৬৬, ৬৯, ৭১, রের সেই দৃরপ্রত্যয়ী মজিবকে। আর গেয়ে উঠে দৃপ্তকন্ঠে " জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু"। আজ এরা ডিজিটাল যুগের একএকজন মজিব। যারা স্বপ্ন দ্যাখে মজিবুর রহমানের স্বপ্নের সেই সোনার বাংলা।

কিন্তু আজ কিছু স্বার্থান্বেষী মুখশধারী বাঙালী সেই আর্দশকে ব্যবসার পুজিরমত ব্যবহার করার জন্যে উঠে পরে লেগেছে। এরা আমাদের স্বপ্নের আর্দশকে বুকে ধারন না করে শুধু গায়ের লেবাছ হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে শুধুমাত্র নিজেদের স্বার্থরক্ষার খাতিরে। এরা বাঙালী জাতির জন্যে ধর্মব্যবসাহী, যুদ্ধাপরাদী, পরাজিত শক্তি এমনকি জামাত-শিবির থেকেও ভয়ংকরী। এরা নিজেদের স্বর্থচরিতার্থ করার জন্যই আজ এই আদর্শের পোশাক গায়ে জরিয়েছে। এরা যেকোন সময় আমাদের বাঙালী জাতিকে কলংকিত করতে পারে। কুলষিত করতে পারে আমাদেরসোনার বাংলার আর্দশকে।
এভাবে যদি মজিবীও আর্দশকে লেবাছ হিসেবে তারা ব্যবহার করার সুযোগ পায় তাহলে বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্নের বাংলাদের গড়া অসম্ভব হতে বাধ্য। আমরা আমাদের আগামী প্রজন্মের হাতে কি তুলে দিতে চাই কুলষিত কোন আর্দশ ও চেতনা??? আমরা তা চাই না।
এই আর্দশের দূষন রোধে আজ আমাদেরকেই সচেষ্ট হতে হবে। আর তার জন্যে মজিবীও আর্দশের এক উজ্জল নখত্র বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে হাত রেখে সংগ্রামী হতে হবে ওই সব স্বার্থান্বেষী মহলের বিরোধে।
আর আজ এই ১৫ই আগস্টের শোক নয় শক্তি ধারন করে রুখে দেই সেই সব অপশক্তিকে। গেয়ে উঠি "জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু, জয় হোক বঙ্গবন্ধুর আর্দশের "।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

**চিঠি ০৩ : ক্যাফের চিঠি** ☕️

লিখেছেন চারাগাছ, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:০৫




বহু বছর পর আজ তোমাকে দেখলাম।

একটা ক্যাফেতে।

জানালার পাশের টেবিলে বসে ছিলে তুমি। সামনে একটা বই, পাশে একটা Affogato। মাঝে মাঝে কফিতে চুমুক দিচ্ছিলে, আবার বইয়ের পাতায় চোখ রাখছিলে।

আমি ক্যাফেতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙালিয়ানা ভোজ ও রুপালি ইলিশের স্বাদ

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৫৫

বন্ধু মারফত খবর পেলাম দেশের বাজার নাকি ভারতীয় ইলিশে সয়লাব। পদ্মার ইলিশের দাম কম, তাই নিম্নচাপ উপেক্ষা করে চলে গেলাম ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে। ঘাটে এসে দেখলাম পুরা বাজার... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রজ্ঞার জয়ধ্বনি বিজ্ঞান ও যুক্তির মহাকাব্য

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৩৯


ভূমিকা
সকল নবি ও রাসুল প্রতি সালাম ও দুরুদ পর
দাউদের সুরে, মূসার পথে, ঈসার প্রেমের বাণী
মুহাম্মদের মরু পেরিয়ে শুনেছি যুগের ধ্বনি
কৃষ্ণের বাঁশি, বুদ্ধের ধ্যান, সুফির অন্তর সন্ধান
যোগীর তপে, মরমীর গানে খুঁজেছি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওমীলীগকে সম্পর্কে কি আপনার মনে এখন কোনো পজিটিভ চিন্তা উঁকি দেয়?

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:০৬


বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতি মূলত চারটি বিষয়ের উপর মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পায়।
প্রথমত, মানুষ মনে করে এ দলটি ক্ষমতায় থাকলে স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষা পায়। এটা খুবই সত্য যে ১৯৭১ সালে আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিরোনামহীন কবিতা-০৭

লিখেছেন কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত), ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৪

তোমাকে নিয়ে কক্সবাজারে
সমুদ্রের গান শোনা,
অথবা বান্দরবানের কোনো পাহাড়ের চূড়ায় উঠে
মেঘের ভেলায় হারিয়ে যাওয়ার
কত যে ইচ্ছে—স্ব-যত্নে পুষে রেখেছিলাম
মনের গহীনতম কোণে!

কোনো এক ঈদের পড়ন্ত বিকেলে—
অকারণ কাঁপা আঙুলে
একটি খুদে বার্তা পৌঁছে দিয়েছিলাম
তোমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×