আমাদের মাঝে আজ এমন এক কনফিউশন কাজ করে যে, আমরা না পারি সম্পন্ন ধর্মভিত্তিক চিন্তা না মুক্তচিন্তা। আমরা কোন তত্বকেই মনে প্রাণে বিশাস করি না। আমাদের মাঝে আছে একটু আধিটু ধর্মীও চিন্তা আর একটু আধুনিকতা। না করি ধর্ম কর্ম না করি অন্য চিন্তা।
ধরুন একজন অল্প ধার্মিকী বা আধুনিকতাবাদী যুবক। যে ভাল ভাবে না মানি ধর্মের নিয়ম নীতি। আমরা একাধারে সানি থেকে শুরু করে দিপিকা আবার পাচ ওয়াক্ত নামাজের পনে চার ওয়াক্ত। আর বলি আমি তো ভাল কাজ করতেছি। একটু আধটু অন্য কাজ করলে কিছুই হবে না। ভাল আর মন্দে কাটাকাটি। অল ইকুয়াল জিরো।
আমরা সব দিকথেকেই মধ্যবিত্ত শ্রেণী ভুক্ত। কোথাও কোন নাস্তিক ( যাকে আমরা ব্লগার বলি বা মুক্ত চিন্তার ব্যাক্তি) উপর হামলা হলে বলি সে ধর্ম নিয়ে খুব বেশী বারাবারি করতেছি।
আরার কোন ধার্মিক ব্যাক্তির সম্পর্কে বলি সে মোলবাদী। তার এটাও বারাবারি প্রকারের ছিল। মোট কথা, কোন বিশ্বাসেই মনে প্রাণে বিশ্বাসী না(মধ্যবিত্ত).।
আমরা এমন যে
শ্রম + প্রাথনা = শস্য,
শ্রম = শস্য,
সুতরাং, প্রাথনা = শূন্য,
সুতরাং এথেকে বলতে পারি, সারাদিন প্রাথনা করলেও এক দানা ধান ফলাতে পারবো না। তাই বলতে হয় শ্রমই সকল কিছুর চাবিকাঠি।
এই সমীকরণ আমাদের বিশ্বাস হয় না। আরার যদি বলি
শ্রম + প্রাথনা = শস্য,
প্রাথনা = শস্য,
সুতরাং শ্রম= ০
তখন বলি শ্রম কখনো বিফলে যায় না। পরিশ্রম করলে এক দিন না একদিন ফল পাবেই।
তাহলে দাড়ালো আমারা আসলেই মধ্যবিত্ত শ্রেণী ভুক্ত। কিন্তু আমরা এই মধ্যবিত্ত শ্রেণীভুক্তি হতে নারাজ। তাহলে আমরা কোন শ্রেণী ভুক্ত ??
তাই আমি বলবো আমরা সুবিধাবাদী, এককথায় সুবিধা ভোগীর শ্রেণী ভুক্ত। তাই নয় কি??????

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




